অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোনটিতে কী আছে, দাম কত

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোনটিতে কী আছে, দাম কত
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আইফোন ডুও। ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল পার্কে ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ ইভেন্ট ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’। নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাসের নেতৃত্বে এটিই ছিল অ্যাপলের প্রথম বড় কোনো আয়োজন। সেখানে অ্যাপলের বেশ কিছু নতুন ডিভাইস ও প্রযুক্তির ঘোষণাও দেওয়া হয়।
কী আছে এতে
আইফোন ডুও ফোনের ভেতরের নকশা অনেকটা পাসপোর্টের মতো। এটি বইয়ের মতো সহজে খোলা ও বন্ধ করা যায়। এর সামনের অংশে আছে ৫.৪ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে। ফোনটি মেলে ধরলে দেখা যায় ৭.৬ ইঞ্চির এক বিশাল স্ক্রিন।
মুভি দেখা, গেম খেলা কিংবা একসঙ্গে নানা কাজ করার জন্য এই স্ক্রিন বেশ চমৎকার। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন আসার পর এটিকে বড় ধরনের পরিবর্তন বলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অ্যাপল এমন এক প্রযুক্তির বাজারে পা রাখল, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে স্যামসাংয়ের একচ্ছত্র রাজত্ব ছিল।
অ্যাপল জানায়, পুরোপুরি খোলার পর ডুও হবে তাদের তৈরি করা এযাবৎকালের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। ফোনটির শুরুর দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার, যা প্রায় আড়াই লাখ টাকা। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে এর প্রি-অর্ডার শুরু হবে। আর ২৩ অক্টোবর থেকে এটি বাজারে পাওয়া যাবে।
টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি এই ডিভাইসে স্পিকার রয়েছে। এটি স্টার হোয়াইট ও নাইট স্কাই এই দুটি রঙে পাওয়া যাবে। ফোনটি পুরোপুরি না খুলে অর্ধেক ভাঁজ করা অবস্থাতেও ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি অ্যাপল বাজারে এনেছে ‘আইফোন ১৮ প্রো’ এবং ‘১৮ প্রো ম্যাক্স’। ফোন দুটির বাইরের ডিজাইন আগের বছরের ‘১৭ প্রো’ ও ‘প্রো ম্যাক্স’-এর মতোই রাখা হয়েছে। তবে ভেতরে যুক্ত করা হয়েছে নতুন ও দ্রুতগতির ‘এ২০ প্রো’ প্রসেসর। উন্নত সিপিইউ, জিপিইউ ও নিউরাল ইঞ্জিনের কারণে গেম থেকে শুরু করে এআইয়ের জটিল কাজগুলো এখন এতে আরও সহজে চালানো যাবে।
অ্যাপল তাদের আইফোন ১৮ প্রোতে ব্যাটারির সক্ষমতা অনেক বাড়িয়েছে। নতুন আইফোন ১৮ প্রোতে ২৪ ঘণ্টা ও ১৮ প্রো ম্যাক্সে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত চার্জ থাকবে। এগুলো আগের মডেলগুলোর চেয়ে অনেক দ্রুত চার্জ হয়।
ছবি তোলার অ্যাপারচারে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি ফোনে ‘অ্যাপল রেফারেন্স ইমেজ’ নামের নতুন ফিচার আনা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবির মধ্যে আসল ছবি চিনতে এটি সাহায্য করবে। এ ছাড়া ফোনের তাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় বড় উন্নতি আনা হয়েছে, যাতে ফোন সহজে গরম না হয়।
অ্যাপল জানিয়েছে, আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্স পাওয়া যাবে মোট চারটি নজরকাড়া রঙে। কালো, রুপালি, হালকা নীল ও বারগান্ডি।
নতুন আইফোনের প্রি-অর্ডার শুরু হবে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বের ৬৫টির বেশি দেশের নির্দিষ্ট দোকানগুলোয় সরাসরি বিক্রি শুরু হবে।
নতুন ক্রেতা আকৃষ্ট করতে ফোল্ডেবল ফোনের স্থায়িত্ব প্রমাণে জোর দেওয়া হচ্ছে। অনেকে মনে করেন ভাঁজ করার কারণে এগুলো সহজে ভেঙে যেতে পারে। তবে লাইভস্ট্রিমে দেখা গেছে, এসব ফোন প্রায় দুই লাখ বার অনায়াসে ভাঁজ করা যায়। অবশ্য এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে ফোল্ডেবল ফোনগুলো খুব বড় জায়গা তৈরি করতে পারেনি।

