৫ শতাংশ কর কমানো উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের সুযোগ: ইউজিসি চেয়ারম্যান

৫ শতাংশ কর কমানো উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের সুযোগ: ইউজিসি চেয়ারম্যান
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ কর কমানোর সরকারি সিদ্ধান্তকে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ৫ শতাংশ কর কমানো শুধু আর্থিক সুবিধা নয়, বরং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের একটি বড় সুযোগ। এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দক্ষতা উন্নয়ন, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং মানসম্মত গবেষণায় ব্যয় করবে।
তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও পাঠদাননির্ভর। জাতীয় সমস্যা সমাধান এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায়ও নেতৃত্ব দিতে হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি সহায়তা পায় না-এমন ধারণা সঠিক নয় উল্লেখ করে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, গত অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার জন্য ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের সমস্যা সমাধানে কার্যকর গবেষণা প্রকল্পে ভবিষ্যতেও অর্থায়ন অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়ন করছে। তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ইউজিসি উভয় ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষা হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জাতীয় গবেষণা রিপোজিটরি এবং সমন্বিত গবেষণা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ, তথ্য সংরক্ষণ এবং একই ধরনের গবেষণার পুনরাবৃত্তি এড়ানো সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ বাড়বে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা অর্জনের জন্য দেশীয় শিক্ষার্থীদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতাও কমবে।
তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা, শিল্প-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহযোগিতা, ইন্টার্নশিপ এবং উদ্যোক্তা তৈরির মতো বিষয়গুলো এখন জাতীয় অগ্রাধিকারের অংশ। চলতি অর্থবছরে দেশের ৫৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গবেষণার জন্য ইউজিসির মাধ্যমে ২৩৮ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন প্রকল্পসহ মোট ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এতে এপিইউবির সভাপতি মো. সবুর খান, সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদিন, ভাইস চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি, উপাচার্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ কর কমানোর সরকারি সিদ্ধান্তকে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ৫ শতাংশ কর কমানো শুধু আর্থিক সুবিধা নয়, বরং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের একটি বড় সুযোগ। এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দক্ষতা উন্নয়ন, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং মানসম্মত গবেষণায় ব্যয় করবে।
তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও পাঠদাননির্ভর। জাতীয় সমস্যা সমাধান এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায়ও নেতৃত্ব দিতে হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি সহায়তা পায় না-এমন ধারণা সঠিক নয় উল্লেখ করে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, গত অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার জন্য ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের সমস্যা সমাধানে কার্যকর গবেষণা প্রকল্পে ভবিষ্যতেও অর্থায়ন অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়ন করছে। তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ইউজিসি উভয় ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষা হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জাতীয় গবেষণা রিপোজিটরি এবং সমন্বিত গবেষণা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ, তথ্য সংরক্ষণ এবং একই ধরনের গবেষণার পুনরাবৃত্তি এড়ানো সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ বাড়বে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা অর্জনের জন্য দেশীয় শিক্ষার্থীদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতাও কমবে।
তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা, শিল্প-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহযোগিতা, ইন্টার্নশিপ এবং উদ্যোক্তা তৈরির মতো বিষয়গুলো এখন জাতীয় অগ্রাধিকারের অংশ। চলতি অর্থবছরে দেশের ৫৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গবেষণার জন্য ইউজিসির মাধ্যমে ২৩৮ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন প্রকল্পসহ মোট ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এতে এপিইউবির সভাপতি মো. সবুর খান, সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদিন, ভাইস চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি, উপাচার্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৫ শতাংশ কর কমানো উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের সুযোগ: ইউজিসি চেয়ারম্যান
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ কর কমানোর সরকারি সিদ্ধান্তকে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ৫ শতাংশ কর কমানো শুধু আর্থিক সুবিধা নয়, বরং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের একটি বড় সুযোগ। এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দক্ষতা উন্নয়ন, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং মানসম্মত গবেষণায় ব্যয় করবে।
তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও পাঠদাননির্ভর। জাতীয় সমস্যা সমাধান এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায়ও নেতৃত্ব দিতে হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি সহায়তা পায় না-এমন ধারণা সঠিক নয় উল্লেখ করে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, গত অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার জন্য ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের সমস্যা সমাধানে কার্যকর গবেষণা প্রকল্পে ভবিষ্যতেও অর্থায়ন অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়ন করছে। তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ইউজিসি উভয় ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষা হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জাতীয় গবেষণা রিপোজিটরি এবং সমন্বিত গবেষণা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ, তথ্য সংরক্ষণ এবং একই ধরনের গবেষণার পুনরাবৃত্তি এড়ানো সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ বাড়বে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা অর্জনের জন্য দেশীয় শিক্ষার্থীদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতাও কমবে।
তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা, শিল্প-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহযোগিতা, ইন্টার্নশিপ এবং উদ্যোক্তা তৈরির মতো বিষয়গুলো এখন জাতীয় অগ্রাধিকারের অংশ। চলতি অর্থবছরে দেশের ৫৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গবেষণার জন্য ইউজিসির মাধ্যমে ২৩৮ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন প্রকল্পসহ মোট ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এতে এপিইউবির সভাপতি মো. সবুর খান, সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদিন, ভাইস চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি, উপাচার্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৯ দিন বন্ধ থাকবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়


