বন্ধুকে হত্যা করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় অটোরিকশা

বন্ধুকে হত্যা করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় অটোরিকশা
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় অটোরিকশাচালক রফিক মিয়াকে হত্যার ঘটনায় তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি, দা ও অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পিবিআইয়ের মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
নিহত রফিক মিয়া মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– ঘিওর উপজেলার রাথুরা এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া এবং সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার বান্দু মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া ও আরমান হোসেন। তারা সবাই নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন।
এর আগে গত বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদী থেকে মস্তকবিহীন রফিক মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
এজহারপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মার্চ রাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদীপাড়ে অটোরিকশাচালক রফিক মিয়াসহ ৪ বন্ধু মিলে গাঁজা সেবন করতে যায়। এরপর পেছন থেকে রফিকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে আরমান হোসেন। তারপর সজিব ও আরমানের সহযোগিতায় রিপন মিয়া দা দিয়ে রফিকের মাথা কেটে নদীতে ডুবিয়ে দেয়। এরপর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও অটোরিকশা নিয়ে তারা পালিয়ে যান। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আরিফ মিয়া বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী জানান, হত্যাকাণ্ডের পর রফিকের পেট কেটে নদীর তীরে পুঁতে রেখে আসামিরা চলে যায়। পরদিন মঙ্গলবার বিকালে নদী থেকে মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পেয়ে জরুরি ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেয় স্থানীয়রা। পরে সদর থানা পুলিশ গিয়ে তার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রযুক্তির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার কালামপুর বাজার এলাকা থেকে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের একটি দল। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরমান ও সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের তথ্য অনুযায়ী কালামপুরের একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, নিহত যুবকের মাথা উদ্ধারে ডুবুরি দল দিয়ে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে এখনো মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তার আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় অটোরিকশাচালক রফিক মিয়াকে হত্যার ঘটনায় তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি, দা ও অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পিবিআইয়ের মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
নিহত রফিক মিয়া মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– ঘিওর উপজেলার রাথুরা এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া এবং সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার বান্দু মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া ও আরমান হোসেন। তারা সবাই নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন।
এর আগে গত বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদী থেকে মস্তকবিহীন রফিক মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
এজহারপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মার্চ রাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদীপাড়ে অটোরিকশাচালক রফিক মিয়াসহ ৪ বন্ধু মিলে গাঁজা সেবন করতে যায়। এরপর পেছন থেকে রফিকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে আরমান হোসেন। তারপর সজিব ও আরমানের সহযোগিতায় রিপন মিয়া দা দিয়ে রফিকের মাথা কেটে নদীতে ডুবিয়ে দেয়। এরপর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও অটোরিকশা নিয়ে তারা পালিয়ে যান। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আরিফ মিয়া বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী জানান, হত্যাকাণ্ডের পর রফিকের পেট কেটে নদীর তীরে পুঁতে রেখে আসামিরা চলে যায়। পরদিন মঙ্গলবার বিকালে নদী থেকে মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পেয়ে জরুরি ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেয় স্থানীয়রা। পরে সদর থানা পুলিশ গিয়ে তার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রযুক্তির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার কালামপুর বাজার এলাকা থেকে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের একটি দল। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরমান ও সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের তথ্য অনুযায়ী কালামপুরের একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, নিহত যুবকের মাথা উদ্ধারে ডুবুরি দল দিয়ে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে এখনো মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তার আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

বন্ধুকে হত্যা করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় অটোরিকশা
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় অটোরিকশাচালক রফিক মিয়াকে হত্যার ঘটনায় তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি, দা ও অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পিবিআইয়ের মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
নিহত রফিক মিয়া মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– ঘিওর উপজেলার রাথুরা এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া এবং সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার বান্দু মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া ও আরমান হোসেন। তারা সবাই নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন।
এর আগে গত বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদী থেকে মস্তকবিহীন রফিক মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
এজহারপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মার্চ রাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদীপাড়ে অটোরিকশাচালক রফিক মিয়াসহ ৪ বন্ধু মিলে গাঁজা সেবন করতে যায়। এরপর পেছন থেকে রফিকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে আরমান হোসেন। তারপর সজিব ও আরমানের সহযোগিতায় রিপন মিয়া দা দিয়ে রফিকের মাথা কেটে নদীতে ডুবিয়ে দেয়। এরপর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও অটোরিকশা নিয়ে তারা পালিয়ে যান। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আরিফ মিয়া বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী জানান, হত্যাকাণ্ডের পর রফিকের পেট কেটে নদীর তীরে পুঁতে রেখে আসামিরা চলে যায়। পরদিন মঙ্গলবার বিকালে নদী থেকে মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পেয়ে জরুরি ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেয় স্থানীয়রা। পরে সদর থানা পুলিশ গিয়ে তার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রযুক্তির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার কালামপুর বাজার এলাকা থেকে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের একটি দল। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরমান ও সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের তথ্য অনুযায়ী কালামপুরের একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, নিহত যুবকের মাথা উদ্ধারে ডুবুরি দল দিয়ে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে এখনো মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তার আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।




