মুক্তি পাচ্ছে হরর সিনেমা ‘ক্লেফেইস’

মুক্তি পাচ্ছে হরর সিনেমা ‘ক্লেফেইস’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিসি কমিকসের পরিচিত ভিলেন ক্লেফেইসকে নিয়ে নির্মিত সুপারহিরো-হরর সিনেমা ‘ক্লেফেইস’ আগামীকাল ২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
জেমস ওয়াটকিন্স পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন টম রিস হ্যারিস, নাওমি অ্যাকি, ম্যাক্স মিঙ্গেলা, ডেভিড ডেনসিক ও এডি মারসনসহ অনেকে।
ব্যাটম্যানের জগতের অন্যতম ভিলেন ক্লেফেইস। এই চরিত্রের বিশেষত্ব হলো, তার শরীর কাদার মতো পরিবর্তিত হতে পারে। নিজের চেহারা বদলে অন্য মানুষের রূপও ধারণ করতে পারে সে। ফলে চরিত্রটিকে ঘিরে রহস্য, ভয়, পরিচয়ের সংকট ও শারীরিক রূপান্তর সিনেমার গল্পে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র ম্যাট হ্যাগেন। গোথাম শহরের একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেতা তিনি। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন। কিন্তু স্থানীয় এক অপরাধী চক্রের প্রধানের কর্মকাণ্ডে তাঁর মুখ ভয়াবহভাবে বিকৃত হয়ে যায়। এতে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তাঁর অভিনয়জীবন ও ব্যক্তিগত জীবন।
একপর্যায়ে আশপাশের মানুষ ও সহযোগীরা তাকে ছেড়ে চলে যায়। নিজের আগের চেহারা ফিরে পেতে ম্যাট আশ্রয় নেন অত্যাধুনিক এক চিকিৎসাপদ্ধতির। এতে তাঁর চেহারা ফিরে এলেও দেখা দেয় ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। শরীর ও মানসিক অবস্থায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন শুরু হয় তাঁর। ধীরে ধীরে নিজের পরিচয়, মানবিকতা ও বাস্তবতাবোধ হারাতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা তাকে ভয়ংকর পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়।
‘ক্লেফেইস’ গতানুগতিক সুপারহিরো সিনেমার চেয়ে আলাদা। এতে অ্যাকশনের বদলে হরর ও বডি হররকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানুষের শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, মুখের বিকৃতি, মানসিক বিপর্যয় এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ভয়াবহ পরিণতি সিনেমাটির আতঙ্কের প্রধান উপাদান।
ডিসি কমিকসের তুলনামূলক কম পরিচিত একটি ভিলেনকে নিয়ে প্রচলিত সুপারহিরো সিনেমার বাইরে গিয়ে এমন গল্প নির্মাণই ‘ক্লেফেইস’-এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সিনেমাটিতে একজন মানুষের সৌন্দর্য, পরিচয় ও মানবিকতা হারানোর বেদনাদায়ক যাত্রাও তুলে ধরা হয়েছে।
সিনেমাটির আরেকটি আকর্ষণ হতে পারে ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও মেকআপের ব্যবহার। ক্লেফেইসের মুখ ও শরীরের অস্বাভাবিক রূপান্তর পর্দায় কতটা বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। ট্রেলার প্রকাশ এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্ব প্রিমিয়ারের পর সিনেমাটি নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ডিসি কমিকসের পরিচিত ভিলেন ক্লেফেইসকে নিয়ে নির্মিত সুপারহিরো-হরর সিনেমা ‘ক্লেফেইস’ আগামীকাল ২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
জেমস ওয়াটকিন্স পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন টম রিস হ্যারিস, নাওমি অ্যাকি, ম্যাক্স মিঙ্গেলা, ডেভিড ডেনসিক ও এডি মারসনসহ অনেকে।
ব্যাটম্যানের জগতের অন্যতম ভিলেন ক্লেফেইস। এই চরিত্রের বিশেষত্ব হলো, তার শরীর কাদার মতো পরিবর্তিত হতে পারে। নিজের চেহারা বদলে অন্য মানুষের রূপও ধারণ করতে পারে সে। ফলে চরিত্রটিকে ঘিরে রহস্য, ভয়, পরিচয়ের সংকট ও শারীরিক রূপান্তর সিনেমার গল্পে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র ম্যাট হ্যাগেন। গোথাম শহরের একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেতা তিনি। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন। কিন্তু স্থানীয় এক অপরাধী চক্রের প্রধানের কর্মকাণ্ডে তাঁর মুখ ভয়াবহভাবে বিকৃত হয়ে যায়। এতে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তাঁর অভিনয়জীবন ও ব্যক্তিগত জীবন।
একপর্যায়ে আশপাশের মানুষ ও সহযোগীরা তাকে ছেড়ে চলে যায়। নিজের আগের চেহারা ফিরে পেতে ম্যাট আশ্রয় নেন অত্যাধুনিক এক চিকিৎসাপদ্ধতির। এতে তাঁর চেহারা ফিরে এলেও দেখা দেয় ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। শরীর ও মানসিক অবস্থায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন শুরু হয় তাঁর। ধীরে ধীরে নিজের পরিচয়, মানবিকতা ও বাস্তবতাবোধ হারাতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা তাকে ভয়ংকর পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়।
