বাসের সিটে ছারপোকা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ

বাসের সিটে ছারপোকা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত ভাড়ায়চালিত বাসগুলোর সিট জরাজীর্ণ ও অপরিচ্ছন্নের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সিটে ছারপোকারও উপদ্রব রয়েছে। কোটি টাকা ব্যয় করেও মানসম্মত পরিবহনসেবা নিশ্চিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়ায়চালিত দুপুর আড়াইটার একটি বাস ময়মনসিংহ শহরের টাউন হল মোড়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ব্রেক ফেল করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে চালক বাসটির গতি কমিয়ে আনলে হেলপার দ্রুত নেমে চাকার নিচে ইট দিয়ে বাসটি থামান। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারহানা আনজুম মিম বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আজই প্রথম নয়। প্রায়ই বাসের ব্রেকিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় রাস্তায় বাস বিকল হয়ে পড়ে। এতে সময়মতো ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারি না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, প্রতিদিন দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত চলাচলকারী বাসগুলোর অধিকাংশ সিটই জরাজীর্ণ ও অপরিচ্ছন্ন। সিটে ছারপোকারও উপদ্রব রয়েছে।
শিক্ষার্থী গালিব হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস হলেও এগুলোকে লোকাল বাস মনে হয়। প্রতিদিন এসব বাসে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৯টি এবং ভাড়ায় চালিত ৮টি বাস রয়েছে। পরিবহন খাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক বাজেট প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি। প্রতি মাসে এ খাতে ব্যয় হয় ২২ থেকে ২৪ লাখ টাকা এবং প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। এত বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে পরিবহন পুলের সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. আল-আমিন বলেন, ‘ভাড়ায়চালিত গাড়িগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাসগুলো ভাড়া নেয়। কোনো অভিযোগ থাকলে শিক্ষার্থীরা পরিবহন প্রশাসকের কাছে জানাতে পারেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী বলেন, ‘বাসের সমস্যা সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। বিআরটিসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তাদের কাছ থেকে ৯টি বাস নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত ভাড়ায়চালিত বাসগুলোর সিট জরাজীর্ণ ও অপরিচ্ছন্নের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সিটে ছারপোকারও উপদ্রব রয়েছে। কোটি টাকা ব্যয় করেও মানসম্মত পরিবহনসেবা নিশ্চিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়ায়চালিত দুপুর আড়াইটার একটি বাস ময়মনসিংহ শহরের টাউন হল মোড়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ব্রেক ফেল করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে চালক বাসটির গতি কমিয়ে আনলে হেলপার দ্রুত নেমে চাকার নিচে ইট দিয়ে বাসটি থামান। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারহানা আনজুম মিম বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আজই প্রথম নয়। প্রায়ই বাসের ব্রেকিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় রাস্তায় বাস বিকল হয়ে পড়ে। এতে সময়মতো ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারি না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, প্রতিদিন দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত চলাচলকারী বাসগুলোর অধিকাংশ সিটই জরাজীর্ণ ও অপরিচ্ছন্ন। সিটে ছারপোকারও উপদ্রব রয়েছে।
শিক্ষার্থী গালিব হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস হলেও এগুলোকে লোকাল বাস মনে হয়। প্রতিদিন এসব বাসে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৯টি এবং ভাড়ায় চালিত ৮টি বাস রয়েছে। পরিবহন খাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক বাজেট প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি। প্রতি মাসে এ খাতে ব্যয় হয় ২২ থেকে ২৪ লাখ টাকা এবং প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। এত বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে পরিবহন পুলের সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. আল-আমিন বলেন, ‘ভাড়ায়চালিত গাড়িগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাসগুলো ভাড়া নেয়। কোনো অভিযোগ থাকলে শিক্ষার্থীরা পরিবহন প্রশাসকের কাছে জানাতে পারেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী বলেন, ‘বাসের সমস্যা সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। বিআরটিসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তাদের কাছ থেকে ৯টি বাস নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’

বাসের সিটে ছারপোকা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত ভাড়ায়চালিত বাসগুলোর সিট জরাজীর্ণ ও অপরিচ্ছন্নের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সিটে ছারপোকারও উপদ্রব রয়েছে। কোটি টাকা ব্যয় করেও মানসম্মত পরিবহনসেবা নিশ্চিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়ায়চালিত দুপুর আড়াইটার একটি বাস ময়মনসিংহ শহরের টাউন হল মোড়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ ব্রেক ফেল করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে চালক বাসটির গতি কমিয়ে আনলে হেলপার দ্রুত নেমে চাকার নিচে ইট দিয়ে বাসটি থামান। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারহানা আনজুম মিম বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আজই প্রথম নয়। প্রায়ই বাসের ব্রেকিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় রাস্তায় বাস বিকল হয়ে পড়ে। এতে সময়মতো ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারি না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, প্রতিদিন দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত চলাচলকারী বাসগুলোর অধিকাংশ সিটই জরাজীর্ণ ও অপরিচ্ছন্ন। সিটে ছারপোকারও উপদ্রব রয়েছে।
শিক্ষার্থী গালিব হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস হলেও এগুলোকে লোকাল বাস মনে হয়। প্রতিদিন এসব বাসে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৯টি এবং ভাড়ায় চালিত ৮টি বাস রয়েছে। পরিবহন খাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক বাজেট প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি। প্রতি মাসে এ খাতে ব্যয় হয় ২২ থেকে ২৪ লাখ টাকা এবং প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। এত বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে পরিবহন পুলের সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. আল-আমিন বলেন, ‘ভাড়ায়চালিত গাড়িগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাসগুলো ভাড়া নেয়। কোনো অভিযোগ থাকলে শিক্ষার্থীরা পরিবহন প্রশাসকের কাছে জানাতে পারেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী বলেন, ‘বাসের সমস্যা সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। বিআরটিসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তাদের কাছ থেকে ৯টি বাস নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’




