চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: অভিযুক্তের আদালতে দোষ স্বীকার

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: অভিযুক্তের আদালতে দোষ স্বীকার
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত মনির হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) বিকালে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকালে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চাকরিজীবী মা-বাবার কন্যাশিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী মনির হোসেন একটি গুদামে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে পুলিশ অভিযুক্ত মনিরকে আটক করে।
জানা গেছে, অভিযুক্তকে আটকে করে আনার সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় লোকজন। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিতে চান তারা। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে হেফাজতে নেয় পুলিশ
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামি মনিরকে শুক্রবার বিকালে আদালতে হাজির করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
ওসি আরও বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সে আশঙ্কামুক্ত।

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত মনির হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) বিকালে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকালে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চাকরিজীবী মা-বাবার কন্যাশিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী মনির হোসেন একটি গুদামে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে পুলিশ অভিযুক্ত মনিরকে আটক করে।
জানা গেছে, অভিযুক্তকে আটকে করে আনার সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় লোকজন। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিতে চান তারা। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে হেফাজতে নেয় পুলিশ
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামি মনিরকে শুক্রবার বিকালে আদালতে হাজির করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
ওসি আরও বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সে আশঙ্কামুক্ত।

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: অভিযুক্তের আদালতে দোষ স্বীকার
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত মনির হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) বিকালে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকালে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চাকরিজীবী মা-বাবার কন্যাশিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী মনির হোসেন একটি গুদামে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে পুলিশ অভিযুক্ত মনিরকে আটক করে।
জানা গেছে, অভিযুক্তকে আটকে করে আনার সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় লোকজন। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিতে চান তারা। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে হেফাজতে নেয় পুলিশ
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামি মনিরকে শুক্রবার বিকালে আদালতে হাজির করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
ওসি আরও বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সে আশঙ্কামুক্ত।



