চীনের অর্থায়নে মোংলা বন্দরে হচ্ছে ২ কনটেইনার জেটি

চীনের অর্থায়নে মোংলা বন্দরে হচ্ছে ২ কনটেইনার জেটি
খুলনা সংবাদদাতা

মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেছেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে জিটুজি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে চীনের অর্থায়নে বন্দরে দুটি অত্যাধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দর ব্যবহার করে বার্ষিক দেড় কোটি টন কার্গো এবং চার লাখ টিইইউজ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এসব তথ্য জানান তিনি।
মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। এতে ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার লোড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার খালি কনটেইনার ইয়ার্ড ও ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটার বিপজ্জনক কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রকল্পের অধীনে পাঁচ বছর মেয়াদে পশুর চ্যানেলের বিভিন্ন স্থানে ৩৩০ দশমিক ৯০ লাখ ঘনমিটার সংরক্ষণ ড্রেজিং কাজ সম্পন্ন করা হবে। গত জুন পর্যন্ত পাঁচ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং কাজ সম্পন্নও হয়েছে।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে জেটি পর্যন্ত ৯ দশমিক ৫০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছে।
এদিকে, অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন আরেকটি প্রকল্পের আওতায় ন্যূনতম ৩ হাজার ৫০০ কিউবিক মিটার ধারণক্ষমতার একটি ট্রেইলিং সাকশন হপার ড্রেজার এবং দুটি ২৮ ইঞ্চি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের।
এ ছাড়া, পশুর চ্যানেলে নদীশাসনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও দুটি মুরিং বোট সংগ্রহ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা।

মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেছেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে জিটুজি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে চীনের অর্থায়নে বন্দরে দুটি অত্যাধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দর ব্যবহার করে বার্ষিক দেড় কোটি টন কার্গো এবং চার লাখ টিইইউজ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এসব তথ্য জানান তিনি।
মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। এতে ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার লোড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার খালি কনটেইনার ইয়ার্ড ও ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটার বিপজ্জনক কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রকল্পের অধীনে পাঁচ বছর মেয়াদে পশুর চ্যানেলের বিভিন্ন স্থানে ৩৩০ দশমিক ৯০ লাখ ঘনমিটার সংরক্ষণ ড্রেজিং কাজ সম্পন্ন করা হবে। গত জুন পর্যন্ত পাঁচ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং কাজ সম্পন্নও হয়েছে।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে জেটি পর্যন্ত ৯ দশমিক ৫০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছে।
এদিকে, অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন আরেকটি প্রকল্পের আওতায় ন্যূনতম ৩ হাজার ৫০০ কিউবিক মিটার ধারণক্ষমতার একটি ট্রেইলিং সাকশন হপার ড্রেজার এবং দুটি ২৮ ইঞ্চি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের।
এ ছাড়া, পশুর চ্যানেলে নদীশাসনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও দুটি মুরিং বোট সংগ্রহ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা।

চীনের অর্থায়নে মোংলা বন্দরে হচ্ছে ২ কনটেইনার জেটি
খুলনা সংবাদদাতা

মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেছেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে জিটুজি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে চীনের অর্থায়নে বন্দরে দুটি অত্যাধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দর ব্যবহার করে বার্ষিক দেড় কোটি টন কার্গো এবং চার লাখ টিইইউজ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এসব তথ্য জানান তিনি।
মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। এতে ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার লোড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার খালি কনটেইনার ইয়ার্ড ও ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটার বিপজ্জনক কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রকল্পের অধীনে পাঁচ বছর মেয়াদে পশুর চ্যানেলের বিভিন্ন স্থানে ৩৩০ দশমিক ৯০ লাখ ঘনমিটার সংরক্ষণ ড্রেজিং কাজ সম্পন্ন করা হবে। গত জুন পর্যন্ত পাঁচ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং কাজ সম্পন্নও হয়েছে।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে জেটি পর্যন্ত ৯ দশমিক ৫০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছে।
এদিকে, অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন আরেকটি প্রকল্পের আওতায় ন্যূনতম ৩ হাজার ৫০০ কিউবিক মিটার ধারণক্ষমতার একটি ট্রেইলিং সাকশন হপার ড্রেজার এবং দুটি ২৮ ইঞ্চি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের।
এ ছাড়া, পশুর চ্যানেলে নদীশাসনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও দুটি মুরিং বোট সংগ্রহ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা।

মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান পদে রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ







