কমেডি সিনেমা ছাড়ার ঘোষণা ‘দ্য ডিক্টেটর’ খ্যাত অভিনেতার

কমেডি সিনেমা ছাড়ার ঘোষণা ‘দ্য ডিক্টেটর’ খ্যাত অভিনেতার
সিজেডএন ডেস্ক

ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয় ও ব্যঙ্গাত্মক কমেডির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন ব্রিটিশ অভিনেতা সাচা ব্যারন কোহেন। ‘বোরাট’ ও ‘দ্য ডিক্টেটর’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। তবে এবার সেই পরিচিত কমেডির জগৎ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই অভিনেতা।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মুক্তি পেয়েছে কোহেন অভিনীত নতুন কমেডি সিনেমা ‘আলি জি: হু ইজ আই?’।
সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাচা ব্যারন কোহেন বলেন, নতুন সিনেমাটি নির্মাণের অভিজ্ঞতা ছিলো আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন অধ্যায়। তবে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের সিনেমায় কাজ করতে চা না তিনি।
তিনি বলেন, আমি এইমাত্র যে সিনেমাটি করেছি, সেটিই আমার জীবনের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সিনেমা। কিন্তু এ ধরনের কাজ আর করবো না। বর্তমান সমাজের গতিপথ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই নতুন সিনেমাটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। রাজনৈতিক মতাদর্শের দুই প্রান্তে থাকা উগ্রপন্থা এবং নৈতিকতার নামে সংঘটিত সহিংসতার বিপজ্জনক দিকগুলো দর্শকদের সামনে তুলে ধরাই ছিল আমার উদ্দেশ্য।
কোহেন বলেন, আমাদের সমাজ কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিয়ে আমি আতঙ্কিত। আমার সিনেমার মাধ্যমে আমি রাজনৈতিক মতাদর্শের দুই দিকের চরমপন্থা এবং নৈতিকতার দোহাই দিয়ে চালানো সহিংসতার বিপদ দেখাতে পারি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে সত্য সম্পর্কে অভিন্ন উপলব্ধি না থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠাও কঠিন হয়ে উঠবে। তবে এসব সংকটের মধ্যেও মানুষকে হাসানোর গুরুত্ব রয়েছে। হাস্যরস মানুষের জন্য একধরনের মানসিক থেরাপি হিসেবে কাজ করতে পারে।
সাচা ব্যারন কোহেন বলেন, কমেডি নির্মাণের এই ধারা ঝুঁকিপূর্ণ ও শারীরিকভাবে পরিশ্রমসাধ্য। নতুন সিনেমার শেষ দৃশ্য টানা আট ঘণ্টা ধরে ধারণ করতে হয়েছে ১২টি আলাদা লোকেশনে। ওই দৃশ্যে গুলির শব্দ, চিকিৎসাসংক্রান্ত একটি প্রক্রিয়া, ড্রোন এবং বিস্ফোরণের মতো বিষয় ছিল। আমরা শুটিংয়ের পুরো সময় সম্ভাব্য ঝুঁকি কমিয়ে অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি।
২০০০ সালে ‘ডা আলি জি শো’-এর মাধ্যমে বিনোদনজগতে পরিচিতি পান সাচা ব্যারন কোহেন। পরে ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বোরাট’ সিনেমা তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়। এরপর ‘ব্রুনো’, ‘দ্য ডিক্টেটর’ এবং ‘হু ইজ আমেরিকা’র মতো কাজের মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক অভিনয়ের জন্য নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন তিনি।
বিশেষ করে ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমায় স্বৈরশাসকের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন কোহেন। তবে এবার দীর্ঘদিনের সেই পরিচিত অভিনয়ধারা শেষ করতে চাইছেন তিনি। কমেডি নির্মাণের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের কথা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে ভিন্ন ধরনের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন এই ব্রিটিশ অভিনেতা।

ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয় ও ব্যঙ্গাত্মক কমেডির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন ব্রিটিশ অভিনেতা সাচা ব্যারন কোহেন। ‘বোরাট’ ও ‘দ্য ডিক্টেটর’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। তবে এবার সেই পরিচিত কমেডির জগৎ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই অভিনেতা।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মুক্তি পেয়েছে কোহেন অভিনীত নতুন কমেডি সিনেমা ‘আলি জি: হু ইজ আই?’।
সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাচা ব্যারন কোহেন বলেন, নতুন সিনেমাটি নির্মাণের অভিজ্ঞতা ছিলো আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন অধ্যায়। তবে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের সিনেমায় কাজ করতে চা না তিনি।
তিনি বলেন, আমি এইমাত্র যে সিনেমাটি করেছি, সেটিই আমার জীবনের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সিনেমা। কিন্তু এ ধরনের কাজ আর করবো না। বর্তমান সমাজের গতিপথ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই নতুন সিনেমাটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। রাজনৈতিক মতাদর্শের দুই প্রান্তে থাকা উগ্রপন্থা এবং নৈতিকতার নামে সংঘটিত সহিংসতার বিপজ্জনক দিকগুলো দর্শকদের সামনে তুলে ধরাই ছিল আমার উদ্দেশ্য।
কোহেন বলেন, আমাদের সমাজ কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিয়ে আমি আতঙ্কিত। আমার সিনেমার মাধ্যমে আমি রাজনৈতিক মতাদর্শের দুই দিকের চরমপন্থা এবং নৈতিকতার দোহাই দিয়ে চালানো সহিংসতার বিপদ দেখাতে পারি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে সত্য সম্পর্কে অভিন্ন উপলব্ধি না থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠাও কঠিন হয়ে উঠবে। তবে এসব সংকটের মধ্যেও মানুষকে হাসানোর গুরুত্ব রয়েছে। হাস্যরস মানুষের জন্য একধরনের মানসিক থেরাপি হিসেবে কাজ করতে পারে।
সাচা ব্যারন কোহেন বলেন, কমেডি নির্মাণের এই ধারা ঝুঁকিপূর্ণ ও শারীরিকভাবে পরিশ্রমসাধ্য। নতুন সিনেমার শেষ দৃশ্য টানা আট ঘণ্টা ধরে ধারণ করতে হয়েছে ১২টি আলাদা লোকেশনে। ওই দৃশ্যে গুলির শব্দ, চিকিৎসাসংক্রান্ত একটি প্রক্রিয়া, ড্রোন এবং বিস্ফোরণের মতো বিষয় ছিল। আমরা শুটিংয়ের পুরো সময় সম্ভাব্য ঝুঁকি কমিয়ে অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি।
২০০০ সালে ‘ডা আলি জি শো’-এর মাধ্যমে বিনোদনজগতে পরিচিতি পান সাচা ব্যারন কোহেন। পরে ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বোরাট’ সিনেমা তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়। এরপর ‘ব্রুনো’, ‘দ্য ডিক্টেটর’ এবং ‘হু ইজ আমেরিকা’র মতো কাজের মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক অভিনয়ের জন্য নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন তিনি।
বিশেষ করে ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমায় স্বৈরশাসকের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন কোহেন। তবে এবার দীর্ঘদিনের সেই পরিচিত অভিনয়ধারা শেষ করতে চাইছেন তিনি। কমেডি নির্মাণের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের কথা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে ভিন্ন ধরনের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন এই ব্রিটিশ অভিনেতা।

