অ্যাভেঞ্জার্স ধামাকার সঙ্গে জেসন স্ট্যাথামের মিউটিনি

অ্যাভেঞ্জার্স ধামাকার সঙ্গে জেসন স্ট্যাথামের মিউটিনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ঘিরে মার্ভেল ভক্তদের উত্তেজনার শেষ নেই। আগামী ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তির কথা থাকলেও তার আগেই দর্শকদের জন্য বড় চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)। ২০১৯ সালের ব্লকবাস্টার ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ আবারও ফিরছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে এবার শুধু পুরোনো সিনেমার পুনঃমুক্তি নয়, থাকছে নতুন ফুটেজ ও ভবিষ্যৎ গল্পের ইঙ্গিত।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম এনকোর’ নামের বিশেষ সংস্করণটি বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও দেখা যাবে সিনেমাটি। এর পাশাপাশি একই দিনে প্রেক্ষাগৃহে আসছে হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা জেসন স্ট্যাথামের নতুন সিনেমা ‘মিউটিনি’।
২০১৯ সালে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ মুক্তির মধ্য দিয়ে এমসিইউর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। টনি স্টার্কের আত্মত্যাগ, নাতাশার বলিদান, স্টিভ রজার্সের বহুল প্রতীক্ষিত নাচ কিংবা ক্যাপ্টেন আমেরিকার হাতে মজলনির ফিরে আসার মতো দৃশ্যগুলো আজও ভক্তদের মনে গেঁথে আছে। সাত বছর পর সেই স্মরণীয় সিনেমাই আবার বড় পর্দায় ফিরছে। তবে এবারের সংস্করণে শুধু আগের গল্প দেখানো হবে না। মূল সিনেমার সঙ্গে যোগ করা হয়েছে প্রায় চার মিনিটের নতুন দৃশ্য। ফলে সিনেমাটির মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে প্রায় ১৮৫ মিনিট।
নতুন ফুটেজের পাশাপাশি থাকছে নতুন একটি ভূমিকা এবং অতিরিক্ত একটি শেষ দৃশ্য। আর এই বাড়তি অংশেই থাকতে পারে এমসিইউর পরবর্তী অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইঙ্গিত। বিশেষ করে আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে যাওয়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র সঙ্গে এই নতুন অংশের সম্পর্ক নিয়েই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
‘ডুমসডে’র গল্পের প্রেক্ষাপট বুঝতে মার্ভেল এরই মধ্যে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা ও সিরিজের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ‘এন্ডগেম এনকোর’ পুরোনো গল্পের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্রগুলো আবার সামনে আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিচালক জো রুশোর মন্তব্যও দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়েছে। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, ‘এন্ডগেম এনকোর’ এবং ‘ডুমসডে’র মধ্যে একটি সংযোগ তৈরি করা হবে। ফলে এটি নিছক পুনঃমুক্তি নয়; বরং এমসিইউর পরবর্তী গল্পে প্রবেশের একটি নতুন দরজা হিসেবেও কাজ করতে পারে। তবে নতুন দৃশ্যগুলোতে ঠিক কী থাকছে, ‘ডুমসডে’র সঙ্গে এর সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ কিংবা ভবিষ্যতের কোন গল্পের ইঙ্গিত দেওয়া হবে-এসবই এখনো রহস্যের মধ্যে রাখা হয়েছে। আর সেই রহস্যই দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে টানার অন্যতম বড় কারণ।
২০১৯ সালে মুক্তির সময় ‘এন্ডগেম’ ঘিরে বিশ্বজুড়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিলো, সেটিও আবার ফিরে আসতে পারে। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে দর্শকদের উল্লাস, হাততালি ও চিৎকার সেই সময় প্রেক্ষাগৃহের অভিজ্ঞতারই অংশ হয়ে উঠেছিল। এবার পুরোনো সেই অনুভূতি নতুন দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
