অভিনয়ে ছিলো একক আধিপত্য, স্টাইল আইকনে পরিণত হয়েছিলেন মৌসুমী

অভিনয়ে ছিলো একক আধিপত্য, স্টাইল আইকনে পরিণত হয়েছিলেন মৌসুমী
বিনোদন ডেস্ক

আজ থেকে প্রায় ৩৩ বছর আগের কথা; ঢাকাই চলচ্চিত্রে নতুন এক অভিনেত্রীর অভিষেক হয়। তখন কেউ ধারণা করতে পারেনি পরবর্তীতে এই নায়িকা পর্দা কাঁপাবেন। বলছি মৌসুমীর কথা। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। আজ এই তারকার জন্মদিন।
১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার তৈলকুপি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মৌসুমী। তার পুরো নাম আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী। বাবার নাম নাজমুজ্জামান মনি এবং মায়ের নাম শামীমা আখতার জামান।
মৌসুমীর বাল্যকাল কেটেছে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায়। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ ছিলো মৌসুমীর। গানও করতেন। এরপর তিনি ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। এর মাধ্যমে তিনি টেলিভিশনের বাণিজ্যিকধারার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হন।
১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে মৌসুমী চলচ্চিত্রাঙ্গনে পদার্পণ করেন। তার বিপরীতে ছিলেন অকাল প্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহ। দুজনেরই এটি ছিল প্রথম সিনেমা। সে সময় এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমাটি ব্যাপক সাফল্য পায়। রেকর্ড ১৩ কোটি টাকা আয় হয়। মৌসুমী বনে যান সুপারস্টার। ছিনিয়ে নেন শীর্ষ নায়িকার আসনও। প্রায় ৭ বছর তিনি এই আসন ধরে রেখেছিলেন।
পুরো নব্বই দশক ছিলো মৌসুমীতে মাতোয়ারা। সে সময়ে রেকর্ড পরিমাণ মৌসুমীর ভিউ কার্ড বিক্রি হয়েছিলো। এছাড়াও মৌসুমীকে সে সময়ের যুবতী কিশোরী মেয়েরা স্টাইল আইকন হিসেবে ফলো করতেন। মৌসুমী জামা, মৌসুমী নাকের ফুল, মৌসুমী চুলের ফিতা, মৌসুমী চুড়ি, মৌসুমী হেয়ার কাট- তাকে অনুকরণে এসব তখন প্রচলন হয়েছিলো। জনশ্রুতি আছে, সেন্টমার্টিনে নায়িকা মৌসুমীর নামে একটি দ্বীপেরও নামকরণ করা হয়।
এই জুটি পরবর্তী সময়ে ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘দেনমোহর’ ও ‘স্নেহ’ সিনেমায়ও অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পায়। তবে শুধু সালমান শাহর সঙ্গেই নয়, ওমর সানীর বিপরীতে অভিনয় করেও নব্বইয়ের দশকে ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন মৌসুমী। পর্দার রসায়ন থেকে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক দুই জায়গাতেই দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন এই জুটি।
তাদের অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে- ‘দোলা’, ‘আত্মঅহংকার, ‘লজ্জা’, ‘বাপের টাকা’, ‘হারানো প্রেম’, ‘প্রথম প্রেম’, ‘স্নেহের বাঁধন’, ‘ফাঁসির আসামি’, ‘মুক্তির সংগ্রাম’, ‘কথা দাও’, ‘ক্ষুধা’ ও ‘রঙিন রংবাজ’ প্রভূতি।
১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট ওমর সানী ও মৌসুমী বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। তাদের ঘরে ফারদিন এহসান স্বাধীন (ছেলে) এবং ফাইজা (মেয়ে) নামের দুটি সন্তান রয়েছে।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে মৌসুমী শতাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়া একাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।
অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা, পরিচালনায়ও নাম লেখান মৌসুমী। শুধু তাই নয়, ২০০৪ সালে জাহিদ হোসেন পরিচালিত ‘মাতৃত্ব’ ছায়াছবিতে একটি গানে কণ্ঠও দেন তিনি। ইথুন বাবুর সুরে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা ছায়াছবিতে ‘কি যে শূন্য লাগে তুমিহীনা’ গানে কণ্ঠ দেন। এছাড়াও মোস্তফা কামাল রাজের ছায়াছবি চলচ্চিত্রে ‘মন যা বলে বলুক’ গানের গীত রচনাও করেছেন মৌসুমী।
