মনোহরদীতে গাছ কাটা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাকে হত্যা

মনোহরদীতে গাছ কাটা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাকে হত্যা
নরসিংদী সংবাদদাতা

নরসিংদীর মনোহরদীতে নারিকেল গাছ কাটা কেন্দ্র করে চাচাত ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে, অভিযুক্তরা হলেন-একই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ (৬৫) এবং তার ছেলে জীবন মিয়া।
নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত মিজান ও চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। এই নিয়ে একাধিকবার দরবার হলেও শহীদুল্লাহ তা মেনে নেয় নি। শনিবার (১ জুলাই) দুপুরে রাস্তায় থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শহীদুল্লাহ ও তার ছেলে জীবন লাঠি দিয়ে মিজান মিয়ার মাথায় আঘাত করেন। এতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, দুপুরে মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর বলা যাবে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা ভাতিজার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ সুরতাল করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নরসিংদীর মনোহরদীতে নারিকেল গাছ কাটা কেন্দ্র করে চাচাত ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে, অভিযুক্তরা হলেন-একই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ (৬৫) এবং তার ছেলে জীবন মিয়া।
নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত মিজান ও চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। এই নিয়ে একাধিকবার দরবার হলেও শহীদুল্লাহ তা মেনে নেয় নি। শনিবার (১ জুলাই) দুপুরে রাস্তায় থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শহীদুল্লাহ ও তার ছেলে জীবন লাঠি দিয়ে মিজান মিয়ার মাথায় আঘাত করেন। এতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, দুপুরে মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর বলা যাবে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা ভাতিজার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ সুরতাল করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মনোহরদীতে গাছ কাটা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাকে হত্যা
নরসিংদী সংবাদদাতা

নরসিংদীর মনোহরদীতে নারিকেল গাছ কাটা কেন্দ্র করে চাচাত ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে, অভিযুক্তরা হলেন-একই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ (৬৫) এবং তার ছেলে জীবন মিয়া।
নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত মিজান ও চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। এই নিয়ে একাধিকবার দরবার হলেও শহীদুল্লাহ তা মেনে নেয় নি। শনিবার (১ জুলাই) দুপুরে রাস্তায় থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শহীদুল্লাহ ও তার ছেলে জীবন লাঠি দিয়ে মিজান মিয়ার মাথায় আঘাত করেন। এতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, দুপুরে মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর বলা যাবে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা ভাতিজার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ সুরতাল করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ময়লার স্তূপে পড়ে ছিলো ‘পুলিশ সোর্সের’ মরদেহ