সিনেমাটির নতুন সংস্করণের ট্রেলার নিয়েও ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। প্রকাশের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ট্রেলারটি ৭৭ মিলিয়নের বেশি ভিউ পায়। রি-রিলিজ হওয়া কোনো সিনেমার ট্রেলারের ক্ষেত্রে এটি বিশ্বব্যাপী নতুন রেকর্ড বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে বড় অঙ্কের ব্যবসার খবর এসেছে। উত্তর আমেরিকার বাজারেই সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি ৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
মার্ভেল ভক্তদের পাশাপাশি অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্যও ২৫ সেপ্টেম্বর থাকছে নতুন আকর্ষণ। স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে জেসন স্ট্যাথাম অভিনীত ‘মিউটিনি’। জ্যাঁ-ফ্রাঁসোয়া রিশে পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমাটিতে স্ট্যাথামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন অ্যানাবেল ওয়ালিস, রোল্যান্ড মোলার, অ্যাড্রিয়ান লেস্টার, জেসন ওং, আরনাস ফেদারাভিচুসহ আরও অনেকে।
সিনেমার গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোল রিড। একসময় নিউইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা এবং স্পেশাল ফোর্সের সদস্য ছিলেন তিনি। কিন্তু একটি ঘটনার পর তার পেশাগত জীবন থমকে যায়। পরবর্তী সময়ে তিনি বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
রিডের জীবন নতুন মোড় নেয় যখন তার ধনী ও প্রভাবশালী বস তার চোখের সামনে খুন হন। পরিস্থিতির এমন নাটকীয় মোড় আসে যে হত্যার দায়ও চাপানো হয় রিডের ওপর। নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে এবং প্রকৃত হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে তাকে পালিয়ে যেতে হয়। এরপরই শুরু হয় মূল অভিযান। রিড উঠে পড়েন একটি বিশাল কার্গো জাহাজে। সমুদ্রের মাঝখানে সেই জাহাজেই একের পর এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বন্দুকযুদ্ধ, হাতাহাতি, ধাওয়া ও বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় গল্প।
তদন্ত করতে গিয়ে রিড বুঝতে পারেন, তার বসের হত্যার ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়। এর পেছনে রয়েছে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। ফলে ব্যক্তিগত প্রতিশোধের পাশাপাশি তাকে মোকাবিলা করতে হয় একটি শক্তিশালী অপরাধচক্র ও ভাড়াটে যোদ্ধাদের। সমুদ্রের মাঝখানে আটকে থাকা জাহাজে সাহায্যের সুযোগও সীমিত। তাই নিজের প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং শারীরিক সক্ষমতাকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হয় রিডকে।
‘মিউটিনি’র বড় একটি অংশের গল্প আবর্তিত হয়েছে কার্গো জাহাজকে ঘিরে। ফলে সীমিত জায়গার মধ্যে সংঘাতের দৃশ্যগুলোতে আলাদা ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের পাশাপাশি রয়েছে কাছাকাছি দূরত্বের মারামারি, দ্রুতগতির ধাওয়া এবং একের পর এক বিপজ্জনক পরিস্থিতি। গল্পের একপর্যায়ে রিডকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এরপর কাহিনিতে নতুন মোড় আসে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন, সেটিই হয়ে ওঠে বড় প্রশ্ন।
দ্রুতগতির গল্প বলার ধরন, টানটান উত্তেজনা এবং অ্যাকশনকে সিনেমাটির মূল শক্তি হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে। ‘আর’ রেটেড হওয়ায় সহিংসতা ও অ্যাকশন দৃশ্যেও থাকছে বাড়তি তীব্রতা। তবে সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছেন জেসন স্ট্যাথাম। অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে তার পরিচিত অভিনয়শৈলীই ‘মিউটিনি’র অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোল রিডের লড়াই, পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা এবং প্রতিশোধের অভিযানের মধ্য দিয়ে দর্শকদের ধরে রাখার চেষ্টা করেছে সিনেমাটি।

‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ঘিরে মার্ভেল ভক্তদের উত্তেজনার শেষ নেই। আগামী ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তির কথা থাকলেও তার আগেই দর্শকদের জন্য বড় চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)। ২০১৯ সালের ব্লকবাস্টার ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ আবারও ফিরছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে এবার শুধু পুরোনো সিনেমার পুনঃমুক্তি নয়, থাকছে নতুন ফুটেজ ও ভবিষ্যৎ গল্পের ইঙ্গিত।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম এনকোর’ নামের বিশেষ সংস্করণটি বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও দেখা যাবে সিনেমাটি। এর পাশাপাশি একই দিনে প্রেক্ষাগৃহে আসছে হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা জেসন স্ট্যাথামের নতুন সিনেমা ‘মিউটিনি’।
২০১৯ সালে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ মুক্তির মধ্য দিয়ে এমসিইউর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। টনি স্টার্কের আত্মত্যাগ, নাতাশার বলিদান, স্টিভ রজার্সের বহুল প্রতীক্ষিত নাচ কিংবা ক্যাপ্টেন আমেরিকার হাতে মজলনির ফিরে আসার মতো দৃশ্যগুলো আজও ভক্তদের মনে গেঁথে আছে। সাত বছর পর সেই স্মরণীয় সিনেমাই আবার বড় পর্দায় ফিরছে। তবে এবারের সংস্করণে শুধু আগের গল্প দেখানো হবে না। মূল সিনেমার সঙ্গে যোগ করা হয়েছে প্রায় চার মিনিটের নতুন দৃশ্য। ফলে সিনেমাটির মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে প্রায় ১৮৫ মিনিট।
নতুন ফুটেজের পাশাপাশি থাকছে নতুন একটি ভূমিকা এবং অতিরিক্ত একটি শেষ দৃশ্য। আর এই বাড়তি অংশেই থাকতে পারে এমসিইউর পরবর্তী অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইঙ্গিত। বিশেষ করে আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে যাওয়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র সঙ্গে এই নতুন অংশের সম্পর্ক নিয়েই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
‘ডুমসডে’র গল্পের প্রেক্ষাপট বুঝতে মার্ভেল এরই মধ্যে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা ও সিরিজের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ‘এন্ডগেম এনকোর’ পুরোনো গল্পের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্রগুলো আবার সামনে আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিচালক জো রুশোর মন্তব্যও দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়েছে। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, ‘এন্ডগেম এনকোর’ এবং ‘ডুমসডে’র মধ্যে একটি সংযোগ তৈরি করা হবে। ফলে এটি নিছক পুনঃমুক্তি নয়; বরং এমসিইউর পরবর্তী গল্পে প্রবেশের একটি নতুন দরজা হিসেবেও কাজ করতে পারে। তবে নতুন দৃশ্যগুলোতে ঠিক কী থাকছে, ‘ডুমসডে’র সঙ্গে এর সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ কিংবা ভবিষ্যতের কোন গল্পের ইঙ্গিত দেওয়া হবে-এসবই এখনো রহস্যের মধ্যে রাখা হয়েছে। আর সেই রহস্যই দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে টানার অন্যতম বড় কারণ।
২০১৯ সালে মুক্তির সময় ‘এন্ডগেম’ ঘিরে বিশ্বজুড়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিলো, সেটিও আবার ফিরে আসতে পারে। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে দর্শকদের উল্লাস, হাততালি ও চিৎকার সেই সময় প্রেক্ষাগৃহের অভিজ্ঞতারই অংশ হয়ে উঠেছিল। এবার পুরোনো সেই অনুভূতি নতুন দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
