জীবনে যা হচ্ছে তা আরামের না: পরীমণি

জীবনে যা হচ্ছে তা আরামের না: পরীমণি
বিনোদন ডেস্ক

ব্যবসায়ী নাসির ইউ আহমেদের করা মামলায় হাজিরা না দেওয়ায় ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এ বিষয়ে জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
নিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (আজ) আদালতে যাব। যেহেতু পরোয়ানা জারি করে ফেলেছে। কিছুই তো করার নেই।
মামলাটিকে ঘিরে প্রচণ্ড হেনস্তার শিকার হচ্ছেন অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, মামলার কারণে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাপ পড়ছে। এই জীবনে যা হচ্ছে, এসব তো খুব একটা আরামের না।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় সাক্ষীর জন্য ধার্য ছিল। বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। আসামি পরীর পক্ষের আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। সেখানে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে, গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওইদিন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
২০২৪ সালে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
পরে পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। একই সঙ্গে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২০২৪ সালের ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।
এর আগে, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

ব্যবসায়ী নাসির ইউ আহমেদের করা মামলায় হাজিরা না দেওয়ায় ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এ বিষয়ে জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
নিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (আজ) আদালতে যাব। যেহেতু পরোয়ানা জারি করে ফেলেছে। কিছুই তো করার নেই।
মামলাটিকে ঘিরে প্রচণ্ড হেনস্তার শিকার হচ্ছেন অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, মামলার কারণে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাপ পড়ছে। এই জীবনে যা হচ্ছে, এসব তো খুব একটা আরামের না।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় সাক্ষীর জন্য ধার্য ছিল। বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। আসামি পরীর পক্ষের আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। সেখানে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে, গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওইদিন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
২০২৪ সালে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
পরে পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। একই সঙ্গে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২০২৪ সালের ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।
এর আগে, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

জীবনে যা হচ্ছে তা আরামের না: পরীমণি
বিনোদন ডেস্ক

ব্যবসায়ী নাসির ইউ আহমেদের করা মামলায় হাজিরা না দেওয়ায় ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এ বিষয়ে জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
নিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (আজ) আদালতে যাব। যেহেতু পরোয়ানা জারি করে ফেলেছে। কিছুই তো করার নেই।
মামলাটিকে ঘিরে প্রচণ্ড হেনস্তার শিকার হচ্ছেন অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, মামলার কারণে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাপ পড়ছে। এই জীবনে যা হচ্ছে, এসব তো খুব একটা আরামের না।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় সাক্ষীর জন্য ধার্য ছিল। বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। আসামি পরীর পক্ষের আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। সেখানে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে, গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওইদিন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
২০২৪ সালে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
পরে পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। একই সঙ্গে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২০২৪ সালের ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।
এর আগে, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

‘এটা আর এড়িয়ে যেতে পারছি না’, কী হয়েছিল পরীমণির সঙ্গে?







