ন্যায়বিচার নিশ্চিতে রামিসা হত্যাকারীদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ

ন্যায়বিচার নিশ্চিতে রামিসা হত্যাকারীদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ
সিটিজেন ডেস্ক

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২৪ মে) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ রামিসা হত্যার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩১) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের (২৬) পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
এর আগে রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।
এরও আগে, রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ফরেনসিক রিপোর্ট হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২৪ মে) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ রামিসা হত্যার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩১) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের (২৬) পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
এর আগে রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।
এরও আগে, রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ফরেনসিক রিপোর্ট হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।

ন্যায়বিচার নিশ্চিতে রামিসা হত্যাকারীদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ
সিটিজেন ডেস্ক

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২৪ মে) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ রামিসা হত্যার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩১) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের (২৬) পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
এর আগে রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।
এরও আগে, রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ফরেনসিক রিপোর্ট হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর
শিশু রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মিলেছে ধর্ষণের প্রমাণ