প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আইফোন ডুও। ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল পার্কে ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ ইভেন্ট ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’। নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাসের নেতৃত্বে এটিই ছিল অ্যাপলের প্রথম বড় কোনো আয়োজন। সেখানে অ্যাপলের বেশ কিছু নতুন ডিভাইস ও প্রযুক্তির ঘোষণাও দেওয়া হয়।
কী আছে এতে
আইফোন ডুও ফোনের ভেতরের নকশা অনেকটা পাসপোর্টের মতো। এটি বইয়ের মতো সহজে খোলা ও বন্ধ করা যায়। এর সামনের অংশে আছে ৫.৪ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে। ফোনটি মেলে ধরলে দেখা যায় ৭.৬ ইঞ্চির এক বিশাল স্ক্রিন।
মুভি দেখা, গেম খেলা কিংবা একসঙ্গে নানা কাজ করার জন্য এই স্ক্রিন বেশ চমৎকার। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন আসার পর এটিকে বড় ধরনের পরিবর্তন বলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অ্যাপল এমন এক প্রযুক্তির বাজারে পা রাখল, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে স্যামসাংয়ের একচ্ছত্র রাজত্ব ছিল।
অ্যাপল জানায়, পুরোপুরি খোলার পর ডুও হবে তাদের তৈরি করা এযাবৎকালের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। ফোনটির শুরুর দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার, যা প্রায় আড়াই লাখ টাকা। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে এর প্রি-অর্ডার শুরু হবে। আর ২৩ অক্টোবর থেকে এটি বাজারে পাওয়া যাবে।
টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি এই ডিভাইসে স্পিকার রয়েছে। এটি স্টার হোয়াইট ও নাইট স্কাই এই দুটি রঙে পাওয়া যাবে। ফোনটি পুরোপুরি না খুলে অর্ধেক ভাঁজ করা অবস্থাতেও ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি অ্যাপল বাজারে এনেছে ‘আইফোন ১৮ প্রো’ এবং ‘১৮ প্রো ম্যাক্স’। ফোন দুটির বাইরের ডিজাইন আগের বছরের ‘১৭ প্রো’ ও ‘প্রো ম্যাক্স’-এর মতোই রাখা হয়েছে। তবে ভেতরে যুক্ত করা হয়েছে নতুন ও দ্রুতগতির ‘এ২০ প্রো’ প্রসেসর। উন্নত সিপিইউ, জিপিইউ ও নিউরাল ইঞ্জিনের কারণে গেম থেকে শুরু করে এআইয়ের জটিল কাজগুলো এখন এতে আরও সহজে চালানো যাবে।
অ্যাপল তাদের আইফোন ১৮ প্রোতে ব্যাটারির সক্ষমতা অনেক বাড়িয়েছে। নতুন আইফোন ১৮ প্রোতে ২৪ ঘণ্টা ও ১৮ প্রো ম্যাক্সে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত চার্জ থাকবে। এগুলো আগের মডেলগুলোর চেয়ে অনেক দ্রুত চার্জ হয়।
ছবি তোলার অ্যাপারচারে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি ফোনে ‘অ্যাপল রেফারেন্স ইমেজ’ নামের নতুন ফিচার আনা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবির মধ্যে আসল ছবি চিনতে এটি সাহায্য করবে। এ ছাড়া ফোনের তাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় বড় উন্নতি আনা হয়েছে, যাতে ফোন সহজে গরম না হয়।
অ্যাপল জানিয়েছে, আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্স পাওয়া যাবে মোট চারটি নজরকাড়া রঙে। কালো, রুপালি, হালকা নীল ও বারগান্ডি।
নতুন আইফোনের প্রি-অর্ডার শুরু হবে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বের ৬৫টির বেশি দেশের নির্দিষ্ট দোকানগুলোয় সরাসরি বিক্রি শুরু হবে।
নতুন ক্রেতা আকৃষ্ট করতে ফোল্ডেবল ফোনের স্থায়িত্ব প্রমাণে জোর দেওয়া হচ্ছে। অনেকে মনে করেন ভাঁজ করার কারণে এগুলো সহজে ভেঙে যেতে পারে। তবে লাইভস্ট্রিমে দেখা গেছে, এসব ফোন প্রায় দুই লাখ বার অনায়াসে ভাঁজ করা যায়। অবশ্য এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে ফোল্ডেবল ফোনগুলো খুব বড় জায়গা তৈরি করতে পারেনি।