‘ক্লেফেইস’ গতানুগতিক সুপারহিরো সিনেমার চেয়ে আলাদা। এতে অ্যাকশনের বদলে হরর ও বডি হররকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানুষের শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, মুখের বিকৃতি, মানসিক বিপর্যয় এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ভয়াবহ পরিণতি সিনেমাটির আতঙ্কের প্রধান উপাদান।
ডিসি কমিকসের তুলনামূলক কম পরিচিত একটি ভিলেনকে নিয়ে প্রচলিত সুপারহিরো সিনেমার বাইরে গিয়ে এমন গল্প নির্মাণই ‘ক্লেফেইস’-এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সিনেমাটিতে একজন মানুষের সৌন্দর্য, পরিচয় ও মানবিকতা হারানোর বেদনাদায়ক যাত্রাও তুলে ধরা হয়েছে।
সিনেমাটির আরেকটি আকর্ষণ হতে পারে ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও মেকআপের ব্যবহার। ক্লেফেইসের মুখ ও শরীরের অস্বাভাবিক রূপান্তর পর্দায় কতটা বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। ট্রেলার প্রকাশ এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্ব প্রিমিয়ারের পর সিনেমাটি নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

মুক্তি পাচ্ছে হরর সিনেমা ‘ক্লেফেইস’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিসি কমিকসের পরিচিত ভিলেন ক্লেফেইসকে নিয়ে নির্মিত সুপারহিরো-হরর সিনেমা ‘ক্লেফেইস’ আগামীকাল ২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
জেমস ওয়াটকিন্স পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন টম রিস হ্যারিস, নাওমি অ্যাকি, ম্যাক্স মিঙ্গেলা, ডেভিড ডেনসিক ও এডি মারসনসহ অনেকে।
ব্যাটম্যানের জগতের অন্যতম ভিলেন ক্লেফেইস। এই চরিত্রের বিশেষত্ব হলো, তার শরীর কাদার মতো পরিবর্তিত হতে পারে। নিজের চেহারা বদলে অন্য মানুষের রূপও ধারণ করতে পারে সে। ফলে চরিত্রটিকে ঘিরে রহস্য, ভয়, পরিচয়ের সংকট ও শারীরিক রূপান্তর সিনেমার গল্পে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র ম্যাট হ্যাগেন। গোথাম শহরের একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেতা তিনি। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন। কিন্তু স্থানীয় এক অপরাধী চক্রের প্রধানের কর্মকাণ্ডে তাঁর মুখ ভয়াবহভাবে বিকৃত হয়ে যায়। এতে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তাঁর অভিনয়জীবন ও ব্যক্তিগত জীবন।
একপর্যায়ে আশপাশের মানুষ ও সহযোগীরা তাকে ছেড়ে চলে যায়। নিজের আগের চেহারা ফিরে পেতে ম্যাট আশ্রয় নেন অত্যাধুনিক এক চিকিৎসাপদ্ধতির। এতে তাঁর চেহারা ফিরে এলেও দেখা দেয় ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। শরীর ও মানসিক অবস্থায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন শুরু হয় তাঁর। ধীরে ধীরে নিজের পরিচয়, মানবিকতা ও বাস্তবতাবোধ হারাতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা তাকে ভয়ংকর পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়।
‘ক্লেফেইস’ গতানুগতিক সুপারহিরো সিনেমার চেয়ে আলাদা। এতে অ্যাকশনের বদলে হরর ও বডি হররকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানুষের শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, মুখের বিকৃতি, মানসিক বিপর্যয় এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ভয়াবহ পরিণতি সিনেমাটির আতঙ্কের প্রধান উপাদান।
ডিসি কমিকসের তুলনামূলক কম পরিচিত একটি ভিলেনকে নিয়ে প্রচলিত সুপারহিরো সিনেমার বাইরে গিয়ে এমন গল্প নির্মাণই ‘ক্লেফেইস’-এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সিনেমাটিতে একজন মানুষের সৌন্দর্য, পরিচয় ও মানবিকতা হারানোর বেদনাদায়ক যাত্রাও তুলে ধরা হয়েছে।
সিনেমাটির আরেকটি আকর্ষণ হতে পারে ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও মেকআপের ব্যবহার। ক্লেফেইসের মুখ ও শরীরের অস্বাভাবিক রূপান্তর পর্দায় কতটা বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। ট্রেলার প্রকাশ এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্ব প্রিমিয়ারের পর সিনেমাটি নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।