তবে দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ের বাইরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামী ওমর সানী ও সন্তানদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন তিনি।
এবারের জন্মদিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে ঘরোয়া আয়োজনেই কাটাবেন মৌসুমী। অন্যদিকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রিয় এই তারকার জন্মদিন উদযাপনে প্রস্তুতি নিয়েছেন ভক্তরা। রাজধানীর ফার্মগেটে আজ বিকালে মৌসুমী ফ্যান ক্লাবের উদ্যোগে বিশেষ আয়োজন থাকছে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ওমর সানী। পাশাপাশি স্ত্রীকে ঘিরে পরিবারের পক্ষ থেকেও থাকছে বিশেষ দোয়ার আয়োজন।
জন্মদিনের ওমর সানী বলেন, ‘আমার স্ত্রী এবং মেয়ে আমাকে বলেছে, যেন আমার পক্ষ থেকে, পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ দোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর পাশাপাশি আমি আরেকটা কাজও করছি, সেটা আসলে কেউ জানুক তা চাই না।’
জন্মদিন নিয়ে মৌসুমীর বলেন, ‘এখানে আসলে জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই আমার। আম্মু, আমার মেয়ে এবং বোনেরা মিলে যুক্তরাষ্ট্রেই একসঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর চেষ্টা করব।’

আজ থেকে প্রায় ৩৩ বছর আগের কথা; ঢাকাই চলচ্চিত্রে নতুন এক অভিনেত্রীর অভিষেক হয়। তখন কেউ ধারণা করতে পারেনি পরবর্তীতে এই নায়িকা পর্দা কাঁপাবেন। বলছি মৌসুমীর কথা। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। আজ এই তারকার জন্মদিন।
১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার তৈলকুপি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মৌসুমী। তার পুরো নাম আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী। বাবার নাম নাজমুজ্জামান মনি এবং মায়ের নাম শামীমা আখতার জামান।
মৌসুমীর বাল্যকাল কেটেছে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায়। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ ছিলো মৌসুমীর। গানও করতেন। এরপর তিনি ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। এর মাধ্যমে তিনি টেলিভিশনের বাণিজ্যিকধারার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হন।
১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে মৌসুমী চলচ্চিত্রাঙ্গনে পদার্পণ করেন। তার বিপরীতে ছিলেন অকাল প্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহ। দুজনেরই এটি ছিল প্রথম সিনেমা। সে সময় এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমাটি ব্যাপক সাফল্য পায়। রেকর্ড ১৩ কোটি টাকা আয় হয়। মৌসুমী বনে যান সুপারস্টার। ছিনিয়ে নেন শীর্ষ নায়িকার আসনও। প্রায় ৭ বছর তিনি এই আসন ধরে রেখেছিলেন।
পুরো নব্বই দশক ছিলো মৌসুমীতে মাতোয়ারা। সে সময়ে রেকর্ড পরিমাণ মৌসুমীর ভিউ কার্ড বিক্রি হয়েছিলো। এছাড়াও মৌসুমীকে সে সময়ের যুবতী কিশোরী মেয়েরা স্টাইল আইকন হিসেবে ফলো করতেন। মৌসুমী জামা, মৌসুমী নাকের ফুল, মৌসুমী চুলের ফিতা, মৌসুমী চুড়ি, মৌসুমী হেয়ার কাট- তাকে অনুকরণে এসব তখন প্রচলন হয়েছিলো। জনশ্রুতি আছে, সেন্টমার্টিনে নায়িকা মৌসুমীর নামে একটি দ্বীপেরও নামকরণ করা হয়।
এই জুটি পরবর্তী সময়ে ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘দেনমোহর’ ও ‘স্নেহ’ সিনেমায়ও অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পায়। তবে শুধু সালমান শাহর সঙ্গেই নয়, ওমর সানীর বিপরীতে অভিনয় করেও নব্বইয়ের দশকে ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন মৌসুমী। পর্দার রসায়ন থেকে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক দুই জায়গাতেই দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন এই জুটি।
