জব্দ করা ইলিশ মাদ্রাসার কথা বলে বাসায় নিয়ে গেলেন শিক্ষক

জব্দ করা ইলিশ মাদ্রাসার কথা বলে বাসায় নিয়ে গেলেন শিক্ষক
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

অধৈধভাবে ধরা ইলিশ জব্দ করার পর একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ করেছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু ইলিশগুলো ছাত্রদের না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই ঘটনায় সেই মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দুজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা বন্যাতলী এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এই ঘটনা ঘটে। ইলিশ আত্মসাতের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আবুজর মোহাম্মদ ইজাজুল হক ওই দু্ইজনকে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে মাছ আহরণে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এ সময় অবৈধভাবে আহরণ করা ২৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।
পরে তেঁতুলিয়া নদীসংলগ্ন বন্যাতলী খেয়াঘাটে স্থানীয় তিনটি মাদ্রাসা ও একটি এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মধ্যে জব্দ করা ইলিশ বিতরণ করা হয়।
এ সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তার মাদ্রাসার পক্ষে কিছু ইলিশ নিয়ে যান। পরে তিনি সেই ইলিশ মাদ্রাসায় না নিয়ে তার বাসার ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, জব্দ হওয়া ইলিশ বিতরণের সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ একটি আবাসিক মাদ্রাসার শিক্ষক পরিচয় দিয়ে ছাত্রদের জন্য কিছু ইলিশ নিয়ে যান। পরে জানা যায়, মোহাম্মদ আবদুল্লাহর মাদ্রাসাটি আবাসিক নয়। তিনি ইলিশ বাসায় নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন। আর ইলিশ গ্রহণের সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহর পক্ষে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন।
ইউএনও আবুজর মোহাম্মদ ইজাজুল হক বলেন, গতকাল মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে কিছু ইলিশ জব্দ করে পরে তা স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। তবে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও আবুল হোসেন নামের দুই ব্যক্তি আবাসিক মাদ্রাসার নামে ইলিশ নিয়ে তা বাসায় সংরক্ষণ করেন। এ কারণে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

অধৈধভাবে ধরা ইলিশ জব্দ করার পর একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ করেছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু ইলিশগুলো ছাত্রদের না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই ঘটনায় সেই মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দুজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা বন্যাতলী এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এই ঘটনা ঘটে। ইলিশ আত্মসাতের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আবুজর মোহাম্মদ ইজাজুল হক ওই দু্ইজনকে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে মাছ আহরণে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এ সময় অবৈধভাবে আহরণ করা ২৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।
পরে তেঁতুলিয়া নদীসংলগ্ন বন্যাতলী খেয়াঘাটে স্থানীয় তিনটি মাদ্রাসা ও একটি এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মধ্যে জব্দ করা ইলিশ বিতরণ করা হয়।
এ সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তার মাদ্রাসার পক্ষে কিছু ইলিশ নিয়ে যান। পরে তিনি সেই ইলিশ মাদ্রাসায় না নিয়ে তার বাসার ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, জব্দ হওয়া ইলিশ বিতরণের সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ একটি আবাসিক মাদ্রাসার শিক্ষক পরিচয় দিয়ে ছাত্রদের জন্য কিছু ইলিশ নিয়ে যান। পরে জানা যায়, মোহাম্মদ আবদুল্লাহর মাদ্রাসাটি আবাসিক নয়। তিনি ইলিশ বাসায় নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন। আর ইলিশ গ্রহণের সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহর পক্ষে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন।
ইউএনও আবুজর মোহাম্মদ ইজাজুল হক বলেন, গতকাল মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে কিছু ইলিশ জব্দ করে পরে তা স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। তবে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও আবুল হোসেন নামের দুই ব্যক্তি আবাসিক মাদ্রাসার নামে ইলিশ নিয়ে তা বাসায় সংরক্ষণ করেন। এ কারণে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

জব্দ করা ইলিশ মাদ্রাসার কথা বলে বাসায় নিয়ে গেলেন শিক্ষক
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

অধৈধভাবে ধরা ইলিশ জব্দ করার পর একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ করেছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু ইলিশগুলো ছাত্রদের না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই ঘটনায় সেই মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দুজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা বন্যাতলী এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এই ঘটনা ঘটে। ইলিশ আত্মসাতের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আবুজর মোহাম্মদ ইজাজুল হক ওই দু্ইজনকে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে মাছ আহরণে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এ সময় অবৈধভাবে আহরণ করা ২৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।
পরে তেঁতুলিয়া নদীসংলগ্ন বন্যাতলী খেয়াঘাটে স্থানীয় তিনটি মাদ্রাসা ও একটি এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মধ্যে জব্দ করা ইলিশ বিতরণ করা হয়।
এ সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তার মাদ্রাসার পক্ষে কিছু ইলিশ নিয়ে যান। পরে তিনি সেই ইলিশ মাদ্রাসায় না নিয়ে তার বাসার ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, জব্দ হওয়া ইলিশ বিতরণের সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ একটি আবাসিক মাদ্রাসার শিক্ষক পরিচয় দিয়ে ছাত্রদের জন্য কিছু ইলিশ নিয়ে যান। পরে জানা যায়, মোহাম্মদ আবদুল্লাহর মাদ্রাসাটি আবাসিক নয়। তিনি ইলিশ বাসায় নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিয়েছেন। আর ইলিশ গ্রহণের সময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহর পক্ষে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন।
ইউএনও আবুজর মোহাম্মদ ইজাজুল হক বলেন, গতকাল মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে কিছু ইলিশ জব্দ করে পরে তা স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। তবে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও আবুল হোসেন নামের দুই ব্যক্তি আবাসিক মাদ্রাসার নামে ইলিশ নিয়ে তা বাসায় সংরক্ষণ করেন। এ কারণে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।









