মাছের বাজারে নতুন করে দাম বৃদ্ধির ধাক্কা

মাছের বাজারে নতুন করে দাম বৃদ্ধির ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই মাছের দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ মাছের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। তবে স্বস্তির খবর হলো সবজি ও মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২৫০ থেকে ১৭০০ টাকা, শোল মাছ প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, লইট্টা প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০, পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, নদীর কাতলা মাছ আকারভেদে প্রতি কেজি ৮৫০ থেকে ১১০০ টাকা, টেংরা মাছ প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, নদীর ছোট বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৮০০ এবং বড়গুলো ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ২৭০০ টাকা এবং বড় সাইজেরগুলো ৩৩০০ টাকা এবং ঝাটকা ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকায় এই সপ্তাহে মাছের দাম বেড়েছে।
মিজান নামের একজন ক্রেতা বলেন, আমরা খাবো কি? গত সপ্তাহে সবজির দাম বেড়েছে। এখন আবার মাছের দামও বাড়লো। দিন দিন সবকিছুর দাম শুধু বাড়ছে, কমানোর কোনো পদক্ষেপই দেখছি না।

এদিকে, গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে সবজির দাম। প্রতি কেজি টমেটো ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা, শসা ২০০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঝিঙে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুর মুখী ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল ৭০, পেঁপে ৪০, ধুন্দল ৭০, মিষ্টি কুমড়া ৬০, প্রতি পিস চাল কুমড়া ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে, মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮২০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সরবরাহ ভালো থাকায় আগের দামেই বিক্রি করছি।

সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই মাছের দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ মাছের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। তবে স্বস্তির খবর হলো সবজি ও মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২৫০ থেকে ১৭০০ টাকা, শোল মাছ প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, লইট্টা প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০, পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, নদীর কাতলা মাছ আকারভেদে প্রতি কেজি ৮৫০ থেকে ১১০০ টাকা, টেংরা মাছ প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, নদীর ছোট বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৮০০ এবং বড়গুলো ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ২৭০০ টাকা এবং বড় সাইজেরগুলো ৩৩০০ টাকা এবং ঝাটকা ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকায় এই সপ্তাহে মাছের দাম বেড়েছে।
মিজান নামের একজন ক্রেতা বলেন, আমরা খাবো কি? গত সপ্তাহে সবজির দাম বেড়েছে। এখন আবার মাছের দামও বাড়লো। দিন দিন সবকিছুর দাম শুধু বাড়ছে, কমানোর কোনো পদক্ষেপই দেখছি না।

এদিকে, গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে সবজির দাম। প্রতি কেজি টমেটো ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা, শসা ২০০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঝিঙে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুর মুখী ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল ৭০, পেঁপে ৪০, ধুন্দল ৭০, মিষ্টি কুমড়া ৬০, প্রতি পিস চাল কুমড়া ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে, মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮২০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সরবরাহ ভালো থাকায় আগের দামেই বিক্রি করছি।

মাছের বাজারে নতুন করে দাম বৃদ্ধির ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই মাছের দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ মাছের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। তবে স্বস্তির খবর হলো সবজি ও মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, নদীর চিংড়ি আকারভেদে ১২৫০ থেকে ১৭০০ টাকা, শোল মাছ প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, লইট্টা প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০, পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, নদীর কাতলা মাছ আকারভেদে প্রতি কেজি ৮৫০ থেকে ১১০০ টাকা, টেংরা মাছ প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, নদীর ছোট বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৮০০ এবং বড়গুলো ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ২৭০০ টাকা এবং বড় সাইজেরগুলো ৩৩০০ টাকা এবং ঝাটকা ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকায় এই সপ্তাহে মাছের দাম বেড়েছে।
মিজান নামের একজন ক্রেতা বলেন, আমরা খাবো কি? গত সপ্তাহে সবজির দাম বেড়েছে। এখন আবার মাছের দামও বাড়লো। দিন দিন সবকিছুর দাম শুধু বাড়ছে, কমানোর কোনো পদক্ষেপই দেখছি না।

এদিকে, গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে সবজির দাম। প্রতি কেজি টমেটো ১৫০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা, শসা ২০০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঝিঙে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুর মুখী ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল ৭০, পেঁপে ৪০, ধুন্দল ৭০, মিষ্টি কুমড়া ৬০, প্রতি পিস চাল কুমড়া ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে, মাংসের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮২০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সরবরাহ ভালো থাকায় আগের দামেই বিক্রি করছি।

বৃষ্টিতে চড়া সবজির দাম, কাঁচামরিচে ডাবল সেঞ্চুরি