তাদের অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে- ‘দোলা’, ‘আত্মঅহংকার, ‘লজ্জা’, ‘বাপের টাকা’, ‘হারানো প্রেম’, ‘প্রথম প্রেম’, ‘স্নেহের বাঁধন’, ‘ফাঁসির আসামি’, ‘মুক্তির সংগ্রাম’, ‘কথা দাও’, ‘ক্ষুধা’ ও ‘রঙিন রংবাজ’ প্রভূতি।
১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট ওমর সানী ও মৌসুমী বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। তাদের ঘরে ফারদিন এহসান স্বাধীন (ছেলে) এবং ফাইজা (মেয়ে) নামের দুটি সন্তান রয়েছে।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে মৌসুমী শতাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়া একাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।
অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা, পরিচালনায়ও নাম লেখান মৌসুমী। শুধু তাই নয়, ২০০৪ সালে জাহিদ হোসেন পরিচালিত ‘মাতৃত্ব’ ছায়াছবিতে একটি গানে কণ্ঠও দেন তিনি। ইথুন বাবুর সুরে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা ছায়াছবিতে ‘কি যে শূন্য লাগে তুমিহীনা’ গানে কণ্ঠ দেন। এছাড়াও মোস্তফা কামাল রাজের ছায়াছবি চলচ্চিত্রে ‘মন যা বলে বলুক’ গানের গীত রচনাও করেছেন মৌসুমী।
তবে দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ের বাইরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামী ওমর সানী ও সন্তানদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন তিনি।
এবারের জন্মদিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে ঘরোয়া আয়োজনেই কাটাবেন মৌসুমী। অন্যদিকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রিয় এই তারকার জন্মদিন উদযাপনে প্রস্তুতি নিয়েছেন ভক্তরা। রাজধানীর ফার্মগেটে আজ বিকালে মৌসুমী ফ্যান ক্লাবের উদ্যোগে বিশেষ আয়োজন থাকছে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ওমর সানী। পাশাপাশি স্ত্রীকে ঘিরে পরিবারের পক্ষ থেকেও থাকছে বিশেষ দোয়ার আয়োজন।
জন্মদিনের ওমর সানী বলেন, ‘আমার স্ত্রী এবং মেয়ে আমাকে বলেছে, যেন আমার পক্ষ থেকে, পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ দোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর পাশাপাশি আমি আরেকটা কাজও করছি, সেটা আসলে কেউ জানুক তা চাই না।’
জন্মদিন নিয়ে মৌসুমীর বলেন, ‘এখানে আসলে জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই আমার। আম্মু, আমার মেয়ে এবং বোনেরা মিলে যুক্তরাষ্ট্রেই একসঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর চেষ্টা করব।’

অভিনয়ে ছিলো একক আধিপত্য, স্টাইল আইকনে পরিণত হয়েছিলেন মৌসুমী
বিনোদন ডেস্ক

আজ থেকে প্রায় ৩৩ বছর আগের কথা; ঢাকাই চলচ্চিত্রে নতুন এক অভিনেত্রীর অভিষেক হয়। তখন কেউ ধারণা করতে পারেনি পরবর্তীতে এই নায়িকা পর্দা কাঁপাবেন। বলছি মৌসুমীর কথা। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। আজ এই তারকার জন্মদিন।
১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার তৈলকুপি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মৌসুমী। তার পুরো নাম আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী। বাবার নাম নাজমুজ্জামান মনি এবং মায়ের নাম শামীমা আখতার জামান।
মৌসুমীর বাল্যকাল কেটেছে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায়। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ ছিলো মৌসুমীর। গানও করতেন। এরপর তিনি ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। এর মাধ্যমে তিনি টেলিভিশনের বাণিজ্যিকধারার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হন।
১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে মৌসুমী চলচ্চিত্রাঙ্গনে পদার্পণ করেন। তার বিপরীতে ছিলেন অকাল প্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহ। দুজনেরই এটি ছিল প্রথম সিনেমা। সে সময় এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমাটি ব্যাপক সাফল্য পায়। রেকর্ড ১৩ কোটি টাকা আয় হয়। মৌসুমী বনে যান সুপারস্টার। ছিনিয়ে নেন শীর্ষ নায়িকার আসনও। প্রায় ৭ বছর তিনি এই আসন ধরে রেখেছিলেন।
পুরো নব্বই দশক ছিলো মৌসুমীতে মাতোয়ারা। সে সময়ে রেকর্ড পরিমাণ মৌসুমীর ভিউ কার্ড বিক্রি হয়েছিলো। এছাড়াও মৌসুমীকে সে সময়ের যুবতী কিশোরী মেয়েরা স্টাইল আইকন হিসেবে ফলো করতেন। মৌসুমী জামা, মৌসুমী নাকের ফুল, মৌসুমী চুলের ফিতা, মৌসুমী চুড়ি, মৌসুমী হেয়ার কাট- তাকে অনুকরণে এসব তখন প্রচলন হয়েছিলো। জনশ্রুতি আছে, সেন্টমার্টিনে নায়িকা মৌসুমীর নামে একটি দ্বীপেরও নামকরণ করা হয়।
এই জুটি পরবর্তী সময়ে ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘দেনমোহর’ ও ‘স্নেহ’ সিনেমায়ও অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পায়। তবে শুধু সালমান শাহর সঙ্গেই নয়, ওমর সানীর বিপরীতে অভিনয় করেও নব্বইয়ের দশকে ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন মৌসুমী। পর্দার রসায়ন থেকে বাস্তব জীবনের সম্পর্ক দুই জায়গাতেই দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন এই জুটি।
তাদের অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে- ‘দোলা’, ‘আত্মঅহংকার, ‘লজ্জা’, ‘বাপের টাকা’, ‘হারানো প্রেম’, ‘প্রথম প্রেম’, ‘স্নেহের বাঁধন’, ‘ফাঁসির আসামি’, ‘মুক্তির সংগ্রাম’, ‘কথা দাও’, ‘ক্ষুধা’ ও ‘রঙিন রংবাজ’ প্রভূতি।
১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট ওমর সানী ও মৌসুমী বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। তাদের ঘরে ফারদিন এহসান স্বাধীন (ছেলে) এবং ফাইজা (মেয়ে) নামের দুটি সন্তান রয়েছে।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে মৌসুমী শতাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়া একাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।
অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা, পরিচালনায়ও নাম লেখান মৌসুমী। শুধু তাই নয়, ২০০৪ সালে জাহিদ হোসেন পরিচালিত ‘মাতৃত্ব’ ছায়াছবিতে একটি গানে কণ্ঠও দেন তিনি। ইথুন বাবুর সুরে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা ছায়াছবিতে ‘কি যে শূন্য লাগে তুমিহীনা’ গানে কণ্ঠ দেন। এছাড়াও মোস্তফা কামাল রাজের ছায়াছবি চলচ্চিত্রে ‘মন যা বলে বলুক’ গানের গীত রচনাও করেছেন মৌসুমী।
তবে দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ের বাইরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামী ওমর সানী ও সন্তানদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন তিনি।
এবারের জন্মদিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে ঘরোয়া আয়োজনেই কাটাবেন মৌসুমী। অন্যদিকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রিয় এই তারকার জন্মদিন উদযাপনে প্রস্তুতি নিয়েছেন ভক্তরা। রাজধানীর ফার্মগেটে আজ বিকালে মৌসুমী ফ্যান ক্লাবের উদ্যোগে বিশেষ আয়োজন থাকছে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ওমর সানী। পাশাপাশি স্ত্রীকে ঘিরে পরিবারের পক্ষ থেকেও থাকছে বিশেষ দোয়ার আয়োজন।
জন্মদিনের ওমর সানী বলেন, ‘আমার স্ত্রী এবং মেয়ে আমাকে বলেছে, যেন আমার পক্ষ থেকে, পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ দোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর পাশাপাশি আমি আরেকটা কাজও করছি, সেটা আসলে কেউ জানুক তা চাই না।’
জন্মদিন নিয়ে মৌসুমীর বলেন, ‘এখানে আসলে জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই আমার। আম্মু, আমার মেয়ে এবং বোনেরা মিলে যুক্তরাষ্ট্রেই একসঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর চেষ্টা করব।’

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পেলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী
বিমানবালা হতে চেয়েছিলেন মৌসুমী
মৌসুমীর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে বিরোধে জড়ালেন ওমর সানী ও জাহাঙ্গীর 







