ভারত-বাংলাদেশ ট্রেন আবার চালুর সম্ভাবনা, অপেক্ষা কূটনৈতিক প্রস্তাব ও সরকারি সিদ্ধান্তের

ভারত-বাংলাদেশ ট্রেন আবার চালুর সম্ভাবনা, অপেক্ষা কূটনৈতিক প্রস্তাব ও সরকারি সিদ্ধান্তের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন আবার চালুর উদ্যোগ, কূটনৈতিক প্রস্তাব ও সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময় ধরে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেসের চলাচল বন্ধ ছিলো। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক মাস পর আবার ট্রেন চলাচলের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। তবে বন্ধ থাকা বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃদেশীয় ট্রেন চালুর বিষয়ে নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে তা পরীক্ষা করে দেখবে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রেলভবনে তিন দিনব্যাপী আইজিআরএম বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল হক।
তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে তিনটি আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে এসব ট্রেন বন্ধ করা হয়নি, বরং ভারতীয় কর্তৃপক্ষই এগুলো বন্ধ করেছে। এজন্য চালুর বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পরই বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।’
পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেসকে চালানোর বিষয়ে জিয়াউল হক বলেন, ‘ভারতীয় পক্ষ এ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা করেছে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রস্তাব আকারে এলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কারণ পদ্মা সেতু দিয়ে এর আগে কোনো আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলেনি। নতুন রুটে ট্রেন চালাতে কারিগরি ও পরিচালনাগত সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চললে যাত্রাপথের দূরত্ব কমবে। এর ফলে যাত্রীদের ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হতে পারে। একইসঙ্গে দূরত্ব কমার কারণে ভাড়াও পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।’
জিয়াউল হক বলেন, ‘বৈঠকে বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস দুটি ট্রেন চালুর বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে ছিল না। তবে গত বছরের বৈঠকে এসব ট্রেন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে তা সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।’
ভারতের দলটির নেতৃত্ব দেন ভারতের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সদস্য (ট্রাফিক) দীপক কুমার ঝা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অংশের প্রস্তাব অনুযায়ী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পদ্মা সেতু দিয়ে চালুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে পুনরায় চালু করা সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
ইতিবাচক নোটেই এবারের আইজিআরএম বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে বলে জানান কুমার ঝা। আগামী বছর পরবর্তী আইজিআরএম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে নয়াদিল্লিতে।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিনে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হয়। ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর চালু হয় খুলনা-কলকাতা পথের বন্ধন এক্সপ্রেস। আর ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করে ২০২২ সালের ১ জুন।

বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন আবার চালুর উদ্যোগ, কূটনৈতিক প্রস্তাব ও সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময় ধরে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেসের চলাচল বন্ধ ছিলো। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক মাস পর আবার ট্রেন চলাচলের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। তবে বন্ধ থাকা বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃদেশীয় ট্রেন চালুর বিষয়ে নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে তা পরীক্ষা করে দেখবে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রেলভবনে তিন দিনব্যাপী আইজিআরএম বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল হক।
তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে তিনটি আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে এসব ট্রেন বন্ধ করা হয়নি, বরং ভারতীয় কর্তৃপক্ষই এগুলো বন্ধ করেছে। এজন্য চালুর বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পরই বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।’
পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেসকে চালানোর বিষয়ে জিয়াউল হক বলেন, ‘ভারতীয় পক্ষ এ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা করেছে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রস্তাব আকারে এলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কারণ পদ্মা সেতু দিয়ে এর আগে কোনো আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলেনি। নতুন রুটে ট্রেন চালাতে কারিগরি ও পরিচালনাগত সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চললে যাত্রাপথের দূরত্ব কমবে। এর ফলে যাত্রীদের ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হতে পারে। একইসঙ্গে দূরত্ব কমার কারণে ভাড়াও পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।’
জিয়াউল হক বলেন, ‘বৈঠকে বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস দুটি ট্রেন চালুর বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে ছিল না। তবে গত বছরের বৈঠকে এসব ট্রেন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে তা সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।’
ভারতের দলটির নেতৃত্ব দেন ভারতের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সদস্য (ট্রাফিক) দীপক কুমার ঝা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অংশের প্রস্তাব অনুযায়ী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পদ্মা সেতু দিয়ে চালুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে পুনরায় চালু করা সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
ইতিবাচক নোটেই এবারের আইজিআরএম বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে বলে জানান কুমার ঝা। আগামী বছর পরবর্তী আইজিআরএম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে নয়াদিল্লিতে।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিনে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হয়। ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর চালু হয় খুলনা-কলকাতা পথের বন্ধন এক্সপ্রেস। আর ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করে ২০২২ সালের ১ জুন।

ভারত-বাংলাদেশ ট্রেন আবার চালুর সম্ভাবনা, অপেক্ষা কূটনৈতিক প্রস্তাব ও সরকারি সিদ্ধান্তের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন আবার চালুর উদ্যোগ, কূটনৈতিক প্রস্তাব ও সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময় ধরে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেসের চলাচল বন্ধ ছিলো। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক মাস পর আবার ট্রেন চলাচলের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। তবে বন্ধ থাকা বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃদেশীয় ট্রেন চালুর বিষয়ে নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে তা পরীক্ষা করে দেখবে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রেলভবনে তিন দিনব্যাপী আইজিআরএম বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল হক।
তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে তিনটি আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে এসব ট্রেন বন্ধ করা হয়নি, বরং ভারতীয় কর্তৃপক্ষই এগুলো বন্ধ করেছে। এজন্য চালুর বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পরই বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।’
পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেসকে চালানোর বিষয়ে জিয়াউল হক বলেন, ‘ভারতীয় পক্ষ এ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা করেছে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রস্তাব আকারে এলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কারণ পদ্মা সেতু দিয়ে এর আগে কোনো আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলেনি। নতুন রুটে ট্রেন চালাতে কারিগরি ও পরিচালনাগত সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চললে যাত্রাপথের দূরত্ব কমবে। এর ফলে যাত্রীদের ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হতে পারে। একইসঙ্গে দূরত্ব কমার কারণে ভাড়াও পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।’
জিয়াউল হক বলেন, ‘বৈঠকে বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস দুটি ট্রেন চালুর বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে ছিল না। তবে গত বছরের বৈঠকে এসব ট্রেন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে তা সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।’
ভারতের দলটির নেতৃত্ব দেন ভারতের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সদস্য (ট্রাফিক) দীপক কুমার ঝা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অংশের প্রস্তাব অনুযায়ী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পদ্মা সেতু দিয়ে চালুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে পুনরায় চালু করা সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
ইতিবাচক নোটেই এবারের আইজিআরএম বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে বলে জানান কুমার ঝা। আগামী বছর পরবর্তী আইজিআরএম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে নয়াদিল্লিতে।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিনে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হয়। ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর চালু হয় খুলনা-কলকাতা পথের বন্ধন এক্সপ্রেস। আর ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করে ২০২২ সালের ১ জুন।

মৈত্রী এক্সপ্রেস নিয়ে খুব শিগগিরই ভালো খবর দিতে পারবো: ভারতীয় হাইকমিশনার




-CznNewsLab-d7eff9.jpg)


