সারের ডিলারশিপ না পেয়ে যুবদলের পদ ছাড়ার ঘোষণা

সারের ডিলারশিপ না পেয়ে যুবদলের পদ ছাড়ার ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

সারের ডিলারশিপ না পেয়ে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। তবে তাঁর পদত্যাগ বা অব্যাহতির বিষয়ে দলীয় কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফেসবুক পোস্টে সাদ্দাম হোসেন লেখেন, ‘আজ থেকে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের সব ধরনের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। গুডবাই।’
সাদ্দাম হোসেনের দাবি, তার বাবা দড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং প্রায় ৪০ বছর ধরে সারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে তারাও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। অতীতে তাদের বিরুদ্ধে নয়টি মামলা ছিল এবং বাবা-ছেলে একসঙ্গে কারাবরণও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
সাদ্দাম বলেন, ২০০৯ সালে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁর বাবা সারের ডিলারশিপ পাননি। এরপর থেকে তারা অন্য ডিলারের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। এবার নতুন করে ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে তারা আবেদন করেন। কিন্তু এবারও ডিলারশিপ পাননি।
গত ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সাত উপজেলায় নতুন সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় সাটুরিয়ার দড়গ্রাম ইউনিয়নের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. রুহুল আমীন।
ডিলারশিপ না পাওয়ার ক্ষোভ জানিয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, দলের দুঃসময়ে তাঁরা জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকার পরও নতুন ডিলার নিয়োগে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। দলের কাছে কখনো অর্থসহায়তা চাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনের সময় কোনো সুযোগ-সুবিধা না পেলে রাজনীতি করে লাভ কী? তাদেরও ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
তবে দলীয় রাজনীতি পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। আপাতত শুধু দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, একটি ইউনিয়ন থেকে একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছেন। উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করে আবেদনগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেই ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সারের ডিলারশিপ না পেয়ে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। তবে তাঁর পদত্যাগ বা অব্যাহতির বিষয়ে দলীয় কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফেসবুক পোস্টে সাদ্দাম হোসেন লেখেন, ‘আজ থেকে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের সব ধরনের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। গুডবাই।’
সাদ্দাম হোসেনের দাবি, তার বাবা দড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং প্রায় ৪০ বছর ধরে সারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে তারাও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। অতীতে তাদের বিরুদ্ধে নয়টি মামলা ছিল এবং বাবা-ছেলে একসঙ্গে কারাবরণও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
সাদ্দাম বলেন, ২০০৯ সালে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁর বাবা সারের ডিলারশিপ পাননি। এরপর থেকে তারা অন্য ডিলারের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। এবার নতুন করে ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে তারা আবেদন করেন। কিন্তু এবারও ডিলারশিপ পাননি।
গত ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সাত উপজেলায় নতুন সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় সাটুরিয়ার দড়গ্রাম ইউনিয়নের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. রুহুল আমীন।
ডিলারশিপ না পাওয়ার ক্ষোভ জানিয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, দলের দুঃসময়ে তাঁরা জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকার পরও নতুন ডিলার নিয়োগে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। দলের কাছে কখনো অর্থসহায়তা চাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনের সময় কোনো সুযোগ-সুবিধা না পেলে রাজনীতি করে লাভ কী? তাদেরও ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
তবে দলীয় রাজনীতি পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। আপাতত শুধু দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, একটি ইউনিয়ন থেকে একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছেন। উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করে আবেদনগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেই ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সারের ডিলারশিপ না পেয়ে যুবদলের পদ ছাড়ার ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

সারের ডিলারশিপ না পেয়ে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। তবে তাঁর পদত্যাগ বা অব্যাহতির বিষয়ে দলীয় কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফেসবুক পোস্টে সাদ্দাম হোসেন লেখেন, ‘আজ থেকে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের সব ধরনের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। গুডবাই।’
সাদ্দাম হোসেনের দাবি, তার বাবা দড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং প্রায় ৪০ বছর ধরে সারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে তারাও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। অতীতে তাদের বিরুদ্ধে নয়টি মামলা ছিল এবং বাবা-ছেলে একসঙ্গে কারাবরণও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
সাদ্দাম বলেন, ২০০৯ সালে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁর বাবা সারের ডিলারশিপ পাননি। এরপর থেকে তারা অন্য ডিলারের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। এবার নতুন করে ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে তারা আবেদন করেন। কিন্তু এবারও ডিলারশিপ পাননি।
গত ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সাত উপজেলায় নতুন সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় সাটুরিয়ার দড়গ্রাম ইউনিয়নের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. রুহুল আমীন।
ডিলারশিপ না পাওয়ার ক্ষোভ জানিয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, দলের দুঃসময়ে তাঁরা জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকার পরও নতুন ডিলার নিয়োগে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। দলের কাছে কখনো অর্থসহায়তা চাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনের সময় কোনো সুযোগ-সুবিধা না পেলে রাজনীতি করে লাভ কী? তাদেরও ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
তবে দলীয় রাজনীতি পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। আপাতত শুধু দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, একটি ইউনিয়ন থেকে একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছেন। উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করে আবেদনগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেই ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।









