পদ্মা ব্যারেজ একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প: পানিসম্পদমন্ত্রী

পদ্মা ব্যারেজ একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প: পানিসম্পদমন্ত্রী
রাজবাড়ী সংবাদদাতা

পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজের স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মানুষ অর্থাৎ বাংলাদেশের ২৪টি জেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্যই আমরা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছি।
তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের চিত্র পাল্টে যাবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। একই সঙ্গে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন, মাছ চাষ ও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বলেন, সম্ভবত আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাসের যেকোনো একসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাংশার হাবাসপুরে এসে পদ্মা ব্যারেজের শুভ উদ্বোধন করবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী দিনে দেশে ব্যাপকভাবে খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের মুখে নতুন করে হাসি ফোটানো এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারেজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির নের্তবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজের স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মানুষ অর্থাৎ বাংলাদেশের ২৪টি জেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্যই আমরা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছি।
তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের চিত্র পাল্টে যাবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। একই সঙ্গে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন, মাছ চাষ ও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বলেন, সম্ভবত আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাসের যেকোনো একসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাংশার হাবাসপুরে এসে পদ্মা ব্যারেজের শুভ উদ্বোধন করবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী দিনে দেশে ব্যাপকভাবে খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের মুখে নতুন করে হাসি ফোটানো এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারেজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির নের্তবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা ব্যারেজ একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প: পানিসম্পদমন্ত্রী
রাজবাড়ী সংবাদদাতা

পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজের স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মানুষ অর্থাৎ বাংলাদেশের ২৪টি জেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্যই আমরা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছি।
তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের চিত্র পাল্টে যাবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। একই সঙ্গে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন, মাছ চাষ ও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বলেন, সম্ভবত আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাসের যেকোনো একসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাংশার হাবাসপুরে এসে পদ্মা ব্যারেজের শুভ উদ্বোধন করবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী দিনে দেশে ব্যাপকভাবে খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের মুখে নতুন করে হাসি ফোটানো এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারেজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির নের্তবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফোন হ্যাকিং নিয়ে এমপিদের সতর্ক করলেন চিফ হুইপ







