রাকসুর জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

রাকসুর জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
রাবি সংবাদদাতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও এজিএস এস এম সালমান সাব্বিরসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিযোগকারীর আইনজীবী হযরত আলী বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে পাঠিয়েছেন।
মামলায় নাম উল্লেখ করা অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে– রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব, তথ্য ও গবেষণা উপ-সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদ ভিপি আহসান উল্লা ফারহান, নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, শাখা ছাত্রশিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব, ক্যাম্পাস মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৭ থেকে ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ছুরি, লোহার রড, বেল্ট ও বাঁশের লাঠিসহ বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত আসামিরা মাহমুদুলকে ধাওয়া করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতরে ও বাইরে তাকে ঘিরে ফেলেন। এসময় আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহমুদুলের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এ ছাড়া সালমান সাব্বিরও তাঁর মাথায় আঘাত করেন, এতে মাহমুদুলের বাম চোখে আঘাত লাগে। অন্য আসামিরা তার বুক, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, চার আসামি মাহমুদুলকে মাটিতে ফেলে তার বুক ও গলা চেপে ধরেন এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা তাকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে টেনে নামিয়ে একাধিকবার হত্যার উদ্দেশে মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে মাহমুদুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি উল্লেখ করে এজাহারে বলে হয়েছে, ঘটনার পরদিন বাদী মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
এর আগে, গত ২৭ জুলাই মাহমুদুল হাসান মাহিনসহ তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর করে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ শিবিরের নেতাকর্মীরা। হামলা ঠেকাতে গিয়ে কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীও আহত হন। শুধু তাই নয়, এসব আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক, পুলিশ ও শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরবর্তীতে ওই দিন রাতে মাহমুদুল হাসানসহ মো. আনাস নামে আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের পূর্বে দায়ের হওয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও এজিএস এস এম সালমান সাব্বিরসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিযোগকারীর আইনজীবী হযরত আলী বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে পাঠিয়েছেন।
মামলায় নাম উল্লেখ করা অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে– রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব, তথ্য ও গবেষণা উপ-সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদ ভিপি আহসান উল্লা ফারহান, নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, শাখা ছাত্রশিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব, ক্যাম্পাস মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৭ থেকে ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ছুরি, লোহার রড, বেল্ট ও বাঁশের লাঠিসহ বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত আসামিরা মাহমুদুলকে ধাওয়া করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতরে ও বাইরে তাকে ঘিরে ফেলেন। এসময় আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহমুদুলের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এ ছাড়া সালমান সাব্বিরও তাঁর মাথায় আঘাত করেন, এতে মাহমুদুলের বাম চোখে আঘাত লাগে। অন্য আসামিরা তার বুক, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, চার আসামি মাহমুদুলকে মাটিতে ফেলে তার বুক ও গলা চেপে ধরেন এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা তাকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে টেনে নামিয়ে একাধিকবার হত্যার উদ্দেশে মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে মাহমুদুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি উল্লেখ করে এজাহারে বলে হয়েছে, ঘটনার পরদিন বাদী মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
এর আগে, গত ২৭ জুলাই মাহমুদুল হাসান মাহিনসহ তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর করে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ শিবিরের নেতাকর্মীরা। হামলা ঠেকাতে গিয়ে কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীও আহত হন। শুধু তাই নয়, এসব আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক, পুলিশ ও শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরবর্তীতে ওই দিন রাতে মাহমুদুল হাসানসহ মো. আনাস নামে আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের পূর্বে দায়ের হওয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

রাকসুর জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
রাবি সংবাদদাতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও এজিএস এস এম সালমান সাব্বিরসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিযোগকারীর আইনজীবী হযরত আলী বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেননি। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে পাঠিয়েছেন।
মামলায় নাম উল্লেখ করা অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে– রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব, তথ্য ও গবেষণা উপ-সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদ ভিপি আহসান উল্লা ফারহান, নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, শাখা ছাত্রশিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব, ক্যাম্পাস মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৭ থেকে ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ছুরি, লোহার রড, বেল্ট ও বাঁশের লাঠিসহ বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত আসামিরা মাহমুদুলকে ধাওয়া করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতরে ও বাইরে তাকে ঘিরে ফেলেন। এসময় আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহমুদুলের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এ ছাড়া সালমান সাব্বিরও তাঁর মাথায় আঘাত করেন, এতে মাহমুদুলের বাম চোখে আঘাত লাগে। অন্য আসামিরা তার বুক, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, চার আসামি মাহমুদুলকে মাটিতে ফেলে তার বুক ও গলা চেপে ধরেন এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা তাকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে টেনে নামিয়ে একাধিকবার হত্যার উদ্দেশে মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে মাহমুদুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি উল্লেখ করে এজাহারে বলে হয়েছে, ঘটনার পরদিন বাদী মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
এর আগে, গত ২৭ জুলাই মাহমুদুল হাসান মাহিনসহ তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর করে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ শিবিরের নেতাকর্মীরা। হামলা ঠেকাতে গিয়ে কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীও আহত হন। শুধু তাই নয়, এসব আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক, পুলিশ ও শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরবর্তীতে ওই দিন রাতে মাহমুদুল হাসানসহ মো. আনাস নামে আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের পূর্বে দায়ের হওয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

রাবিতে আম্মার ও শিবিরের বিরুদ্ধে ‘মবের’ অভিযোগ, তদন্তে কমিটি







