শিরোনাম

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়নের নামে বৃক্ষনিধন, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়নের নামে বৃক্ষনিধন, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ
বৃক্ষনিধনের পরিকল্পনার প্রতিবাদে মানববন্ধনে জাককানইবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) বিকল্প ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ক্যাম্পাসে বৃক্ষনিধনের পরিকল্পনার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় গাছ সংরক্ষণ করে বিকল্প পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উন্নয়নের নামে নির্বিচারে গাছ কাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণ করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বৃক্ষনিধনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা।

শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার বলেন, ‘বৃক্ষের প্রতি ভালোবাসা থেকেই শিক্ষার্থীরা এখানে এসেছেন। আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি গাছ না কেটে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দর পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে। বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থে আমাদের সংগঠন সব সময় সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গাছগুলো সংরক্ষণ করে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে সেটিই হবে সবার জন্য সর্বোত্তম উদ্যোগ। শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য ক্যাম্পাস গড়ে উঠুক।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার জাহান লেলিন বলেন, ‘প্রকৃতি ও উন্নয়নকে মুখোমুখি দাঁড় করানো উচিত নয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রকৃতি সংরক্ষণ করেই উন্নয়ন করা হয়েছে। আমাদের ক্যাম্পাসেও পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। তাই গাছগুলো রেখে রাস্তা সম্প্রসারণ সম্ভব। আমরা চাই আমাদের ক্যাম্পাস সবুজ থাকুক, প্রকৃতি বেঁচে থাকুক।’

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ‘গাছ বাঁচান, পরিবেশ বাঁচান’ এবং ‘প্রকৃতি ও উন্নয়নের টেকসই সমাধান চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করেন তারা।

/এফআর/