তিশা-অথৈয়ের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত অভিনয়শিল্পী সংঘের

তিশা-অথৈয়ের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত অভিনয়শিল্পী সংঘের
বিনোদন ডেস্ক

বিতর্ক যেনো পিছুই ছাড়ছে না অভিনেত্রী তানজিন তিশার। সম্প্রতি ফ্যাশন ডিজাইনার আয়েশাহ আনুম ফায়যাহ সানায়া চৌধুরীকে আবারও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর আগে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও হুমকির অভিযোগে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন সানায়া চৌধুরী। এবার শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের ঘটনায় তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ, বাংলাদেশ। এর আগে দুই অভিনেত্রীর বিরোধ মেটাতে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। পরে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে দুই অভিনেত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে কেউই ওই নোটিশের জবাব দেননি।
বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের সালিস কমিটির বৈঠকেও আলোচনা হয়। পরে কমিটির সুপারিশে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মিঠু।
এ বিষয়ে রাশেদ মামুন অপু বলেন, দুই অভিনেত্রীর মধ্যে সমঝোতা করানোর জন্য একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। সালিস বৈঠকে তাদের ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি ও ভিডিওবার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। তবে তারা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেনি। পরপর দুটি চিঠি পাঠানো হলেও জবাব পাওয়া যায়নি। ফোনেও সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ বিরতির পর সালিশ কমিটি বাধ্য হয়ে ইসি কমিটিকে তাদের সদস্যপদ বাতিলের জন্য সুপারিশ করে। পরে কার্যনির্বাহী পরিষদে সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তানজিন তিশাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে সংগঠনটি।
এর আগে গত ৩ মার্চ মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিংয়ে দুই অভিনেত্রীর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওইদিন ফেসবুক লাইভে এসে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন সামিয়া। তার দাবি, নাটকের দৃশ্যে তাকে আলতো করে চড় মারার কথা থাকলেও তিশা কয়েকবার জোরে চড় মারেন। এতে তার চোখ ও গাল ফুলে যায়।
তবে সামিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিশা দাবি করেন, নাটকের চিত্রনাট্য ও চরিত্রের প্রয়োজনে দৃশ্যটি করা হয়েছিল। পরিচালকের ভাষ্যও ছিল, দৃশ্যে দুজনেরই পরস্পরকে চড় মারার কথা ছিল। অভিনয়ের সময় কোনো চড় জোরে লেগে যাওয়ায় ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

বিতর্ক যেনো পিছুই ছাড়ছে না অভিনেত্রী তানজিন তিশার। সম্প্রতি ফ্যাশন ডিজাইনার আয়েশাহ আনুম ফায়যাহ সানায়া চৌধুরীকে আবারও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর আগে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও হুমকির অভিযোগে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন সানায়া চৌধুরী। এবার শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের ঘটনায় তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ, বাংলাদেশ। এর আগে দুই অভিনেত্রীর বিরোধ মেটাতে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। পরে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে দুই অভিনেত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে কেউই ওই নোটিশের জবাব দেননি।
বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের সালিস কমিটির বৈঠকেও আলোচনা হয়। পরে কমিটির সুপারিশে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মিঠু।
এ বিষয়ে রাশেদ মামুন অপু বলেন, দুই অভিনেত্রীর মধ্যে সমঝোতা করানোর জন্য একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। সালিস বৈঠকে তাদের ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি ও ভিডিওবার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। তবে তারা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেনি। পরপর দুটি চিঠি পাঠানো হলেও জবাব পাওয়া যায়নি। ফোনেও সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ বিরতির পর সালিশ কমিটি বাধ্য হয়ে ইসি কমিটিকে তাদের সদস্যপদ বাতিলের জন্য সুপারিশ করে। পরে কার্যনির্বাহী পরিষদে সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তানজিন তিশাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে সংগঠনটি।
এর আগে গত ৩ মার্চ মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিংয়ে দুই অভিনেত্রীর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওইদিন ফেসবুক লাইভে এসে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন সামিয়া। তার দাবি, নাটকের দৃশ্যে তাকে আলতো করে চড় মারার কথা থাকলেও তিশা কয়েকবার জোরে চড় মারেন। এতে তার চোখ ও গাল ফুলে যায়।
তবে সামিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিশা দাবি করেন, নাটকের চিত্রনাট্য ও চরিত্রের প্রয়োজনে দৃশ্যটি করা হয়েছিল। পরিচালকের ভাষ্যও ছিল, দৃশ্যে দুজনেরই পরস্পরকে চড় মারার কথা ছিল। অভিনয়ের সময় কোনো চড় জোরে লেগে যাওয়ায় ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

তিশা-অথৈয়ের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত অভিনয়শিল্পী সংঘের
বিনোদন ডেস্ক

বিতর্ক যেনো পিছুই ছাড়ছে না অভিনেত্রী তানজিন তিশার। সম্প্রতি ফ্যাশন ডিজাইনার আয়েশাহ আনুম ফায়যাহ সানায়া চৌধুরীকে আবারও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর আগে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও হুমকির অভিযোগে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন সানায়া চৌধুরী। এবার শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের ঘটনায় তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ, বাংলাদেশ। এর আগে দুই অভিনেত্রীর বিরোধ মেটাতে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। পরে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে দুই অভিনেত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে কেউই ওই নোটিশের জবাব দেননি।
বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের সালিস কমিটির বৈঠকেও আলোচনা হয়। পরে কমিটির সুপারিশে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মিঠু।
এ বিষয়ে রাশেদ মামুন অপু বলেন, দুই অভিনেত্রীর মধ্যে সমঝোতা করানোর জন্য একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। সালিস বৈঠকে তাদের ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি ও ভিডিওবার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। তবে তারা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেনি। পরপর দুটি চিঠি পাঠানো হলেও জবাব পাওয়া যায়নি। ফোনেও সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ বিরতির পর সালিশ কমিটি বাধ্য হয়ে ইসি কমিটিকে তাদের সদস্যপদ বাতিলের জন্য সুপারিশ করে। পরে কার্যনির্বাহী পরিষদে সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তানজিন তিশাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে সংগঠনটি।
এর আগে গত ৩ মার্চ মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিংয়ে দুই অভিনেত্রীর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওইদিন ফেসবুক লাইভে এসে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন সামিয়া। তার দাবি, নাটকের দৃশ্যে তাকে আলতো করে চড় মারার কথা থাকলেও তিশা কয়েকবার জোরে চড় মারেন। এতে তার চোখ ও গাল ফুলে যায়।
তবে সামিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিশা দাবি করেন, নাটকের চিত্রনাট্য ও চরিত্রের প্রয়োজনে দৃশ্যটি করা হয়েছিল। পরিচালকের ভাষ্যও ছিল, দৃশ্যে দুজনেরই পরস্পরকে চড় মারার কথা ছিল। অভিনয়ের সময় কোনো চড় জোরে লেগে যাওয়ায় ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আবারও মামলা, বাদীকে হুমকির অভিযোগ







