মিরপুর ১০ নম্বর ফুটপাতে জমজমাট ঈদের কেনাকাটা

মিরপুর ১০ নম্বর ফুটপাতে জমজমাট ঈদের কেনাকাটা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক ও ফুটপাতগুলো যেনো এক অস্থায়ী বাজারে পরিণত হয়েছে। ঝলমলে কাপড়, জুতা, পাঞ্জাবি আর নানা ধরনের পোশাকে সাজানো ছোট ছোট দোকানে ভিড় করছেন অসংখ্য ক্রেতা।
বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য ফুটপাতের এই দোকানগুলো হয়ে উঠেছে ঈদের কেনাকাটার সহজ ভরসা। তুলনামূলক কম দামে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায় বলেই অনেকেই পরিবারের জন্য নতুন পোশাক কিনতে ছুটে আসছেন এখানে।
ঈদকে ঘিরে তাই রাজধানীর ফুটপাতজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আলাদা এক আমেজ। যেখানে বিক্রেতাদের আশা ভালো বিক্রি, আর ক্রেতাদের আনন্দ সাধ্যমতো প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটানো।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১০ এর গোল চত্বরের আশপাশের ফুটপাতেও এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকান আর ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা। বিকাল গড়াতেই মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে, আর রাত পর্যন্ত চলে কেনাকাটার ব্যস্ততা।

নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণীরাও ফুটপাতের দোকান ঘুরে ঘুরে নিজেদের পছন্দের পোশাক খুঁজে নিচ্ছেন। ঈদের আনন্দকে সাধ্যমতো রাঙাতে অনেকেই ভিড় করছেন এই সাশ্রয়ী বাজারগুলোতে।
ফুটপাতের দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, শিশুদের পোশাক, মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের ড্রেস, সানগ্লাস, ঘড়ি ও নানা ফ্যাশন সামগ্রী।
বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখানে শার্ট বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে, প্যান্ট ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, গেঞ্জি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং মেয়েদের পোশাক ২৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।
কম দামের কারণে অনেক ক্রেতাই স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারছেন। তাই ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাতের এসব অস্থায়ী বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে বাড়তি উৎসাহ ও ব্যস্ততা।
ঈদের বাজার শুরুতে তেমন জমে ওঠেনি। তবে দিন যতো গড়াচ্ছে, ক্রেতাদের উপস্থিতিও ততো বাড়ছে। এখন বিক্রি আগের তুলনায় বেশ ভালো হচ্ছে
সৈকত, ফুটপাতের বিক্রেতা
সৈকত নামের ফুটপাতের এক বিক্রেতা জানান, ঈদের বাজার শুরুতে তেমন জমে ওঠেনি। তবে দিন যতো গড়াচ্ছে, ক্রেতাদের উপস্থিতিও ততো বাড়ছে। এখন বিক্রি আগের তুলনায় বেশ ভালো হচ্ছে।
আরেক বিক্রেতা মো. আনোয়ারের মতে, বছরের অন্য সময়ে ব্যবসা তেমন জমে না। তবে ঈদ ঘনিয়ে এলে চিত্রটা একেবারেই বদলে যায়। ক্রেতার ভিড় বাড়ে, বিক্রিও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। তাই সারা বছরের আয়ের বড় একটি অংশই তারা ঈদের মৌসুমকে ঘিরে আশা করেন এবং ব্যবসার প্রধান সময় হিসেবেই দেখেন।
এদিকে মালিহা আক্তার নামের এক ক্রেতা বলেন, এক ছেলে আর এক মেয়ের জন্য জামা কিনেছি। এছাড়া আমি নিজের জন্যও একটা থ্রি পিস কিনেছি। এসব ফুটপাতে অনেক কম দামে মোটামুটি ভালো জিনিস পাওয়া যায়। তবে, পণ্য ভালোভাবে দেখেশুনে কিনতে হয়।
ফুটপাতজুড়ে অস্থায়ী দোকান বসায় পথচারীদের চলাচলে কিছুটা অসুবিধা তৈরি হলেও ঈদকে ঘিরে রাজধানীর এসব এলাকায় এখন স্পষ্ট উৎসবের আমেজ। চারদিকে ক্রেতাদের ভিড়, বিক্রেতাদের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে সবার মাঝেই ঈদের আনন্দ আর কর্মচাঞ্চল্যের ছাপ ফুটে উঠেছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক ও ফুটপাতগুলো যেনো এক অস্থায়ী বাজারে পরিণত হয়েছে। ঝলমলে কাপড়, জুতা, পাঞ্জাবি আর নানা ধরনের পোশাকে সাজানো ছোট ছোট দোকানে ভিড় করছেন অসংখ্য ক্রেতা।
বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য ফুটপাতের এই দোকানগুলো হয়ে উঠেছে ঈদের কেনাকাটার সহজ ভরসা। তুলনামূলক কম দামে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায় বলেই অনেকেই পরিবারের জন্য নতুন পোশাক কিনতে ছুটে আসছেন এখানে।
ঈদকে ঘিরে তাই রাজধানীর ফুটপাতজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আলাদা এক আমেজ। যেখানে বিক্রেতাদের আশা ভালো বিক্রি, আর ক্রেতাদের আনন্দ সাধ্যমতো প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটানো।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১০ এর গোল চত্বরের আশপাশের ফুটপাতেও এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকান আর ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা। বিকাল গড়াতেই মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে, আর রাত পর্যন্ত চলে কেনাকাটার ব্যস্ততা।

নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণীরাও ফুটপাতের দোকান ঘুরে ঘুরে নিজেদের পছন্দের পোশাক খুঁজে নিচ্ছেন। ঈদের আনন্দকে সাধ্যমতো রাঙাতে অনেকেই ভিড় করছেন এই সাশ্রয়ী বাজারগুলোতে।
ফুটপাতের দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, শিশুদের পোশাক, মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের ড্রেস, সানগ্লাস, ঘড়ি ও নানা ফ্যাশন সামগ্রী।
বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখানে শার্ট বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে, প্যান্ট ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, গেঞ্জি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং মেয়েদের পোশাক ২৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।
কম দামের কারণে অনেক ক্রেতাই স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারছেন। তাই ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাতের এসব অস্থায়ী বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে বাড়তি উৎসাহ ও ব্যস্ততা।
ঈদের বাজার শুরুতে তেমন জমে ওঠেনি। তবে দিন যতো গড়াচ্ছে, ক্রেতাদের উপস্থিতিও ততো বাড়ছে। এখন বিক্রি আগের তুলনায় বেশ ভালো হচ্ছে
সৈকত, ফুটপাতের বিক্রেতা
সৈকত নামের ফুটপাতের এক বিক্রেতা জানান, ঈদের বাজার শুরুতে তেমন জমে ওঠেনি। তবে দিন যতো গড়াচ্ছে, ক্রেতাদের উপস্থিতিও ততো বাড়ছে। এখন বিক্রি আগের তুলনায় বেশ ভালো হচ্ছে।
আরেক বিক্রেতা মো. আনোয়ারের মতে, বছরের অন্য সময়ে ব্যবসা তেমন জমে না। তবে ঈদ ঘনিয়ে এলে চিত্রটা একেবারেই বদলে যায়। ক্রেতার ভিড় বাড়ে, বিক্রিও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। তাই সারা বছরের আয়ের বড় একটি অংশই তারা ঈদের মৌসুমকে ঘিরে আশা করেন এবং ব্যবসার প্রধান সময় হিসেবেই দেখেন।
এদিকে মালিহা আক্তার নামের এক ক্রেতা বলেন, এক ছেলে আর এক মেয়ের জন্য জামা কিনেছি। এছাড়া আমি নিজের জন্যও একটা থ্রি পিস কিনেছি। এসব ফুটপাতে অনেক কম দামে মোটামুটি ভালো জিনিস পাওয়া যায়। তবে, পণ্য ভালোভাবে দেখেশুনে কিনতে হয়।
ফুটপাতজুড়ে অস্থায়ী দোকান বসায় পথচারীদের চলাচলে কিছুটা অসুবিধা তৈরি হলেও ঈদকে ঘিরে রাজধানীর এসব এলাকায় এখন স্পষ্ট উৎসবের আমেজ। চারদিকে ক্রেতাদের ভিড়, বিক্রেতাদের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে সবার মাঝেই ঈদের আনন্দ আর কর্মচাঞ্চল্যের ছাপ ফুটে উঠেছে।

মিরপুর ১০ নম্বর ফুটপাতে জমজমাট ঈদের কেনাকাটা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক ও ফুটপাতগুলো যেনো এক অস্থায়ী বাজারে পরিণত হয়েছে। ঝলমলে কাপড়, জুতা, পাঞ্জাবি আর নানা ধরনের পোশাকে সাজানো ছোট ছোট দোকানে ভিড় করছেন অসংখ্য ক্রেতা।
বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য ফুটপাতের এই দোকানগুলো হয়ে উঠেছে ঈদের কেনাকাটার সহজ ভরসা। তুলনামূলক কম দামে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায় বলেই অনেকেই পরিবারের জন্য নতুন পোশাক কিনতে ছুটে আসছেন এখানে।
ঈদকে ঘিরে তাই রাজধানীর ফুটপাতজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আলাদা এক আমেজ। যেখানে বিক্রেতাদের আশা ভালো বিক্রি, আর ক্রেতাদের আনন্দ সাধ্যমতো প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটানো।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১০ এর গোল চত্বরের আশপাশের ফুটপাতেও এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি অস্থায়ী দোকান আর ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা। বিকাল গড়াতেই মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে, আর রাত পর্যন্ত চলে কেনাকাটার ব্যস্ততা।

নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণীরাও ফুটপাতের দোকান ঘুরে ঘুরে নিজেদের পছন্দের পোশাক খুঁজে নিচ্ছেন। ঈদের আনন্দকে সাধ্যমতো রাঙাতে অনেকেই ভিড় করছেন এই সাশ্রয়ী বাজারগুলোতে।
ফুটপাতের দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, শিশুদের পোশাক, মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের ড্রেস, সানগ্লাস, ঘড়ি ও নানা ফ্যাশন সামগ্রী।
বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখানে শার্ট বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে, প্যান্ট ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, গেঞ্জি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং মেয়েদের পোশাক ২৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে।
কম দামের কারণে অনেক ক্রেতাই স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারছেন। তাই ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাতের এসব অস্থায়ী বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে বাড়তি উৎসাহ ও ব্যস্ততা।
ঈদের বাজার শুরুতে তেমন জমে ওঠেনি। তবে দিন যতো গড়াচ্ছে, ক্রেতাদের উপস্থিতিও ততো বাড়ছে। এখন বিক্রি আগের তুলনায় বেশ ভালো হচ্ছে
সৈকত, ফুটপাতের বিক্রেতা
সৈকত নামের ফুটপাতের এক বিক্রেতা জানান, ঈদের বাজার শুরুতে তেমন জমে ওঠেনি। তবে দিন যতো গড়াচ্ছে, ক্রেতাদের উপস্থিতিও ততো বাড়ছে। এখন বিক্রি আগের তুলনায় বেশ ভালো হচ্ছে।
আরেক বিক্রেতা মো. আনোয়ারের মতে, বছরের অন্য সময়ে ব্যবসা তেমন জমে না। তবে ঈদ ঘনিয়ে এলে চিত্রটা একেবারেই বদলে যায়। ক্রেতার ভিড় বাড়ে, বিক্রিও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। তাই সারা বছরের আয়ের বড় একটি অংশই তারা ঈদের মৌসুমকে ঘিরে আশা করেন এবং ব্যবসার প্রধান সময় হিসেবেই দেখেন।
এদিকে মালিহা আক্তার নামের এক ক্রেতা বলেন, এক ছেলে আর এক মেয়ের জন্য জামা কিনেছি। এছাড়া আমি নিজের জন্যও একটা থ্রি পিস কিনেছি। এসব ফুটপাতে অনেক কম দামে মোটামুটি ভালো জিনিস পাওয়া যায়। তবে, পণ্য ভালোভাবে দেখেশুনে কিনতে হয়।
ফুটপাতজুড়ে অস্থায়ী দোকান বসায় পথচারীদের চলাচলে কিছুটা অসুবিধা তৈরি হলেও ঈদকে ঘিরে রাজধানীর এসব এলাকায় এখন স্পষ্ট উৎসবের আমেজ। চারদিকে ক্রেতাদের ভিড়, বিক্রেতাদের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে সবার মাঝেই ঈদের আনন্দ আর কর্মচাঞ্চল্যের ছাপ ফুটে উঠেছে।




