সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এলপিজির দাম নির্ধারণ হবে: বিইআরসি চেয়ারম্যান

সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এলপিজির দাম নির্ধারণ হবে: বিইআরসি চেয়ারম্যান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন আমদানিকারক কোম্পানি ও পরিবেশকেরা। পাশাপাশি এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। তবে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান, আবেদনকারীদের প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন দলের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এলপিজি দাম নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এলপিজির দামের বিষয়ে গণশুনানির পর লিখিত মতামত ও প্রস্তাব আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনে জমা দেওয়া যাবে বলে জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকার বিয়াম মিলনায়তনে ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারিভাবে বাজারজাত এবং সরকারিভাবে সরবরাহ করা এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী এ শুনানির আয়োজন করা হয়।
এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারে আমদানিকারকরা কমিশন হিসেবে ৩০০ টাকার বেশি ও পরিবেশকেরা ১৫০ করার দাবিসংবলিত প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। আমদানিকারকরা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে বর্তমান কমিশন ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা দাবি করেছে। তবে সবচেয়ে কম ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব করেছে মেঘনা গ্রুপ।
অন্যদিকে পরিবেশকেরা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা, খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া পরিবহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের প্রতি লিটারের কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বর্তমানে বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অপারেটরদের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তার খরচ বাড়বে ৩০০ টাকা, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুনানিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস পিএলসি; বেসরকারি আবেদনকারী, অপারেটর, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এবং অটোগ্যাস স্টেশনের প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেন।
কমিশন গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন দলও তাদের মূল্যায়ন উপস্থাপন করে। তারা ভোক্তা পর্যায়ে দাম নির্ধারণের আইনি দিক, কমিশনের দায়িত্ব এবং দাম নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজন শুনানিতে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন আমদানিকারক কোম্পানি ও পরিবেশকেরা। পাশাপাশি এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। তবে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান, আবেদনকারীদের প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন দলের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এলপিজি দাম নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এলপিজির দামের বিষয়ে গণশুনানির পর লিখিত মতামত ও প্রস্তাব আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনে জমা দেওয়া যাবে বলে জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকার বিয়াম মিলনায়তনে ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারিভাবে বাজারজাত এবং সরকারিভাবে সরবরাহ করা এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী এ শুনানির আয়োজন করা হয়।
এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারে আমদানিকারকরা কমিশন হিসেবে ৩০০ টাকার বেশি ও পরিবেশকেরা ১৫০ করার দাবিসংবলিত প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। আমদানিকারকরা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে বর্তমান কমিশন ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা দাবি করেছে। তবে সবচেয়ে কম ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব করেছে মেঘনা গ্রুপ।
অন্যদিকে পরিবেশকেরা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা, খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া পরিবহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের প্রতি লিটারের কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বর্তমানে বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অপারেটরদের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তার খরচ বাড়বে ৩০০ টাকা, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুনানিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস পিএলসি; বেসরকারি আবেদনকারী, অপারেটর, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এবং অটোগ্যাস স্টেশনের প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেন।
কমিশন গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন দলও তাদের মূল্যায়ন উপস্থাপন করে। তারা ভোক্তা পর্যায়ে দাম নির্ধারণের আইনি দিক, কমিশনের দায়িত্ব এবং দাম নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজন শুনানিতে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এলপিজির দাম নির্ধারণ হবে: বিইআরসি চেয়ারম্যান
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন আমদানিকারক কোম্পানি ও পরিবেশকেরা। পাশাপাশি এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। তবে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান, আবেদনকারীদের প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন দলের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এলপিজি দাম নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এলপিজির দামের বিষয়ে গণশুনানির পর লিখিত মতামত ও প্রস্তাব আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনে জমা দেওয়া যাবে বলে জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকার বিয়াম মিলনায়তনে ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারিভাবে বাজারজাত এবং সরকারিভাবে সরবরাহ করা এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী এ শুনানির আয়োজন করা হয়।
এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারে আমদানিকারকরা কমিশন হিসেবে ৩০০ টাকার বেশি ও পরিবেশকেরা ১৫০ করার দাবিসংবলিত প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। আমদানিকারকরা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে বর্তমান কমিশন ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা দাবি করেছে। তবে সবচেয়ে কম ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব করেছে মেঘনা গ্রুপ।
অন্যদিকে পরিবেশকেরা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা, খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া পরিবহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের প্রতি লিটারের কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বর্তমানে বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অপারেটরদের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তার খরচ বাড়বে ৩০০ টাকা, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুনানিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস পিএলসি; বেসরকারি আবেদনকারী, অপারেটর, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এবং অটোগ্যাস স্টেশনের প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেন।
কমিশন গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন দলও তাদের মূল্যায়ন উপস্থাপন করে। তারা ভোক্তা পর্যায়ে দাম নির্ধারণের আইনি দিক, কমিশনের দায়িত্ব এবং দাম নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজন শুনানিতে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব, আজ গণশুনানি
কলকাতায় এলপিজি ৮৭ টাকা কেজি, বাংলাদেশে দ্বিগুণ






