খামেনির দাফন ঘিরে জনসমুদ্র, প্রতিশোধের ঘোষণা ইরানের

খামেনির দাফন ঘিরে জনসমুদ্র, প্রতিশোধের ঘোষণা ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি রবিবারও (৫ জুলাই) সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন কার্যক্রম উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হলেও দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে তা পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক ও আদর্শিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে।
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পুরো আয়োজনজুড়ে ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’ স্লোগান উচ্চারিত হয়। একই সঙ্গে তেহরানে খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের বিশাল প্রতিকৃতিও প্রদর্শন করা হয়েছে। যা সমর্থকদের মধ্যে প্রতিরোধ ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই গ্র্যান্ড মোসাল্লায় মানুষের সমাগম শুরু হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার পথে ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘ইসরায়েলের ধ্বংস হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন দেশটির নাগরিকরা। এ দৃশ্য ইরানের রাজনৈতিক আবহ এবং জনমতের একটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভিডিওতে আরোও দেখা গেছে, দাফন অনুষ্ঠান ও সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিকে ঘিরে তেহরানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাঁজোয়া যান, ভারী মেশিনগান এবং স্নাইপার মোতায়েন করা হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রবেশের আগে প্রত্যেক পুরুষ দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে পাওয়ার ব্যাংক, হেয়ারিং ডিভাইস এবং আগুন জ্বালানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ড ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সমর্থকদের আরও ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ় করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে শেষ শাহ মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, তার প্রতি জনগণের সমর্থন আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি রবিবারও (৫ জুলাই) সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন কার্যক্রম উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হলেও দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে তা পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক ও আদর্শিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে।
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পুরো আয়োজনজুড়ে ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’ স্লোগান উচ্চারিত হয়। একই সঙ্গে তেহরানে খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের বিশাল প্রতিকৃতিও প্রদর্শন করা হয়েছে। যা সমর্থকদের মধ্যে প্রতিরোধ ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই গ্র্যান্ড মোসাল্লায় মানুষের সমাগম শুরু হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার পথে ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘ইসরায়েলের ধ্বংস হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন দেশটির নাগরিকরা। এ দৃশ্য ইরানের রাজনৈতিক আবহ এবং জনমতের একটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভিডিওতে আরোও দেখা গেছে, দাফন অনুষ্ঠান ও সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিকে ঘিরে তেহরানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাঁজোয়া যান, ভারী মেশিনগান এবং স্নাইপার মোতায়েন করা হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রবেশের আগে প্রত্যেক পুরুষ দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে পাওয়ার ব্যাংক, হেয়ারিং ডিভাইস এবং আগুন জ্বালানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ড ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সমর্থকদের আরও ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ় করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে শেষ শাহ মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, তার প্রতি জনগণের সমর্থন আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।

খামেনির দাফন ঘিরে জনসমুদ্র, প্রতিশোধের ঘোষণা ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি রবিবারও (৫ জুলাই) সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন কার্যক্রম উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হলেও দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে তা পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক ও আদর্শিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে।
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পুরো আয়োজনজুড়ে ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’ স্লোগান উচ্চারিত হয়। একই সঙ্গে তেহরানে খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের বিশাল প্রতিকৃতিও প্রদর্শন করা হয়েছে। যা সমর্থকদের মধ্যে প্রতিরোধ ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই গ্র্যান্ড মোসাল্লায় মানুষের সমাগম শুরু হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার পথে ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘ইসরায়েলের ধ্বংস হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন দেশটির নাগরিকরা। এ দৃশ্য ইরানের রাজনৈতিক আবহ এবং জনমতের একটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভিডিওতে আরোও দেখা গেছে, দাফন অনুষ্ঠান ও সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিকে ঘিরে তেহরানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাঁজোয়া যান, ভারী মেশিনগান এবং স্নাইপার মোতায়েন করা হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রবেশের আগে প্রত্যেক পুরুষ দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার স্বার্থে পাওয়ার ব্যাংক, হেয়ারিং ডিভাইস এবং আগুন জ্বালানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ড ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সমর্থকদের আরও ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ় করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে শেষ শাহ মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, তার প্রতি জনগণের সমর্থন আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।

ছোট্ট জাহরার কফিন যেন খামেনির চেয়েও ভারী

