তিনশ সিনেমার নীরব মুখ করিম চাচা

তিনশ সিনেমার নীরব মুখ করিম চাচা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোই ছিল আবদুল করিম খানের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। কখনো নায়ক হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ছিল না, ছিল শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা। দীর্ঘ তিন দশকের অভিনয় জীবনে সেই সুযোগ এসেছিল মাত্র একবার। চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ই ছিল জুনিয়র শিল্পী আবদুল করিম খানের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ আবদুল করিম, যিনি সবার কাছে ‘করিম চাচা’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত এক্সট্রা শিল্পী হিসেবে কাজ করতেন। কখনো ভিক্ষুক, কখনো গৃহকর্মী, কখনো মিছিলের মানুষ–এভাবেই তিন শতাধিক সিনেমায় ছোট ছোট চরিত্রে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। সংলাপ থাকুক বা না থাকুক, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর সুযোগই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
মুক্তিযুদ্ধের আগে পরিবারের সঙ্গে সিলেট থেকে ঢাকায় এলেও ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় স্বজনদের হারান তিনি। পরে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সংসার গড়ে তোলেন। সেখান থেকেই নিয়মিত শুটিংয়ে যেতেন আবদুল করিম। মঞ্চ ও যাত্রাপালার মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করে আশির দশকে যুক্ত হন চলচ্চিত্র। সততা ও নিষ্ঠার কারণে নির্মাতাসহ-শিল্পীদের কাছেও ছিলেন সমান প্রিয়।
‘মাটির ময়না’, ‘প্রেমের অহংকার’, ‘অধিকার চাই’, ‘সৎ মানুষ’ ও ‘ভুলো না আমায়’সহ তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও তার পারিশ্রমিক ছিল মাত্র এক থেকে দুই হাজার টাকা। সেই সামান্য আয় দিয়েই সংসার চালিয়েছেন, সন্তানদের পড়াশোনা করিয়েছেন, এমনকি গ্রামেও জমি কিনেছিলেন।
২০০৯ সালে কক্সবাজারে একটি চলচ্চিত্রের শুটিং করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন আবদুল করিম। শ্বাসকষ্ট ও ঠান্ডাজনিত সমস্যায় চিকিৎসা নেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন। শেষ জীবনে খাওয়াদাওয়াও প্রায় বন্ধ হয়ে যায় তার। চিকিৎসাধীন অবস্থায়
২০০৯ সালের ২২ জুলাই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়া এই নিভৃতচারী শিল্পী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকলেও বাংলা চলচ্চিত্রের পর্দায় তার উপস্থিতি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোই ছিল আবদুল করিম খানের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। কখনো নায়ক হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ছিল না, ছিল শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা। দীর্ঘ তিন দশকের অভিনয় জীবনে সেই সুযোগ এসেছিল মাত্র একবার। চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ই ছিল জুনিয়র শিল্পী আবদুল করিম খানের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ আবদুল করিম, যিনি সবার কাছে ‘করিম চাচা’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত এক্সট্রা শিল্পী হিসেবে কাজ করতেন। কখনো ভিক্ষুক, কখনো গৃহকর্মী, কখনো মিছিলের মানুষ–এভাবেই তিন শতাধিক সিনেমায় ছোট ছোট চরিত্রে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। সংলাপ থাকুক বা না থাকুক, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর সুযোগই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
মুক্তিযুদ্ধের আগে পরিবারের সঙ্গে সিলেট থেকে ঢাকায় এলেও ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় স্বজনদের হারান তিনি। পরে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সংসার গড়ে তোলেন। সেখান থেকেই নিয়মিত শুটিংয়ে যেতেন আবদুল করিম। মঞ্চ ও যাত্রাপালার মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করে আশির দশকে যুক্ত হন চলচ্চিত্র। সততা ও নিষ্ঠার কারণে নির্মাতাসহ-শিল্পীদের কাছেও ছিলেন সমান প্রিয়।
‘মাটির ময়না’, ‘প্রেমের অহংকার’, ‘অধিকার চাই’, ‘সৎ মানুষ’ ও ‘ভুলো না আমায়’সহ তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও তার পারিশ্রমিক ছিল মাত্র এক থেকে দুই হাজার টাকা। সেই সামান্য আয় দিয়েই সংসার চালিয়েছেন, সন্তানদের পড়াশোনা করিয়েছেন, এমনকি গ্রামেও জমি কিনেছিলেন।
২০০৯ সালে কক্সবাজারে একটি চলচ্চিত্রের শুটিং করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন আবদুল করিম। শ্বাসকষ্ট ও ঠান্ডাজনিত সমস্যায় চিকিৎসা নেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন। শেষ জীবনে খাওয়াদাওয়াও প্রায় বন্ধ হয়ে যায় তার। চিকিৎসাধীন অবস্থায়
২০০৯ সালের ২২ জুলাই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়া এই নিভৃতচারী শিল্পী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকলেও বাংলা চলচ্চিত্রের পর্দায় তার উপস্থিতি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

তিনশ সিনেমার নীরব মুখ করিম চাচা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোই ছিল আবদুল করিম খানের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। কখনো নায়ক হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ছিল না, ছিল শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা। দীর্ঘ তিন দশকের অভিনয় জীবনে সেই সুযোগ এসেছিল মাত্র একবার। চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ই ছিল জুনিয়র শিল্পী আবদুল করিম খানের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ আবদুল করিম, যিনি সবার কাছে ‘করিম চাচা’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত এক্সট্রা শিল্পী হিসেবে কাজ করতেন। কখনো ভিক্ষুক, কখনো গৃহকর্মী, কখনো মিছিলের মানুষ–এভাবেই তিন শতাধিক সিনেমায় ছোট ছোট চরিত্রে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। সংলাপ থাকুক বা না থাকুক, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর সুযোগই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
মুক্তিযুদ্ধের আগে পরিবারের সঙ্গে সিলেট থেকে ঢাকায় এলেও ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় স্বজনদের হারান তিনি। পরে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সংসার গড়ে তোলেন। সেখান থেকেই নিয়মিত শুটিংয়ে যেতেন আবদুল করিম। মঞ্চ ও যাত্রাপালার মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করে আশির দশকে যুক্ত হন চলচ্চিত্র। সততা ও নিষ্ঠার কারণে নির্মাতাসহ-শিল্পীদের কাছেও ছিলেন সমান প্রিয়।
‘মাটির ময়না’, ‘প্রেমের অহংকার’, ‘অধিকার চাই’, ‘সৎ মানুষ’ ও ‘ভুলো না আমায়’সহ তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও তার পারিশ্রমিক ছিল মাত্র এক থেকে দুই হাজার টাকা। সেই সামান্য আয় দিয়েই সংসার চালিয়েছেন, সন্তানদের পড়াশোনা করিয়েছেন, এমনকি গ্রামেও জমি কিনেছিলেন।
২০০৯ সালে কক্সবাজারে একটি চলচ্চিত্রের শুটিং করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন আবদুল করিম। শ্বাসকষ্ট ও ঠান্ডাজনিত সমস্যায় চিকিৎসা নেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন। শেষ জীবনে খাওয়াদাওয়াও প্রায় বন্ধ হয়ে যায় তার। চিকিৎসাধীন অবস্থায়
২০০৯ সালের ২২ জুলাই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়া এই নিভৃতচারী শিল্পী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকলেও বাংলা চলচ্চিত্রের পর্দায় তার উপস্থিতি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

নতুন সিনেমায় শাকিব খান, শিগগিরই শুটিং






