শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে স্ত্রীসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে স্ত্রীসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরে ৮ বছরের শিশু বায়েজিদ বিন মাহমুদের ডান হাতের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে এক কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শাকিল, নাটোর পুলিশ সুপার কার্যালয় হিসাব শাখায় কর্মরত এবং তিনি নাটোর শহরের বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যান এলাকায় ওই শিশুর বাড়িতে দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। তিনি জয়পুরহাট জেলার নিজামপুর চকবরকত এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নাটোর শহরের বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যানপাড় এলাকায় বাসা মালিক ও ভাড়াটেদের পিকনিকের আয়োজনে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বায়েজিদ বিন মাহমুদ নামে ৭ বছরের শিশুর আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার অভিযোগ উঠে। এদিন রাতেই শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, পিকনিকে খেলাধুলার একপর্যায়ে দুই শিশু হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি উভয় শিশুর মা তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেন। এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল ১০দিকে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল বাড়ির মালিক মাহমুদুল হাসানের দরজায় নক করে। এসময় দরজায় খোলা মাত্র শিশু বায়েজিদ বিন মাহমুদকে জোর করে নিজের রুমে নিয়ে যান। সেখানে খাটের উপর শিশুটির হাত রেখে বঁটি দিয়ে কোপ দিলে ডান হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় শিশুটির কান্নার শব্দ পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত শিশুর বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বলেন, আমার ছেলেকে জোর করে তাদের রুম থেকে নিয়ে যায় শাকিল। তখন আমার স্ত্রী ও বড় ছেলে হুজাইফা বিন মাহমুদ বাধা দিলে তাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

নাটোরে ৮ বছরের শিশু বায়েজিদ বিন মাহমুদের ডান হাতের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে এক কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শাকিল, নাটোর পুলিশ সুপার কার্যালয় হিসাব শাখায় কর্মরত এবং তিনি নাটোর শহরের বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যান এলাকায় ওই শিশুর বাড়িতে দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। তিনি জয়পুরহাট জেলার নিজামপুর চকবরকত এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নাটোর শহরের বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যানপাড় এলাকায় বাসা মালিক ও ভাড়াটেদের পিকনিকের আয়োজনে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বায়েজিদ বিন মাহমুদ নামে ৭ বছরের শিশুর আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার অভিযোগ উঠে। এদিন রাতেই শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, পিকনিকে খেলাধুলার একপর্যায়ে দুই শিশু হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি উভয় শিশুর মা তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেন। এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল ১০দিকে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল বাড়ির মালিক মাহমুদুল হাসানের দরজায় নক করে। এসময় দরজায় খোলা মাত্র শিশু বায়েজিদ বিন মাহমুদকে জোর করে নিজের রুমে নিয়ে যান। সেখানে খাটের উপর শিশুটির হাত রেখে বঁটি দিয়ে কোপ দিলে ডান হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় শিশুটির কান্নার শব্দ পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত শিশুর বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বলেন, আমার ছেলেকে জোর করে তাদের রুম থেকে নিয়ে যায় শাকিল। তখন আমার স্ত্রী ও বড় ছেলে হুজাইফা বিন মাহমুদ বাধা দিলে তাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে স্ত্রীসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরে ৮ বছরের শিশু বায়েজিদ বিন মাহমুদের ডান হাতের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে এক কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শাকিল, নাটোর পুলিশ সুপার কার্যালয় হিসাব শাখায় কর্মরত এবং তিনি নাটোর শহরের বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যান এলাকায় ওই শিশুর বাড়িতে দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। তিনি জয়পুরহাট জেলার নিজামপুর চকবরকত এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নাটোর শহরের বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যানপাড় এলাকায় বাসা মালিক ও ভাড়াটেদের পিকনিকের আয়োজনে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বায়েজিদ বিন মাহমুদ নামে ৭ বছরের শিশুর আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার অভিযোগ উঠে। এদিন রাতেই শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, পিকনিকে খেলাধুলার একপর্যায়ে দুই শিশু হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি উভয় শিশুর মা তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেন। এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল ১০দিকে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল বাড়ির মালিক মাহমুদুল হাসানের দরজায় নক করে। এসময় দরজায় খোলা মাত্র শিশু বায়েজিদ বিন মাহমুদকে জোর করে নিজের রুমে নিয়ে যান। সেখানে খাটের উপর শিশুটির হাত রেখে বঁটি দিয়ে কোপ দিলে ডান হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় শিশুটির কান্নার শব্দ পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত শিশুর বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বলেন, আমার ছেলেকে জোর করে তাদের রুম থেকে নিয়ে যায় শাকিল। তখন আমার স্ত্রী ও বড় ছেলে হুজাইফা বিন মাহমুদ বাধা দিলে তাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

থানার দরজা ভেঙে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানে বেরিয়ে গেল ২২ কিশোর







