আওয়ামীপন্থী সাবেক ভিসি ভোট চাইছেন বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে

আওয়ামীপন্থী সাবেক ভিসি ভোট চাইছেন বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে
জবি সংবাদদাতা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিনের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আশীর্বাদে উপাচার্যসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ভোগ করা এই শিক্ষক এখন বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন।
এই রাজনৈতিক পল্টিবাজির অভিযোগ ছাড়াও আইন লঙ্ঘন করে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রযোজ্য রাজনৈতিক আচরণবিধি লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। একই সঙ্গে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নীল দলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন এবং দলটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ আশীর্বাদে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নানাবিধ প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতাতেও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিএনপিপন্থী শিক্ষক নেতার সঙ্গে লিয়াজোঁ করে নিজের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি পিরোজপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রাজনৈতিক পল্টিবাজি নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনি সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে তার এই আচরণ আইনসিদ্ধ কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়া বিদ্যমান সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি চাকরির আওতাভুক্ত হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ প্রকাশ্য কোনো মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রচার বা ভোট প্রার্থনা আইনত নিষিদ্ধ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বলছেন, ভবিষ্যতে ফের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সুবিধা পাওয়ার আশাতেই কাজী সাইফুদ্দিন এই অবস্থান নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অধ্যাপক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তার এই আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘদিন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট নীতির আশ্রয় নিয়ে সুবিধা ভোগ করার পর ক্ষমতার পালাবদলে আমাদেরই কিছু শিক্ষকের প্রশ্রয়ে দলের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি শিক্ষাঙ্গনের নৈতিকতা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা অমান্য করছেন।
ভুল স্বীকার করে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, আমি জানতাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে কর্মরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রচার যে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে সে বিষয়ে আমার জানা ছিল না। আমি যে বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার অনলাইনে প্রচার করেছি, সে আমার বন্ধু।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিনের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আশীর্বাদে উপাচার্যসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ভোগ করা এই শিক্ষক এখন বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন।
এই রাজনৈতিক পল্টিবাজির অভিযোগ ছাড়াও আইন লঙ্ঘন করে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রযোজ্য রাজনৈতিক আচরণবিধি লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। একই সঙ্গে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নীল দলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন এবং দলটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ আশীর্বাদে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নানাবিধ প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতাতেও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিএনপিপন্থী শিক্ষক নেতার সঙ্গে লিয়াজোঁ করে নিজের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি পিরোজপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রাজনৈতিক পল্টিবাজি নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনি সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে তার এই আচরণ আইনসিদ্ধ কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়া বিদ্যমান সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি চাকরির আওতাভুক্ত হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ প্রকাশ্য কোনো মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রচার বা ভোট প্রার্থনা আইনত নিষিদ্ধ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বলছেন, ভবিষ্যতে ফের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সুবিধা পাওয়ার আশাতেই কাজী সাইফুদ্দিন এই অবস্থান নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অধ্যাপক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তার এই আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘদিন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট নীতির আশ্রয় নিয়ে সুবিধা ভোগ করার পর ক্ষমতার পালাবদলে আমাদেরই কিছু শিক্ষকের প্রশ্রয়ে দলের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি শিক্ষাঙ্গনের নৈতিকতা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা অমান্য করছেন।
ভুল স্বীকার করে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, আমি জানতাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে কর্মরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রচার যে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে সে বিষয়ে আমার জানা ছিল না। আমি যে বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার অনলাইনে প্রচার করেছি, সে আমার বন্ধু।

আওয়ামীপন্থী সাবেক ভিসি ভোট চাইছেন বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে
জবি সংবাদদাতা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিনের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আশীর্বাদে উপাচার্যসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ভোগ করা এই শিক্ষক এখন বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন।
এই রাজনৈতিক পল্টিবাজির অভিযোগ ছাড়াও আইন লঙ্ঘন করে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রযোজ্য রাজনৈতিক আচরণবিধি লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। একই সঙ্গে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নীল দলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন এবং দলটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ আশীর্বাদে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নানাবিধ প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতাতেও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিএনপিপন্থী শিক্ষক নেতার সঙ্গে লিয়াজোঁ করে নিজের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি পিরোজপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রাজনৈতিক পল্টিবাজি নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনি সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে তার এই আচরণ আইনসিদ্ধ কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়া বিদ্যমান সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি চাকরির আওতাভুক্ত হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ প্রকাশ্য কোনো মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রচার বা ভোট প্রার্থনা আইনত নিষিদ্ধ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বলছেন, ভবিষ্যতে ফের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সুবিধা পাওয়ার আশাতেই কাজী সাইফুদ্দিন এই অবস্থান নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অধ্যাপক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তার এই আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘদিন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট নীতির আশ্রয় নিয়ে সুবিধা ভোগ করার পর ক্ষমতার পালাবদলে আমাদেরই কিছু শিক্ষকের প্রশ্রয়ে দলের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি শিক্ষাঙ্গনের নৈতিকতা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা অমান্য করছেন।
ভুল স্বীকার করে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, আমি জানতাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে কর্মরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রচার যে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে সে বিষয়ে আমার জানা ছিল না। আমি যে বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার অনলাইনে প্রচার করেছি, সে আমার বন্ধু।




