বিশ্বের সবচেয়ে বড় রকেটের সফল পরীক্ষা চালাল স্পেসএক্স

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রকেটের সফল পরীক্ষা চালাল স্পেসএক্স
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৮ সালের মধ্যে আবারো চন্দ্র অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান ভরসা ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট ‘স্টারশিপ’। সে কারণে রকেটটির বিভিন্ন সক্ষমতা যাচাই করতে ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত স্টারবেস উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে স্টারশিপের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা করেছে স্পেসএক্স। চলতি বছরে এটি ছিল রকেটটির দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ।
স্পেসএক্স জানিয়েছেন, প্রায় ৪০৭ ফুট উচ্চতার এই বিশাল রকেটটি উৎক্ষেপণের পর পরিকল্পনা অনুযায়ী পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করে মহাকাশে ২০টি স্টারলিংক উপগ্রহ মোতায়েন করে। মিশন শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ভারত মহাসাগরে সফলভাবে অবতরণও করে এটি। এর আগের পরীক্ষায় অবতরণের সময় রকেটটিতে আগুন ধরে গেলেও এবার বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের পুরো প্রক্রিয়া সবচেয়ে নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সফল মিশন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রকৌশলী কেট টাইস।
তিনি বলেন, উৎক্ষেপণ করা স্টারলিংক উপগ্রহগুলোর কয়েকটিতে বিশেষ ক্যামেরা সংযুক্ত রয়েছে। যা স্টারশিপের তাপ প্রতিরোধী আবরণ বা হিট শিল্ডের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, এই পরীক্ষা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা নাসার আর্টেমিস ৩ অভিযানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। আগামী বছরগুলোতে চাঁদ এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর কর্মসূচিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্টারশিপ রকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

২০২৮ সালের মধ্যে আবারো চন্দ্র অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান ভরসা ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট ‘স্টারশিপ’। সে কারণে রকেটটির বিভিন্ন সক্ষমতা যাচাই করতে ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত স্টারবেস উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে স্টারশিপের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা করেছে স্পেসএক্স। চলতি বছরে এটি ছিল রকেটটির দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ।
স্পেসএক্স জানিয়েছেন, প্রায় ৪০৭ ফুট উচ্চতার এই বিশাল রকেটটি উৎক্ষেপণের পর পরিকল্পনা অনুযায়ী পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করে মহাকাশে ২০টি স্টারলিংক উপগ্রহ মোতায়েন করে। মিশন শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ভারত মহাসাগরে সফলভাবে অবতরণও করে এটি। এর আগের পরীক্ষায় অবতরণের সময় রকেটটিতে আগুন ধরে গেলেও এবার বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের পুরো প্রক্রিয়া সবচেয়ে নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সফল মিশন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রকৌশলী কেট টাইস।
তিনি বলেন, উৎক্ষেপণ করা স্টারলিংক উপগ্রহগুলোর কয়েকটিতে বিশেষ ক্যামেরা সংযুক্ত রয়েছে। যা স্টারশিপের তাপ প্রতিরোধী আবরণ বা হিট শিল্ডের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, এই পরীক্ষা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা নাসার আর্টেমিস ৩ অভিযানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। আগামী বছরগুলোতে চাঁদ এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর কর্মসূচিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্টারশিপ রকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রকেটের সফল পরীক্ষা চালাল স্পেসএক্স
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৮ সালের মধ্যে আবারো চন্দ্র অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান ভরসা ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট ‘স্টারশিপ’। সে কারণে রকেটটির বিভিন্ন সক্ষমতা যাচাই করতে ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত স্টারবেস উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে স্টারশিপের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা করেছে স্পেসএক্স। চলতি বছরে এটি ছিল রকেটটির দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ।
স্পেসএক্স জানিয়েছেন, প্রায় ৪০৭ ফুট উচ্চতার এই বিশাল রকেটটি উৎক্ষেপণের পর পরিকল্পনা অনুযায়ী পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করে মহাকাশে ২০টি স্টারলিংক উপগ্রহ মোতায়েন করে। মিশন শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ভারত মহাসাগরে সফলভাবে অবতরণও করে এটি। এর আগের পরীক্ষায় অবতরণের সময় রকেটটিতে আগুন ধরে গেলেও এবার বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের পুরো প্রক্রিয়া সবচেয়ে নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সফল মিশন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রকৌশলী কেট টাইস।
তিনি বলেন, উৎক্ষেপণ করা স্টারলিংক উপগ্রহগুলোর কয়েকটিতে বিশেষ ক্যামেরা সংযুক্ত রয়েছে। যা স্টারশিপের তাপ প্রতিরোধী আবরণ বা হিট শিল্ডের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাতে সক্ষম হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, এই পরীক্ষা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা নাসার আর্টেমিস ৩ অভিযানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। আগামী বছরগুলোতে চাঁদ এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর কর্মসূচিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্টারশিপ রকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ





