নয়াবাজারের ফ্রেঞ্চ রোডে ঢেউটিনের জমজমাট বাণিজ্য

নয়াবাজারের ফ্রেঞ্চ রোডে ঢেউটিনের জমজমাট বাণিজ্য
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

পুরান ঢাকার সরু অলিগলি পেরিয়ে নয়াবাজারের ফ্রেঞ্চ রোডে ঢুকলেই কানে আসে টিন কাটার শব্দ, চোখে পড়ে সারি সারি দোকান আর ব্যস্ত শ্রমিকদের আনাগোনা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যেখানে চলে দরদাম, পণ্য ওঠানো-নামানো আর ক্রেতাদের ভিড়। সময়ের পরিক্রমায় শুধু একটি বাজার নয়, দেশের নির্মাণসামগ্রীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি কেন্দ্র হিসেবে নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলেছে ফ্রেঞ্চ রোড– যেখান থেকে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ ঢেউটিন ও টিনজাত পণ্য।
রবিবার (২৮ জুন) সরেজমিনে ফ্রেঞ্চ রোড ঘুরে দেখা যায়, পুরো এলাকায় ব্যবসায়িক ব্যস্ততা। সারিবদ্ধ দোকান ও গুদামে ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যানে টিন ওঠানো-নামানোর কাজ চলছে। ঢাকার পাশাপাশি গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, নরসিংদী, ফরিদপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি ক্রেতারা এখানে এসে পণ্য সংগ্রহ করছেন।
দোকানিরা জানান, বাজারে গ্যালভানাইজড করুগেটেড (জিআই) ঢেউটিন, কালার কোটেড টিন, গ্যালভ্যালুম শিট, অ্যালুমিনিয়াম শিট, প্লেইন শিট, ডেকিং শিট এবং ট্র্যাপিজয়েডাল প্রোফাইল শিটসহ বিভিন্ন ধরনের নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যায়। এছাড়া রিজ ক্যাপ, ফ্ল্যাশিং, গাটার, স্ক্রু, নাট-বল্টু, রাবার ওয়াশার, সিল্যান্টসহ টিন স্থাপনের প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের আনুষঙ্গিক পণ্যও একই বাজারে বিক্রি হয়। অনেক দোকানেই ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী টিন কেটে ও ভাঁজ করে নির্দিষ্ট মাপে প্রস্তুত করে দেওয়া হয়।
মান ও পুরুত্বভেদে ফ্রেঞ্চ রোডে ঢেউটিনের দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি স্কয়ার ফিট হিসেবে। বর্তমানে প্রতি স্কয়ার ফিট ঢেউটিন সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় ও আমদানিকৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টিন এখানে পাওয়া যায়। তবে কাঁচামালের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং টিনের গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে দামের তারতম্য হয়ে থাকে।
মেসার্স রহমান ট্রেডার্স-এর কর্ণধার মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে এবং শীত শেষে আমাদের বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। গ্রামে নতুন ঘর নির্মাণ, পুরোনো টিন পরিবর্তন এবং বিভিন্ন খামার তৈরির জন্য তখন প্রচুর পাইকারি অর্ডার আসে। এ সময় গুদামে পণ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে।’

এম এইচ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল মিয়া বলেন, ‘আগে বিদেশি টিনের চাহিদা বেশি ছিল। এখন দেশীয় কোম্পানিগুলোও উন্নতমানের কালার কোটেড ও গ্যালভ্যালুম টিন উৎপাদন করছে। ফলে স্থানীয় ব্র্যান্ডের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে কাঁচামালের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীদেরও চাপ বাড়ছে।’
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে ০.২৫ থেকে ০.৫০ মিলিমিটার পুরুত্বের টিনের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। গ্রামীণ বসতবাড়িতে সাধারণ জিআই ঢেউটিন বেশি ব্যবহৃত হলেও শিল্পকারখানা এবং বাণিজ্যিক ভবনে কালার কোটেড ও গ্যালভ্যালুম শিটের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে।
কুমিল্লা থেকে পণ্য কিনতে আসা ঠিকাদার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ফ্রেঞ্চ রোডে এক জায়গায় অনেক কোম্পানির টিন পাওয়া যায়। মান ও দাম তুলনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য কেনা যায়। তাই দূর-দূরান্ত থেকেও আমরা এখানেই আসি।’

