মাগুরায় ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

মাগুরায় ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ
মাগুরা সংবাদদাতা

মাগুরায় এক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকার বিল দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মহিতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শোকজপ্রাপ্তরা হলো– জেলার আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম, বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী, বিলিং সহকারী সুমা রানী ঘোষ এবং মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার তোরাব আলী। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসে ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল তৈরি করা হয়। তবে বিলে পরিশোধযোগ্য অর্থের ঘরে লেখা হয় ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকা। অস্বাভাবিক ও আজগুবি এই বিদ্যুৎ বিল দেখে হতবাক গ্রাহক ও তার স্বজনরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে গতকাল মঙ্গলবার বিলটি নিয়ে মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া জোনাল কার্যালয়ে অভিযোগ করেন গ্রাহক আলেয়া খাতুন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা বিলটি যাচাই করে সংশোধন করেন।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় এত বড় ধরনের ভুল কীভাবে হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মহিতুল ইসলাম বলেন, কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলের কারণেই এমনটি হয়েছে। দায়িত্ব পালনে সতর্কতা অবলম্বন না করায় ইতোমধ্যে এ ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মাগুরায় এক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকার বিল দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মহিতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শোকজপ্রাপ্তরা হলো– জেলার আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম, বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী, বিলিং সহকারী সুমা রানী ঘোষ এবং মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার তোরাব আলী। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসে ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল তৈরি করা হয়। তবে বিলে পরিশোধযোগ্য অর্থের ঘরে লেখা হয় ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকা। অস্বাভাবিক ও আজগুবি এই বিদ্যুৎ বিল দেখে হতবাক গ্রাহক ও তার স্বজনরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে গতকাল মঙ্গলবার বিলটি নিয়ে মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া জোনাল কার্যালয়ে অভিযোগ করেন গ্রাহক আলেয়া খাতুন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা বিলটি যাচাই করে সংশোধন করেন।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় এত বড় ধরনের ভুল কীভাবে হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মহিতুল ইসলাম বলেন, কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলের কারণেই এমনটি হয়েছে। দায়িত্ব পালনে সতর্কতা অবলম্বন না করায় ইতোমধ্যে এ ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মাগুরায় ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ
মাগুরা সংবাদদাতা

মাগুরায় এক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকার বিল দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মহিতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শোকজপ্রাপ্তরা হলো– জেলার আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম, বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী, বিলিং সহকারী সুমা রানী ঘোষ এবং মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার তোরাব আলী। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসে ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল তৈরি করা হয়। তবে বিলে পরিশোধযোগ্য অর্থের ঘরে লেখা হয় ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকা। অস্বাভাবিক ও আজগুবি এই বিদ্যুৎ বিল দেখে হতবাক গ্রাহক ও তার স্বজনরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে গতকাল মঙ্গলবার বিলটি নিয়ে মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া জোনাল কার্যালয়ে অভিযোগ করেন গ্রাহক আলেয়া খাতুন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা বিলটি যাচাই করে সংশোধন করেন।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় এত বড় ধরনের ভুল কীভাবে হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মহিতুল ইসলাম বলেন, কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলের কারণেই এমনটি হয়েছে। দায়িত্ব পালনে সতর্কতা অবলম্বন না করায় ইতোমধ্যে এ ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।