কমেডি সিনেমা ছাড়ার ঘোষণা ‘দ্য ডিক্টেটর’ খ্যাত অভিনেতার
সিজেডএন ডেস্ক

ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয় ও ব্যঙ্গাত্মক কমেডির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন ব্রিটিশ অভিনেতা সাচা ব্যারন কোহেন। ‘বোরাট’ ও ‘দ্য ডিক্টেটর’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। তবে এবার সেই পরিচিত কমেডির জগৎ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই অভিনেতা।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মুক্তি পেয়েছে কোহেন অভিনীত নতুন কমেডি সিনেমা ‘আলি জি: হু ইজ আই?’।
সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাচা ব্যারন কোহেন বলেন, নতুন সিনেমাটি নির্মাণের অভিজ্ঞতা ছিলো আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন অধ্যায়। তবে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের সিনেমায় কাজ করতে চা না তিনি।
তিনি বলেন, আমি এইমাত্র যে সিনেমাটি করেছি, সেটিই আমার জীবনের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সিনেমা। কিন্তু এ ধরনের কাজ আর করবো না। বর্তমান সমাজের গতিপথ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই নতুন সিনেমাটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। রাজনৈতিক মতাদর্শের দুই প্রান্তে থাকা উগ্রপন্থা এবং নৈতিকতার নামে সংঘটিত সহিংসতার বিপজ্জনক দিকগুলো দর্শকদের সামনে তুলে ধরাই ছিল আমার উদ্দেশ্য।
কোহেন বলেন, আমাদের সমাজ কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিয়ে আমি আতঙ্কিত। আমার সিনেমার মাধ্যমে আমি রাজনৈতিক মতাদর্শের দুই দিকের চরমপন্থা এবং নৈতিকতার দোহাই দিয়ে চালানো সহিংসতার বিপদ দেখাতে পারি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে সত্য সম্পর্কে অভিন্ন উপলব্ধি না থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠাও কঠিন হয়ে উঠবে। তবে এসব সংকটের মধ্যেও মানুষকে হাসানোর গুরুত্ব রয়েছে। হাস্যরস মানুষের জন্য একধরনের মানসিক থেরাপি হিসেবে কাজ করতে পারে।
সাচা ব্যারন কোহেন বলেন, কমেডি নির্মাণের এই ধারা ঝুঁকিপূর্ণ ও শারীরিকভাবে পরিশ্রমসাধ্য। নতুন সিনেমার শেষ দৃশ্য টানা আট ঘণ্টা ধরে ধারণ করতে হয়েছে ১২টি আলাদা লোকেশনে। ওই দৃশ্যে গুলির শব্দ, চিকিৎসাসংক্রান্ত একটি প্রক্রিয়া, ড্রোন এবং বিস্ফোরণের মতো বিষয় ছিল। আমরা শুটিংয়ের পুরো সময় সম্ভাব্য ঝুঁকি কমিয়ে অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি।
২০০০ সালে ‘ডা আলি জি শো’-এর মাধ্যমে বিনোদনজগতে পরিচিতি পান সাচা ব্যারন কোহেন। পরে ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বোরাট’ সিনেমা তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক খ্যাতি এনে দেয়। এরপর ‘ব্রুনো’, ‘দ্য ডিক্টেটর’ এবং ‘হু ইজ আমেরিকা’র মতো কাজের মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক অভিনয়ের জন্য নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন তিনি।
বিশেষ করে ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমায় স্বৈরশাসকের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন কোহেন। তবে এবার দীর্ঘদিনের সেই পরিচিত অভিনয়ধারা শেষ করতে চাইছেন তিনি। কমেডি নির্মাণের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের কথা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে ভিন্ন ধরনের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন এই ব্রিটিশ অভিনেতা।

যৌন নিপীড়ন, অশালীন ভঙ্গিসহ নানা অভিযোগ ব্রিটিশ অভিনেতার বিরুদ্ধে







