মিরপুরে হকার উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, আটক ৩০

মিরপুরে হকার উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, আটক ৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরের হোপ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একটি ভেকু (খননযন্ত্র) ও পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে হোপ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতের একটি দোকানে বিদ্যুতের তার থেকে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হকার ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। সেইসঙ্গে একটি ভেকু ও পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় হকার ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে সেখান থেকে ৩০ জনকে আটক করা হয়। মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আবুল বাসার মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের অভিযান শেষ হলে আপনাদের এক্স্যাক্ট ফিগার জানাতে পারব এ পর্যন্ত কতজন অ্যারেস্ট হয়েছে। আমাদের ধারণামতে আনুমানিক ৩০ জনের মতো আটক করা হয়েছে। কম-বেশিও হতে পারে। কোনো সাংবাদিক আহত হয়েছেন কি না এ বিষযে এখনও কেউ আমাদের জানায়নি। তবে আমাদের প্রায় ৮ থেকে ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের ১-২টি গাড়ি এবং পুলিশের একটি গাড়িতে আক্রমণ চালিয়ে উইন্ডশিল্ডের গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, মিরপুরে ফুটপাত এবং রাস্তার অনেকটা অংশ অবৈধভাবে দখল করে হকাররা ব্যবসা করছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছিল। আজ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার সময় হকাররা সিটি কর্পোরেশনের কর্মী ও পুলিশের ওপর হামলা চালায় তারা। পরবর্তীতে পুলিশ পুনরায় অভিযান শুরু করে। আমাদের এই উচ্ছেদ অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ফুটপাতকে পুরোপুরি হকারমুক্ত করতে চাই। পুরো রাস্তা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্থানটি পরিষ্কার রাখা হবে। সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এখানে বসতে পারবে না। পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরের হোপ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একটি ভেকু (খননযন্ত্র) ও পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে হোপ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতের একটি দোকানে বিদ্যুতের তার থেকে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হকার ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। সেইসঙ্গে একটি ভেকু ও পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় হকার ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে সেখান থেকে ৩০ জনকে আটক করা হয়। মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আবুল বাসার মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের অভিযান শেষ হলে আপনাদের এক্স্যাক্ট ফিগার জানাতে পারব এ পর্যন্ত কতজন অ্যারেস্ট হয়েছে। আমাদের ধারণামতে আনুমানিক ৩০ জনের মতো আটক করা হয়েছে। কম-বেশিও হতে পারে। কোনো সাংবাদিক আহত হয়েছেন কি না এ বিষযে এখনও কেউ আমাদের জানায়নি। তবে আমাদের প্রায় ৮ থেকে ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের ১-২টি গাড়ি এবং পুলিশের একটি গাড়িতে আক্রমণ চালিয়ে উইন্ডশিল্ডের গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, মিরপুরে ফুটপাত এবং রাস্তার অনেকটা অংশ অবৈধভাবে দখল করে হকাররা ব্যবসা করছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছিল। আজ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার সময় হকাররা সিটি কর্পোরেশনের কর্মী ও পুলিশের ওপর হামলা চালায় তারা। পরবর্তীতে পুলিশ পুনরায় অভিযান শুরু করে। আমাদের এই উচ্ছেদ অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ফুটপাতকে পুরোপুরি হকারমুক্ত করতে চাই। পুরো রাস্তা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্থানটি পরিষ্কার রাখা হবে। সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এখানে বসতে পারবে না। পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মিরপুরে হকার উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, আটক ৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরের হোপ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একটি ভেকু (খননযন্ত্র) ও পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে হোপ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতের একটি দোকানে বিদ্যুতের তার থেকে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হকার ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। সেইসঙ্গে একটি ভেকু ও পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় হকার ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে সেখান থেকে ৩০ জনকে আটক করা হয়। মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আবুল বাসার মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের অভিযান শেষ হলে আপনাদের এক্স্যাক্ট ফিগার জানাতে পারব এ পর্যন্ত কতজন অ্যারেস্ট হয়েছে। আমাদের ধারণামতে আনুমানিক ৩০ জনের মতো আটক করা হয়েছে। কম-বেশিও হতে পারে। কোনো সাংবাদিক আহত হয়েছেন কি না এ বিষযে এখনও কেউ আমাদের জানায়নি। তবে আমাদের প্রায় ৮ থেকে ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের ১-২টি গাড়ি এবং পুলিশের একটি গাড়িতে আক্রমণ চালিয়ে উইন্ডশিল্ডের গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, মিরপুরে ফুটপাত এবং রাস্তার অনেকটা অংশ অবৈধভাবে দখল করে হকাররা ব্যবসা করছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছিল। আজ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার সময় হকাররা সিটি কর্পোরেশনের কর্মী ও পুলিশের ওপর হামলা চালায় তারা। পরবর্তীতে পুলিশ পুনরায় অভিযান শুরু করে। আমাদের এই উচ্ছেদ অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ফুটপাতকে পুরোপুরি হকারমুক্ত করতে চাই। পুরো রাস্তা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্থানটি পরিষ্কার রাখা হবে। সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এখানে বসতে পারবে না। পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের উপযুক্ত জায়গার ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক: জামায়াত আমীর
মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে যা ঘটলো