সিনেমাটির নতুন সংস্করণের ট্রেলার নিয়েও ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। প্রকাশের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ট্রেলারটি ৭৭ মিলিয়নের বেশি ভিউ পায়। রি-রিলিজ হওয়া কোনো সিনেমার ট্রেলারের ক্ষেত্রে এটি বিশ্বব্যাপী নতুন রেকর্ড বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে বড় অঙ্কের ব্যবসার খবর এসেছে। উত্তর আমেরিকার বাজারেই সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি ৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
মার্ভেল ভক্তদের পাশাপাশি অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্যও ২৫ সেপ্টেম্বর থাকছে নতুন আকর্ষণ। স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে জেসন স্ট্যাথাম অভিনীত ‘মিউটিনি’। জ্যাঁ-ফ্রাঁসোয়া রিশে পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমাটিতে স্ট্যাথামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন অ্যানাবেল ওয়ালিস, রোল্যান্ড মোলার, অ্যাড্রিয়ান লেস্টার, জেসন ওং, আরনাস ফেদারাভিচুসহ আরও অনেকে।
সিনেমার গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোল রিড। একসময় নিউইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা এবং স্পেশাল ফোর্সের সদস্য ছিলেন তিনি। কিন্তু একটি ঘটনার পর তার পেশাগত জীবন থমকে যায়। পরবর্তী সময়ে তিনি বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
রিডের জীবন নতুন মোড় নেয় যখন তার ধনী ও প্রভাবশালী বস তার চোখের সামনে খুন হন। পরিস্থিতির এমন নাটকীয় মোড় আসে যে হত্যার দায়ও চাপানো হয় রিডের ওপর। নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে এবং প্রকৃত হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে তাকে পালিয়ে যেতে হয়। এরপরই শুরু হয় মূল অভিযান। রিড উঠে পড়েন একটি বিশাল কার্গো জাহাজে। সমুদ্রের মাঝখানে সেই জাহাজেই একের পর এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বন্দুকযুদ্ধ, হাতাহাতি, ধাওয়া ও বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় গল্প।
তদন্ত করতে গিয়ে রিড বুঝতে পারেন, তার বসের হত্যার ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়। এর পেছনে রয়েছে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। ফলে ব্যক্তিগত প্রতিশোধের পাশাপাশি তাকে মোকাবিলা করতে হয় একটি শক্তিশালী অপরাধচক্র ও ভাড়াটে যোদ্ধাদের। সমুদ্রের মাঝখানে আটকে থাকা জাহাজে সাহায্যের সুযোগও সীমিত। তাই নিজের প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং শারীরিক সক্ষমতাকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হয় রিডকে।
‘মিউটিনি’র বড় একটি অংশের গল্প আবর্তিত হয়েছে কার্গো জাহাজকে ঘিরে। ফলে সীমিত জায়গার মধ্যে সংঘাতের দৃশ্যগুলোতে আলাদা ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের পাশাপাশি রয়েছে কাছাকাছি দূরত্বের মারামারি, দ্রুতগতির ধাওয়া এবং একের পর এক বিপজ্জনক পরিস্থিতি। গল্পের একপর্যায়ে রিডকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এরপর কাহিনিতে নতুন মোড় আসে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন, সেটিই হয়ে ওঠে বড় প্রশ্ন।
দ্রুতগতির গল্প বলার ধরন, টানটান উত্তেজনা এবং অ্যাকশনকে সিনেমাটির মূল শক্তি হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে। ‘আর’ রেটেড হওয়ায় সহিংসতা ও অ্যাকশন দৃশ্যেও থাকছে বাড়তি তীব্রতা। তবে সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছেন জেসন স্ট্যাথাম। অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে তার পরিচিত অভিনয়শৈলীই ‘মিউটিনি’র অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোল রিডের লড়াই, পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা এবং প্রতিশোধের অভিযানের মধ্য দিয়ে দর্শকদের ধরে রাখার চেষ্টা করেছে সিনেমাটি।