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোনটিতে কী আছে, দাম কত
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আইফোন ডুও। ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল পার্কে ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ ইভেন্ট ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’। নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাসের নেতৃত্বে এটিই ছিল অ্যাপলের প্রথম বড় কোনো আয়োজন। সেখানে অ্যাপলের বেশ কিছু নতুন ডিভাইস ও প্রযুক্তির ঘোষণাও দেওয়া হয়।
কী আছে এতে
আইফোন ডুও ফোনের ভেতরের নকশা অনেকটা পাসপোর্টের মতো। এটি বইয়ের মতো সহজে খোলা ও বন্ধ করা যায়। এর সামনের অংশে আছে ৫.৪ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে। ফোনটি মেলে ধরলে দেখা যায় ৭.৬ ইঞ্চির এক বিশাল স্ক্রিন।
মুভি দেখা, গেম খেলা কিংবা একসঙ্গে নানা কাজ করার জন্য এই স্ক্রিন বেশ চমৎকার। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন আসার পর এটিকে বড় ধরনের পরিবর্তন বলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অ্যাপল এমন এক প্রযুক্তির বাজারে পা রাখল, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে স্যামসাংয়ের একচ্ছত্র রাজত্ব ছিল।
অ্যাপল জানায়, পুরোপুরি খোলার পর ডুও হবে তাদের তৈরি করা এযাবৎকালের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। ফোনটির শুরুর দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার, যা প্রায় আড়াই লাখ টাকা। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে এর প্রি-অর্ডার শুরু হবে। আর ২৩ অক্টোবর থেকে এটি বাজারে পাওয়া যাবে।
টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি এই ডিভাইসে স্পিকার রয়েছে। এটি স্টার হোয়াইট ও নাইট স্কাই এই দুটি রঙে পাওয়া যাবে। ফোনটি পুরোপুরি না খুলে অর্ধেক ভাঁজ করা অবস্থাতেও ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি অ্যাপল বাজারে এনেছে ‘আইফোন ১৮ প্রো’ এবং ‘১৮ প্রো ম্যাক্স’। ফোন দুটির বাইরের ডিজাইন আগের বছরের ‘১৭ প্রো’ ও ‘প্রো ম্যাক্স’-এর মতোই রাখা হয়েছে। তবে ভেতরে যুক্ত করা হয়েছে নতুন ও দ্রুতগতির ‘এ২০ প্রো’ প্রসেসর। উন্নত সিপিইউ, জিপিইউ ও নিউরাল ইঞ্জিনের কারণে গেম থেকে শুরু করে এআইয়ের জটিল কাজগুলো এখন এতে আরও সহজে চালানো যাবে।
অ্যাপল তাদের আইফোন ১৮ প্রোতে ব্যাটারির সক্ষমতা অনেক বাড়িয়েছে। নতুন আইফোন ১৮ প্রোতে ২৪ ঘণ্টা ও ১৮ প্রো ম্যাক্সে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত চার্জ থাকবে। এগুলো আগের মডেলগুলোর চেয়ে অনেক দ্রুত চার্জ হয়।
ছবি তোলার অ্যাপারচারে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি ফোনে ‘অ্যাপল রেফারেন্স ইমেজ’ নামের নতুন ফিচার আনা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবির মধ্যে আসল ছবি চিনতে এটি সাহায্য করবে। এ ছাড়া ফোনের তাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় বড় উন্নতি আনা হয়েছে, যাতে ফোন সহজে গরম না হয়।
অ্যাপল জানিয়েছে, আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্স পাওয়া যাবে মোট চারটি নজরকাড়া রঙে। কালো, রুপালি, হালকা নীল ও বারগান্ডি।
নতুন আইফোনের প্রি-অর্ডার শুরু হবে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বের ৬৫টির বেশি দেশের নির্দিষ্ট দোকানগুলোয় সরাসরি বিক্রি শুরু হবে।
নতুন ক্রেতা আকৃষ্ট করতে ফোল্ডেবল ফোনের স্থায়িত্ব প্রমাণে জোর দেওয়া হচ্ছে। অনেকে মনে করেন ভাঁজ করার কারণে এগুলো সহজে ভেঙে যেতে পারে। তবে লাইভস্ট্রিমে দেখা গেছে, এসব ফোন প্রায় দুই লাখ বার অনায়াসে ভাঁজ করা যায়। অবশ্য এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে ফোল্ডেবল ফোনগুলো খুব বড় জায়গা তৈরি করতে পারেনি।









