কর্মচারীকে ব্যবসায়ী সাজিয়ে ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ, জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কর্মচারীকে ব্যবসায়ী সাজিয়ে ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ, জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আরামিট গ্রুপের এক কর্মচারীকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী সাজিয়ে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে বাই-মুরাবাহা বিনিয়োগ চুক্তির বিপরীতে এই অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর করা হয় বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাইফুজ্জামান চৌধুরীর স্ত্রী বুকমীলা জামান, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মোহাম্মদ শাহ আলম, এজিএম একেএম মারুফ, ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের মালিক ও আরামিট সিমেন্টের এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মহিউদ্দীন, প্রিন্সিপাল অফিসার (বিনিয়োগ) মোহাম্মদ আখতার হোসেন, প্রিন্সিপাল অফিসার ও জেনারেল ব্যাংকিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল হক, ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আবদুল কাদের রয়েছেন। এছাড়া শাখাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আবদুল করিম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ মো. শহিদুল্লাহ, এফএভিপি ও ম্যানেজার অপারেশন মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, এসডিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ এবং এসপিও রিদওয়ানুল হককে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী ও মামলার আসামি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। এছাড়া নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান ক্লাসিক ট্রেডিংকে পণ্য সরবরাহকারী এবং আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডকে পণ্য গ্রহণকারী হিসেবে দেখানো হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংকের বহদ্দারহাট শাখায় আরামিট সিমেন্টের নামে একটি চলতি হিসাব খোলা হয়। ২০১৭ সালের ১৫ মে হিসাবটি জুবিলি রোড শাখায় স্থানান্তর করা হয়। এরপর ওই বছরের ১৫ অক্টোবর আরামিট সিমেন্টের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান ওই শাখায় ৫০০ কোটি টাকা কার্যকরী মূলধন ঋণের আবেদন করেন। একই বছরের ৮ নভেম্বর ব্যাংকের ক্রেডিট কমিটির ৫১তম সভায় ৩৫০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পরে ব্যাংকটির নির্বাহী কমিটি তা অনুমোদন করে।
দুদকের অভিযোগ, ঋণের অর্থ বিতরণের জন্য ভুয়া বাই-মুরাবাহা ডিল তৈরি করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। তার নামে ‘ক্লাসিক ট্রেডিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটির নামে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ, ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে পণ্য সরবরাহ না করেই সরবরাহের ভুয়া তথ্য ব্যাংকে দাখিল করা হয়। এসব নথির ভিত্তিতে বাই-মুরাবাহা ডিল অনুমোদন ও ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, আরামিট সিমেন্টের নামে মোট ৫৪টি বাই-মুরাবাহা ডিলের মাধ্যমে ২০৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ২৭টি ডিলের মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তর করা হয়। পরে ওই অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আরামিট গ্রুপের এক কর্মচারীকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী সাজিয়ে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে বাই-মুরাবাহা বিনিয়োগ চুক্তির বিপরীতে এই অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর করা হয় বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাইফুজ্জামান চৌধুরীর স্ত্রী বুকমীলা জামান, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মোহাম্মদ শাহ আলম, এজিএম একেএম মারুফ, ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের মালিক ও আরামিট সিমেন্টের এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মহিউদ্দীন, প্রিন্সিপাল অফিসার (বিনিয়োগ) মোহাম্মদ আখতার হোসেন, প্রিন্সিপাল অফিসার ও জেনারেল ব্যাংকিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল হক, ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আবদুল কাদের রয়েছেন। এছাড়া শাখাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আবদুল করিম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ মো. শহিদুল্লাহ, এফএভিপি ও ম্যানেজার অপারেশন মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, এসডিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ এবং এসপিও রিদওয়ানুল হককে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী ও মামলার আসামি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। এছাড়া নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান ক্লাসিক ট্রেডিংকে পণ্য সরবরাহকারী এবং আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডকে পণ্য গ্রহণকারী হিসেবে দেখানো হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংকের বহদ্দারহাট শাখায় আরামিট সিমেন্টের নামে একটি চলতি হিসাব খোলা হয়। ২০১৭ সালের ১৫ মে হিসাবটি জুবিলি রোড শাখায় স্থানান্তর করা হয়। এরপর ওই বছরের ১৫ অক্টোবর আরামিট সিমেন্টের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান ওই শাখায় ৫০০ কোটি টাকা কার্যকরী মূলধন ঋণের আবেদন করেন। একই বছরের ৮ নভেম্বর ব্যাংকের ক্রেডিট কমিটির ৫১তম সভায় ৩৫০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পরে ব্যাংকটির নির্বাহী কমিটি তা অনুমোদন করে।
