১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব, আজ গণশুনানি

১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব, আজ গণশুনানি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন অপারেটররা। পাশাপাশি এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। এসব প্রস্তাবের বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গণশুনানি করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বর্তমানে বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অপারেটরদের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তার খরচ বাড়বে ৩০০ টাকা, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। যদিও প্রস্তাবিত দাম কার্যকর হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। বিইআরসির গণশুনানি ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে মূল্য পরিবর্তনের বিষয়টি।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান মেমোরিয়াল অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব, ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও ভোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) দাবি, গত কয়েক বছরে ডলারের বিনিময় হার, পরিবহন, কারখানা পরিচালনা ও অন্যান্য ব্যয় বেড়েছে। বর্তমান মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতিতে এসব ব্যয়ের যথাযথ প্রতিফলন নেই। এ কারণে বিভিন্ন চার্জ ও মুনাফা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। অপারেটরদের মুনাফা ৩৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করার প্রস্তাবও রয়েছে।
তবে, ভোক্তাদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম এ প্রস্তাবকে অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে কেউ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করতেই পারে। তবে তা বিইআরসি আমলে নেবে কি না সেটাই দেখার বিষয়। যে যুক্তিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে তা অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য।’

১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন অপারেটররা। পাশাপাশি এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। এসব প্রস্তাবের বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গণশুনানি করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বর্তমানে বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অপারেটরদের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তার খরচ বাড়বে ৩০০ টাকা, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। যদিও প্রস্তাবিত দাম কার্যকর হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। বিইআরসির গণশুনানি ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে মূল্য পরিবর্তনের বিষয়টি।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান মেমোরিয়াল অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব, ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও ভোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) দাবি, গত কয়েক বছরে ডলারের বিনিময় হার, পরিবহন, কারখানা পরিচালনা ও অন্যান্য ব্যয় বেড়েছে। বর্তমান মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতিতে এসব ব্যয়ের যথাযথ প্রতিফলন নেই। এ কারণে বিভিন্ন চার্জ ও মুনাফা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। অপারেটরদের মুনাফা ৩৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করার প্রস্তাবও রয়েছে।
তবে, ভোক্তাদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম এ প্রস্তাবকে অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে কেউ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করতেই পারে। তবে তা বিইআরসি আমলে নেবে কি না সেটাই দেখার বিষয়। যে যুক্তিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে তা অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য।’

১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব, আজ গণশুনানি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ১৩৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন অপারেটররা। পাশাপাশি এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। এসব প্রস্তাবের বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গণশুনানি করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বর্তমানে বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অপারেটরদের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তার খরচ বাড়বে ৩০০ টাকা, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। যদিও প্রস্তাবিত দাম কার্যকর হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। বিইআরসির গণশুনানি ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে মূল্য পরিবর্তনের বিষয়টি।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশনের শহীদ এ কে এম শামসুল হক খান মেমোরিয়াল অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব, ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও ভোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) দাবি, গত কয়েক বছরে ডলারের বিনিময় হার, পরিবহন, কারখানা পরিচালনা ও অন্যান্য ব্যয় বেড়েছে। বর্তমান মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতিতে এসব ব্যয়ের যথাযথ প্রতিফলন নেই। এ কারণে বিভিন্ন চার্জ ও মুনাফা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। অপারেটরদের মুনাফা ৩৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করার প্রস্তাবও রয়েছে।
তবে, ভোক্তাদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম এ প্রস্তাবকে অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে কেউ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করতেই পারে। তবে তা বিইআরসি আমলে নেবে কি না সেটাই দেখার বিষয়। যে যুক্তিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে তা অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য।’

কমেছে গ্যাসের সরবরাহ, বেড়েছে ভোগান্তি







