বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০

বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

সিরাজগঞ্জে মুঠোফোনে গালিগালাজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক দফা টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের ধানবান্ধি ও ভাঙ্গাবাড়ি মহল্লার এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর এক সমর্থক পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মুঠোফোনে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে দুপুরে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সানুর সমর্থকরা ধানবান্ধি এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
মিছিলটি শহরের ইলিয়ট ব্রিজ পার হয়ে চৌরাস্তা হয়ে মুজিব সড়কে প্রবেশ করলে বাচ্চুর সমর্থকদের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি অবস্থান হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আসন্ন সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সাইদুর রহমান বাচ্চু ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস সাত্তারের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। শুক্রবারের সংঘর্ষের সূত্রপাতও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাজি আবদুর সাত্তার বলেন, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিরোধ। তার বালুর ব্যবসা কিংবা মেয়র প্রার্থী হওয়ার বিষয়টির সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। প্রতিপক্ষ বিষয়টিকে অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সানুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন। অন্যদিকে, একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সিরাজগঞ্জে মুঠোফোনে গালিগালাজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক দফা টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের ধানবান্ধি ও ভাঙ্গাবাড়ি মহল্লার এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর এক সমর্থক পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মুঠোফোনে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে দুপুরে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সানুর সমর্থকরা ধানবান্ধি এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
মিছিলটি শহরের ইলিয়ট ব্রিজ পার হয়ে চৌরাস্তা হয়ে মুজিব সড়কে প্রবেশ করলে বাচ্চুর সমর্থকদের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি অবস্থান হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আসন্ন সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সাইদুর রহমান বাচ্চু ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস সাত্তারের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। শুক্রবারের সংঘর্ষের সূত্রপাতও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাজি আবদুর সাত্তার বলেন, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিরোধ। তার বালুর ব্যবসা কিংবা মেয়র প্রার্থী হওয়ার বিষয়টির সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। প্রতিপক্ষ বিষয়টিকে অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সানুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন। অন্যদিকে, একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

সিরাজগঞ্জে মুঠোফোনে গালিগালাজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক দফা টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের ধানবান্ধি ও ভাঙ্গাবাড়ি মহল্লার এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর এক সমর্থক পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মুঠোফোনে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে দুপুরে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সানুর সমর্থকরা ধানবান্ধি এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
মিছিলটি শহরের ইলিয়ট ব্রিজ পার হয়ে চৌরাস্তা হয়ে মুজিব সড়কে প্রবেশ করলে বাচ্চুর সমর্থকদের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি অবস্থান হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আসন্ন সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সাইদুর রহমান বাচ্চু ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস সাত্তারের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। শুক্রবারের সংঘর্ষের সূত্রপাতও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাজি আবদুর সাত্তার বলেন, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিরোধ। তার বালুর ব্যবসা কিংবা মেয়র প্রার্থী হওয়ার বিষয়টির সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। প্রতিপক্ষ বিষয়টিকে অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সানুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন। অন্যদিকে, একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

‘শখ জাগছে আপনারে জ্যাতা পুড়মু’, ব্যবসায়ীকে বিএনপি নেতার হুমকি







