কমেছে ডিমের দাম, কাঁচামরিচ ১২০

কমেছে ডিমের দাম, কাঁচামরিচ ১২০
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

গত সপ্তাহের তুলনায় রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। সাদা ডিম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহেও যা ছিল ১৫০ টাকা। তবে স্বস্তি নেই সবজির বাজারে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে। এছাড়া বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে মুরগি ও মাছের বাজারেও রয়েছে চড়া দাম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াবাজার ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ আলু প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বগুড়ার আলু ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, টমেটো ১৩০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফুলকপি প্রতি পিচ ৫০ টাকা, দেশি জাতের রসুন সবজি ১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি৷
অন্যদিকে মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, শোল মাছ ৭০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ২৫০ টাকা এবং রুই মাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, ডিমের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে জ্বালানী তেলের দাম বাড়ায় সবজির দাম বাড়তির দিকে। সামনে দাম আরও বাড়বে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন তারা।
সবজি বিক্রেতা জুনায়েদ বলেন, কিছু সবজি কম দামে বিক্রি হচ্ছে, আবার কাঁচামরিচসহ কয়েকটি সবজির দাম বেশি। পাইকারি বাজারের দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা দাম নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী জাবের নোমান বলেন, ডিমের দাম কিছুটা কমেছে, এটা স্বস্তির বিষয়। কারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে ডিম সবচেয় বেশি দরকার হয়৷ কিন্তু সবজি কিনতে গেলে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচসহ অন্যান্য সবজি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকলে ভালো হতো।

গত সপ্তাহের তুলনায় রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। সাদা ডিম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহেও যা ছিল ১৫০ টাকা। তবে স্বস্তি নেই সবজির বাজারে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে। এছাড়া বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে মুরগি ও মাছের বাজারেও রয়েছে চড়া দাম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াবাজার ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ আলু প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বগুড়ার আলু ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, টমেটো ১৩০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফুলকপি প্রতি পিচ ৫০ টাকা, দেশি জাতের রসুন সবজি ১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি৷
অন্যদিকে মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, শোল মাছ ৭০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ২৫০ টাকা এবং রুই মাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, ডিমের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে জ্বালানী তেলের দাম বাড়ায় সবজির দাম বাড়তির দিকে। সামনে দাম আরও বাড়বে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন তারা।
সবজি বিক্রেতা জুনায়েদ বলেন, কিছু সবজি কম দামে বিক্রি হচ্ছে, আবার কাঁচামরিচসহ কয়েকটি সবজির দাম বেশি। পাইকারি বাজারের দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা দাম নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী জাবের নোমান বলেন, ডিমের দাম কিছুটা কমেছে, এটা স্বস্তির বিষয়। কারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে ডিম সবচেয় বেশি দরকার হয়৷ কিন্তু সবজি কিনতে গেলে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচসহ অন্যান্য সবজি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকলে ভালো হতো।

কমেছে ডিমের দাম, কাঁচামরিচ ১২০
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

গত সপ্তাহের তুলনায় রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। সাদা ডিম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহেও যা ছিল ১৫০ টাকা। তবে স্বস্তি নেই সবজির বাজারে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে। এছাড়া বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে মুরগি ও মাছের বাজারেও রয়েছে চড়া দাম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াবাজার ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ আলু প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বগুড়ার আলু ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, টমেটো ১৩০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফুলকপি প্রতি পিচ ৫০ টাকা, দেশি জাতের রসুন সবজি ১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি৷
অন্যদিকে মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, শোল মাছ ৭০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ২৫০ টাকা এবং রুই মাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, ডিমের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে জ্বালানী তেলের দাম বাড়ায় সবজির দাম বাড়তির দিকে। সামনে দাম আরও বাড়বে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন তারা।
সবজি বিক্রেতা জুনায়েদ বলেন, কিছু সবজি কম দামে বিক্রি হচ্ছে, আবার কাঁচামরিচসহ কয়েকটি সবজির দাম বেশি। পাইকারি বাজারের দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা দাম নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী জাবের নোমান বলেন, ডিমের দাম কিছুটা কমেছে, এটা স্বস্তির বিষয়। কারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে ডিম সবচেয় বেশি দরকার হয়৷ কিন্তু সবজি কিনতে গেলে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচসহ অন্যান্য সবজি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকলে ভালো হতো।

দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?