অ্যাভেঞ্জার্স ধামাকার সঙ্গে জেসন স্ট্যাথামের মিউটিনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ঘিরে মার্ভেল ভক্তদের উত্তেজনার শেষ নেই। আগামী ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তির কথা থাকলেও তার আগেই দর্শকদের জন্য বড় চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)। ২০১৯ সালের ব্লকবাস্টার ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ আবারও ফিরছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে এবার শুধু পুরোনো সিনেমার পুনঃমুক্তি নয়, থাকছে নতুন ফুটেজ ও ভবিষ্যৎ গল্পের ইঙ্গিত।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম এনকোর’ নামের বিশেষ সংস্করণটি বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও দেখা যাবে সিনেমাটি। এর পাশাপাশি একই দিনে প্রেক্ষাগৃহে আসছে হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা জেসন স্ট্যাথামের নতুন সিনেমা ‘মিউটিনি’।
২০১৯ সালে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ মুক্তির মধ্য দিয়ে এমসিইউর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। টনি স্টার্কের আত্মত্যাগ, নাতাশার বলিদান, স্টিভ রজার্সের বহুল প্রতীক্ষিত নাচ কিংবা ক্যাপ্টেন আমেরিকার হাতে মজলনির ফিরে আসার মতো দৃশ্যগুলো আজও ভক্তদের মনে গেঁথে আছে। সাত বছর পর সেই স্মরণীয় সিনেমাই আবার বড় পর্দায় ফিরছে। তবে এবারের সংস্করণে শুধু আগের গল্প দেখানো হবে না। মূল সিনেমার সঙ্গে যোগ করা হয়েছে প্রায় চার মিনিটের নতুন দৃশ্য। ফলে সিনেমাটির মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে প্রায় ১৮৫ মিনিট।
নতুন ফুটেজের পাশাপাশি থাকছে নতুন একটি ভূমিকা এবং অতিরিক্ত একটি শেষ দৃশ্য। আর এই বাড়তি অংশেই থাকতে পারে এমসিইউর পরবর্তী অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইঙ্গিত। বিশেষ করে আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে যাওয়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র সঙ্গে এই নতুন অংশের সম্পর্ক নিয়েই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
‘ডুমসডে’র গল্পের প্রেক্ষাপট বুঝতে মার্ভেল এরই মধ্যে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা ও সিরিজের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ‘এন্ডগেম এনকোর’ পুরোনো গল্পের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্রগুলো আবার সামনে আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিচালক জো রুশোর মন্তব্যও দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়েছে। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, ‘এন্ডগেম এনকোর’ এবং ‘ডুমসডে’র মধ্যে একটি সংযোগ তৈরি করা হবে। ফলে এটি নিছক পুনঃমুক্তি নয়; বরং এমসিইউর পরবর্তী গল্পে প্রবেশের একটি নতুন দরজা হিসেবেও কাজ করতে পারে। তবে নতুন দৃশ্যগুলোতে ঠিক কী থাকছে, ‘ডুমসডে’র সঙ্গে এর সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ কিংবা ভবিষ্যতের কোন গল্পের ইঙ্গিত দেওয়া হবে-এসবই এখনো রহস্যের মধ্যে রাখা হয়েছে। আর সেই রহস্যই দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে টানার অন্যতম বড় কারণ।
২০১৯ সালে মুক্তির সময় ‘এন্ডগেম’ ঘিরে বিশ্বজুড়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিলো, সেটিও আবার ফিরে আসতে পারে। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে দর্শকদের উল্লাস, হাততালি ও চিৎকার সেই সময় প্রেক্ষাগৃহের অভিজ্ঞতারই অংশ হয়ে উঠেছিল। এবার পুরোনো সেই অনুভূতি নতুন দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
