শিশু রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মিলেছে ধর্ষণের প্রমাণ

শিশু রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মিলেছে ধর্ষণের প্রমাণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টে রামিসাকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।
রবিবার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রবিবার আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।
এদিকে, শনিবার (২৩ মে) শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান বলেন, ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। আশা করছি, রবিবার (২৪ মে)আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারব।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠলে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারের পর অপরাধের কথা স্বীকার করে ঘাতক সোহেল রানা জানিয়েছে, সে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গলা কেটে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে সে ইতোমধ্যেই আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।
এদিকে, জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় গণ-মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টে রামিসাকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।
রবিবার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রবিবার আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।
এদিকে, শনিবার (২৩ মে) শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান বলেন, ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। আশা করছি, রবিবার (২৪ মে)আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারব।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠলে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারের পর অপরাধের কথা স্বীকার করে ঘাতক সোহেল রানা জানিয়েছে, সে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গলা কেটে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে সে ইতোমধ্যেই আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।
এদিকে, জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় গণ-মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।

শিশু রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মিলেছে ধর্ষণের প্রমাণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টে রামিসাকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।
রবিবার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রবিবার আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।
এদিকে, শনিবার (২৩ মে) শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান বলেন, ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। আশা করছি, রবিবার (২৪ মে)আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারব।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠলে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারের পর অপরাধের কথা স্বীকার করে ঘাতক সোহেল রানা জানিয়েছে, সে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গলা কেটে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে সে ইতোমধ্যেই আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।
এদিকে, জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় গণ-মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।

রামিসার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর সিআইডির


