কমলো এলপি গ্যাসের দাম
কমলো এলপি গ্যাসের দাম
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দাম কমানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।


শ্রীলঙ্কা তার জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করে, যার বড় অংশই এই হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দেশটির এক মাসের বেশি জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতা নেই। ফলে

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। ইরান এ প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এলপি গ্যাসের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১,৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সম্প্রতি এলপিজি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের খবর প্রকাশিত হয়েছে। গণমাধ্যমে সরবরাহ সংকটের কথাও এসেছে। এছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১,৩৫৬ টাকা হলেও,
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দাম কমানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আমদানি পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপপূর্বক স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করায়

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এলপিজির পাশাপাশি ঘোষণা করা হবে অটোগ্যাসের দামও।

জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে এবং মাহে রমজানে যেন এলপিজির কোনো ঘাটতি না থাকে সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা।

আপাতত সরকার শুধু এলপিজি আমদানির পর্যায়েই যুক্ত থাকবে। সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণ কার্যক্রমে সরাসরি জড়িত হওয়ার

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে এলপিজি আমদানিতে বড় ধরনের নীতি সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সরকার নির্ধারিত ১২ কেজি এলপি গ্যাসের মূল্য ১৩০৬ টাকা হলেও তা খোলা বাজারে ডিলাররা বিক্রি করছে ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। যে গ্যাসের দাম হওয়ার কথা ছিলো ৭২০ টাকা, সেই গ্যাস ২৫০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

সারা দেশে এলপিজি বিপণন ও সরবরাহে আজ বৃহস্পতিবার ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংককে ঋণপ্রাপ্তির আবেদন ও এলসি খোলার প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ করে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।

এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান জানান, (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। বেলা ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দাবি মানা হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি শুরু হবে।