দুদকের অভিযোগ, ঋণের অর্থ বিতরণের জন্য ভুয়া বাই-মুরাবাহা ডিল তৈরি করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। তার নামে ‘ক্লাসিক ট্রেডিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটির নামে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ, ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে পণ্য সরবরাহ না করেই সরবরাহের ভুয়া তথ্য ব্যাংকে দাখিল করা হয়। এসব নথির ভিত্তিতে বাই-মুরাবাহা ডিল অনুমোদন ও ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, আরামিট সিমেন্টের নামে মোট ৫৪টি বাই-মুরাবাহা ডিলের মাধ্যমে ২০৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ২৭টি ডিলের মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তর করা হয়। পরে ওই অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

কর্মচারীকে ব্যবসায়ী সাজিয়ে ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ, জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আরামিট গ্রুপের এক কর্মচারীকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী সাজিয়ে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে বাই-মুরাবাহা বিনিয়োগ চুক্তির বিপরীতে এই অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর করা হয় বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাইফুজ্জামান চৌধুরীর স্ত্রী বুকমীলা জামান, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মোহাম্মদ শাহ আলম, এজিএম একেএম মারুফ, ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের মালিক ও আরামিট সিমেন্টের এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মহিউদ্দীন, প্রিন্সিপাল অফিসার (বিনিয়োগ) মোহাম্মদ আখতার হোসেন, প্রিন্সিপাল অফিসার ও জেনারেল ব্যাংকিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল হক, ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আবদুল কাদের রয়েছেন। এছাড়া শাখাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আবদুল করিম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ মো. শহিদুল্লাহ, এফএভিপি ও ম্যানেজার অপারেশন মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, এসডিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ এবং এসপিও রিদওয়ানুল হককে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী ও মামলার আসামি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। এছাড়া নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান ক্লাসিক ট্রেডিংকে পণ্য সরবরাহকারী এবং আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডকে পণ্য গ্রহণকারী হিসেবে দেখানো হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংকের বহদ্দারহাট শাখায় আরামিট সিমেন্টের নামে একটি চলতি হিসাব খোলা হয়। ২০১৭ সালের ১৫ মে হিসাবটি জুবিলি রোড শাখায় স্থানান্তর করা হয়। এরপর ওই বছরের ১৫ অক্টোবর আরামিট সিমেন্টের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান ওই শাখায় ৫০০ কোটি টাকা কার্যকরী মূলধন ঋণের আবেদন করেন। একই বছরের ৮ নভেম্বর ব্যাংকের ক্রেডিট কমিটির ৫১তম সভায় ৩৫০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পরে ব্যাংকটির নির্বাহী কমিটি তা অনুমোদন করে।
দুদকের অভিযোগ, ঋণের অর্থ বিতরণের জন্য ভুয়া বাই-মুরাবাহা ডিল তৈরি করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যবসায়ী ও পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। তার নামে ‘ক্লাসিক ট্রেডিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটির নামে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ, ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে পণ্য সরবরাহ না করেই সরবরাহের ভুয়া তথ্য ব্যাংকে দাখিল করা হয়। এসব নথির ভিত্তিতে বাই-মুরাবাহা ডিল অনুমোদন ও ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, আরামিট সিমেন্টের নামে মোট ৫৪টি বাই-মুরাবাহা ডিলের মাধ্যমে ২০৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণের অর্থ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ২৭টি ডিলের মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তর করা হয়। পরে ওই অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিলাসবহুল দুই ফ্ল্যাট ক্রোক
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ফ্ল্যাটে মিললো রোলেক্স ঘড়ি, মুক্তা সেট ও শত শত কোট-টাই