সিনেমাটির নতুন সংস্করণের ট্রেলার নিয়েও ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। প্রকাশের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ট্রেলারটি ৭৭ মিলিয়নের বেশি ভিউ পায়। রি-রিলিজ হওয়া কোনো সিনেমার ট্রেলারের ক্ষেত্রে এটি বিশ্বব্যাপী নতুন রেকর্ড বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে বড় অঙ্কের ব্যবসার খবর এসেছে। উত্তর আমেরিকার বাজারেই সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি ৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
মার্ভেল ভক্তদের পাশাপাশি অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্যও ২৫ সেপ্টেম্বর থাকছে নতুন আকর্ষণ। স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে জেসন স্ট্যাথাম অভিনীত ‘মিউটিনি’। জ্যাঁ-ফ্রাঁসোয়া রিশে পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমাটিতে স্ট্যাথামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন অ্যানাবেল ওয়ালিস, রোল্যান্ড মোলার, অ্যাড্রিয়ান লেস্টার, জেসন ওং, আরনাস ফেদারাভিচুসহ আরও অনেকে।
সিনেমার গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোল রিড। একসময় নিউইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা এবং স্পেশাল ফোর্সের সদস্য ছিলেন তিনি। কিন্তু একটি ঘটনার পর তার পেশাগত জীবন থমকে যায়। পরবর্তী সময়ে তিনি বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
রিডের জীবন নতুন মোড় নেয় যখন তার ধনী ও প্রভাবশালী বস তার চোখের সামনে খুন হন। পরিস্থিতির এমন নাটকীয় মোড় আসে যে হত্যার দায়ও চাপানো হয় রিডের ওপর। নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে এবং প্রকৃত হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে তাকে পালিয়ে যেতে হয়। এরপরই শুরু হয় মূল অভিযান। রিড উঠে পড়েন একটি বিশাল কার্গো জাহাজে। সমুদ্রের মাঝখানে সেই জাহাজেই একের পর এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বন্দুকযুদ্ধ, হাতাহাতি, ধাওয়া ও বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় গল্প।
তদন্ত করতে গিয়ে রিড বুঝতে পারেন, তার বসের হত্যার ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়। এর পেছনে রয়েছে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। ফলে ব্যক্তিগত প্রতিশোধের পাশাপাশি তাকে মোকাবিলা করতে হয় একটি শক্তিশালী অপরাধচক্র ও ভাড়াটে যোদ্ধাদের। সমুদ্রের মাঝখানে আটকে থাকা জাহাজে সাহায্যের সুযোগও সীমিত। তাই নিজের প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং শারীরিক সক্ষমতাকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হয় রিডকে।
‘মিউটিনি’র বড় একটি অংশের গল্প আবর্তিত হয়েছে কার্গো জাহাজকে ঘিরে। ফলে সীমিত জায়গার মধ্যে সংঘাতের দৃশ্যগুলোতে আলাদা ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের পাশাপাশি রয়েছে কাছাকাছি দূরত্বের মারামারি, দ্রুতগতির ধাওয়া এবং একের পর এক বিপজ্জনক পরিস্থিতি। গল্পের একপর্যায়ে রিডকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এরপর কাহিনিতে নতুন মোড় আসে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন, সেটিই হয়ে ওঠে বড় প্রশ্ন।
দ্রুতগতির গল্প বলার ধরন, টানটান উত্তেজনা এবং অ্যাকশনকে সিনেমাটির মূল শক্তি হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে। ‘আর’ রেটেড হওয়ায় সহিংসতা ও অ্যাকশন দৃশ্যেও থাকছে বাড়তি তীব্রতা। তবে সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছেন জেসন স্ট্যাথাম। অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে তার পরিচিত অভিনয়শৈলীই ‘মিউটিনি’র অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোল রিডের লড়াই, পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা এবং প্রতিশোধের অভিযানের মধ্য দিয়ে দর্শকদের ধরে রাখার চেষ্টা করেছে সিনেমাটি।

বাংলাদেশেও মুক্তি পাচ্ছে ‘স্টার ওয়ারস’-এর নতুন সিনেমা
৭ বছর পর ফিরে বক্স অফিসে ঝড় তুললো স্টার ওয়ার্স







