ইরানের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন ট্রাম্প

ইরানের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় পরিসরে সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি কি ভেতরে গিয়ে তাদের (ইরানি শাসনব্যবস্থাকে) নিশ্চিহ্ন করে দেব, নাকি দেব না? এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত। আমার সঙ্গে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।’
আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসছে। এর ফাঁকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের এ দেশগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি ও তাদের অবস্থান ঠিক কোথায়, সেটি তিনি জানতে চান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের প্রতি খুবই সুরক্ষামূলক ছিলাম।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর মনোভাব কেমন, তা বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন ট্রাম্প। তবে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন, নাকি নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন- সেটি এখনো পরিষ্কার নয়। এদিকে মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা সতর্কতা প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমান সামরিক অবস্থান অনির্দিষ্টকাল ধরে ধরে রাখা কঠিন। তার ভাষায়, ‘একপর্যায়ে আপনাকে ঠিক করতে হবে যুদ্ধের শেষ লক্ষ্য কী।’
অন্যদিকে এ উত্তেজনার আঁচ সরাসরি গিয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারেও। মার্কিন অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দেশটিতে গ্যাসোলিনের গড় দাম ৪ দশমিক ৩১ ডলার থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৪৩ ডলারে ঠেকেছে।
একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে ডিজেলের দামও। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নর্থ ক্যারোলাইনার গ্যাস্টোনিয়ায় রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলির পক্ষে এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প স্বীকার করেন যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়ছে। তবে একে ‘খুবই কম খরচ’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেছেন এই দাম আবার কমে আসবে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় পরিসরে সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি কি ভেতরে গিয়ে তাদের (ইরানি শাসনব্যবস্থাকে) নিশ্চিহ্ন করে দেব, নাকি দেব না? এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত। আমার সঙ্গে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।’
আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসছে। এর ফাঁকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের এ দেশগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি ও তাদের অবস্থান ঠিক কোথায়, সেটি তিনি জানতে চান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের প্রতি খুবই সুরক্ষামূলক ছিলাম।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর মনোভাব কেমন, তা বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন ট্রাম্প। তবে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন, নাকি নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন- সেটি এখনো পরিষ্কার নয়। এদিকে মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা সতর্কতা প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমান সামরিক অবস্থান অনির্দিষ্টকাল ধরে ধরে রাখা কঠিন। তার ভাষায়, ‘একপর্যায়ে আপনাকে ঠিক করতে হবে যুদ্ধের শেষ লক্ষ্য কী।’
অন্যদিকে এ উত্তেজনার আঁচ সরাসরি গিয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারেও। মার্কিন অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দেশটিতে গ্যাসোলিনের গড় দাম ৪ দশমিক ৩১ ডলার থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৪৩ ডলারে ঠেকেছে।
একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে ডিজেলের দামও। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নর্থ ক্যারোলাইনার গ্যাস্টোনিয়ায় রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলির পক্ষে এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প স্বীকার করেন যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়ছে। তবে একে ‘খুবই কম খরচ’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেছেন এই দাম আবার কমে আসবে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

ইরানের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় পরিসরে সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি কি ভেতরে গিয়ে তাদের (ইরানি শাসনব্যবস্থাকে) নিশ্চিহ্ন করে দেব, নাকি দেব না? এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত। আমার সঙ্গে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।’
আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসছে। এর ফাঁকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের এ দেশগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি ও তাদের অবস্থান ঠিক কোথায়, সেটি তিনি জানতে চান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের প্রতি খুবই সুরক্ষামূলক ছিলাম।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর মনোভাব কেমন, তা বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন ট্রাম্প। তবে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন, নাকি নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন- সেটি এখনো পরিষ্কার নয়। এদিকে মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা সতর্কতা প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমান সামরিক অবস্থান অনির্দিষ্টকাল ধরে ধরে রাখা কঠিন। তার ভাষায়, ‘একপর্যায়ে আপনাকে ঠিক করতে হবে যুদ্ধের শেষ লক্ষ্য কী।’
অন্যদিকে এ উত্তেজনার আঁচ সরাসরি গিয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারেও। মার্কিন অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দেশটিতে গ্যাসোলিনের গড় দাম ৪ দশমিক ৩১ ডলার থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৪৩ ডলারে ঠেকেছে।
একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে ডিজেলের দামও। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নর্থ ক্যারোলাইনার গ্যাস্টোনিয়ায় রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলির পক্ষে এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প স্বীকার করেন যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়ছে। তবে একে ‘খুবই কম খরচ’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেছেন এই দাম আবার কমে আসবে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

পেজেশকিয়ানসহ জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাদের ভিসা দিলো যুক্তরাষ্ট্র 