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের নির্মাণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বড় প্রকল্পের জন্য একসঙ্গে বেশি পরিমাণ টিন দরকার হলে ফ্রেঞ্চ রোডই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাজার। এখান থেকে দ্রুত মালামাল পাওয়া যায় এবং পরিবহনের ব্যবস্থাও সহজ।’
ব্যবসায়ীদের মতে, আধুনিক গুদাম, সহজে পণ্য ওঠানামার ব্যবস্থা এবং যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের অন্যতম এই ঐতিহ্যবাহী টিনের পাইকারি বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে এবং নির্মাণসামগ্রী সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পুরান ঢাকার সরু অলিগলি পেরিয়ে নয়াবাজারের ফ্রেঞ্চ রোডে ঢুকলেই কানে আসে টিন কাটার শব্দ, চোখে পড়ে সারি সারি দোকান আর ব্যস্ত শ্রমিকদের আনাগোনা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যেখানে চলে দরদাম, পণ্য ওঠানো-নামানো আর ক্রেতাদের ভিড়। সময়ের পরিক্রমায় শুধু একটি বাজার নয়, দেশের নির্মাণসামগ্রীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি কেন্দ্র হিসেবে নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলেছে ফ্রেঞ্চ রোড– যেখান থেকে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ ঢেউটিন ও টিনজাত পণ্য।
রবিবার (২৮ জুন) সরেজমিনে ফ্রেঞ্চ রোড ঘুরে দেখা যায়, পুরো এলাকায় ব্যবসায়িক ব্যস্ততা। সারিবদ্ধ দোকান ও গুদামে ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যানে টিন ওঠানো-নামানোর কাজ চলছে। ঢাকার পাশাপাশি গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, নরসিংদী, ফরিদপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি ক্রেতারা এখানে এসে পণ্য সংগ্রহ করছেন।
দোকানিরা জানান, বাজারে গ্যালভানাইজড করুগেটেড (জিআই) ঢেউটিন, কালার কোটেড টিন, গ্যালভ্যালুম শিট, অ্যালুমিনিয়াম শিট, প্লেইন শিট, ডেকিং শিট এবং ট্র্যাপিজয়েডাল প্রোফাইল শিটসহ বিভিন্ন ধরনের নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যায়। এছাড়া রিজ ক্যাপ, ফ্ল্যাশিং, গাটার, স্ক্রু, নাট-বল্টু, রাবার ওয়াশার, সিল্যান্টসহ টিন স্থাপনের প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের আনুষঙ্গিক পণ্যও একই বাজারে বিক্রি হয়। অনেক দোকানেই ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী টিন কেটে ও ভাঁজ করে নির্দিষ্ট মাপে প্রস্তুত করে দেওয়া হয়।
মান ও পুরুত্বভেদে ফ্রেঞ্চ রোডে ঢেউটিনের দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি স্কয়ার ফিট হিসেবে। বর্তমানে প্রতি স্কয়ার ফিট ঢেউটিন সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় ও আমদানিকৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টিন এখানে পাওয়া যায়। তবে কাঁচামালের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং টিনের গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে দামের তারতম্য হয়ে থাকে।
মেসার্স রহমান ট্রেডার্স-এর কর্ণধার মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে এবং শীত শেষে আমাদের বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। গ্রামে নতুন ঘর নির্মাণ, পুরোনো টিন পরিবর্তন এবং বিভিন্ন খামার তৈরির জন্য তখন প্রচুর পাইকারি অর্ডার আসে। এ সময় গুদামে পণ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে।’

এম এইচ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল মিয়া বলেন, ‘আগে বিদেশি টিনের চাহিদা বেশি ছিল। এখন দেশীয় কোম্পানিগুলোও উন্নতমানের কালার কোটেড ও গ্যালভ্যালুম টিন উৎপাদন করছে। ফলে স্থানীয় ব্র্যান্ডের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে কাঁচামালের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীদেরও চাপ বাড়ছে।’
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে ০.২৫ থেকে ০.৫০ মিলিমিটার পুরুত্বের টিনের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। গ্রামীণ বসতবাড়িতে সাধারণ জিআই ঢেউটিন বেশি ব্যবহৃত হলেও শিল্পকারখানা এবং বাণিজ্যিক ভবনে কালার কোটেড ও গ্যালভ্যালুম শিটের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে।
কুমিল্লা থেকে পণ্য কিনতে আসা ঠিকাদার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ফ্রেঞ্চ রোডে এক জায়গায় অনেক কোম্পানির টিন পাওয়া যায়। মান ও দাম তুলনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য কেনা যায়। তাই দূর-দূরান্ত থেকেও আমরা এখানেই আসি।’

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের নির্মাণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বড় প্রকল্পের জন্য একসঙ্গে বেশি পরিমাণ টিন দরকার হলে ফ্রেঞ্চ রোডই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাজার। এখান থেকে দ্রুত মালামাল পাওয়া যায় এবং পরিবহনের ব্যবস্থাও সহজ।’
ব্যবসায়ীদের মতে, আধুনিক গুদাম, সহজে পণ্য ওঠানামার ব্যবস্থা এবং যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের অন্যতম এই ঐতিহ্যবাহী টিনের পাইকারি বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে এবং নির্মাণসামগ্রী সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নয়াবাজারের ফ্রেঞ্চ রোডে ঢেউটিনের জমজমাট বাণিজ্য
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

পুরান ঢাকার সরু অলিগলি পেরিয়ে নয়াবাজারের ফ্রেঞ্চ রোডে ঢুকলেই কানে আসে টিন কাটার শব্দ, চোখে পড়ে সারি সারি দোকান আর ব্যস্ত শ্রমিকদের আনাগোনা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যেখানে চলে দরদাম, পণ্য ওঠানো-নামানো আর ক্রেতাদের ভিড়। সময়ের পরিক্রমায় শুধু একটি বাজার নয়, দেশের নির্মাণসামগ্রীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি কেন্দ্র হিসেবে নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলেছে ফ্রেঞ্চ রোড– যেখান থেকে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ ঢেউটিন ও টিনজাত পণ্য।
রবিবার (২৮ জুন) সরেজমিনে ফ্রেঞ্চ রোড ঘুরে দেখা যায়, পুরো এলাকায় ব্যবসায়িক ব্যস্ততা। সারিবদ্ধ দোকান ও গুদামে ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যানে টিন ওঠানো-নামানোর কাজ চলছে। ঢাকার পাশাপাশি গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, নরসিংদী, ফরিদপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি ক্রেতারা এখানে এসে পণ্য সংগ্রহ করছেন।
দোকানিরা জানান, বাজারে গ্যালভানাইজড করুগেটেড (জিআই) ঢেউটিন, কালার কোটেড টিন, গ্যালভ্যালুম শিট, অ্যালুমিনিয়াম শিট, প্লেইন শিট, ডেকিং শিট এবং ট্র্যাপিজয়েডাল প্রোফাইল শিটসহ বিভিন্ন ধরনের নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যায়। এছাড়া রিজ ক্যাপ, ফ্ল্যাশিং, গাটার, স্ক্রু, নাট-বল্টু, রাবার ওয়াশার, সিল্যান্টসহ টিন স্থাপনের প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের আনুষঙ্গিক পণ্যও একই বাজারে বিক্রি হয়। অনেক দোকানেই ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী টিন কেটে ও ভাঁজ করে নির্দিষ্ট মাপে প্রস্তুত করে দেওয়া হয়।
মান ও পুরুত্বভেদে ফ্রেঞ্চ রোডে ঢেউটিনের দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি স্কয়ার ফিট হিসেবে। বর্তমানে প্রতি স্কয়ার ফিট ঢেউটিন সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় ও আমদানিকৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টিন এখানে পাওয়া যায়। তবে কাঁচামালের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং টিনের গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে দামের তারতম্য হয়ে থাকে।
মেসার্স রহমান ট্রেডার্স-এর কর্ণধার মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে এবং শীত শেষে আমাদের বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। গ্রামে নতুন ঘর নির্মাণ, পুরোনো টিন পরিবর্তন এবং বিভিন্ন খামার তৈরির জন্য তখন প্রচুর পাইকারি অর্ডার আসে। এ সময় গুদামে পণ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে।’

এম এইচ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল মিয়া বলেন, ‘আগে বিদেশি টিনের চাহিদা বেশি ছিল। এখন দেশীয় কোম্পানিগুলোও উন্নতমানের কালার কোটেড ও গ্যালভ্যালুম টিন উৎপাদন করছে। ফলে স্থানীয় ব্র্যান্ডের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে কাঁচামালের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীদেরও চাপ বাড়ছে।’
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে ০.২৫ থেকে ০.৫০ মিলিমিটার পুরুত্বের টিনের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। গ্রামীণ বসতবাড়িতে সাধারণ জিআই ঢেউটিন বেশি ব্যবহৃত হলেও শিল্পকারখানা এবং বাণিজ্যিক ভবনে কালার কোটেড ও গ্যালভ্যালুম শিটের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে।
কুমিল্লা থেকে পণ্য কিনতে আসা ঠিকাদার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ফ্রেঞ্চ রোডে এক জায়গায় অনেক কোম্পানির টিন পাওয়া যায়। মান ও দাম তুলনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য কেনা যায়। তাই দূর-দূরান্ত থেকেও আমরা এখানেই আসি।’

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের নির্মাণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বড় প্রকল্পের জন্য একসঙ্গে বেশি পরিমাণ টিন দরকার হলে ফ্রেঞ্চ রোডই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাজার। এখান থেকে দ্রুত মালামাল পাওয়া যায় এবং পরিবহনের ব্যবস্থাও সহজ।’
ব্যবসায়ীদের মতে, আধুনিক গুদাম, সহজে পণ্য ওঠানামার ব্যবস্থা এবং যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের অন্যতম এই ঐতিহ্যবাহী টিনের পাইকারি বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে এবং নির্মাণসামগ্রী সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।




