মেসির এবার ফন্টেইনের রেকর্ড ভাঙার পালা

মেসির এবার ফন্টেইনের রেকর্ড ভাঙার পালা
রুবেল আবিদ

লিওনেল স্কালোনির ওপর কি একটু রাগ হয়েছে! আপনি লিওনেল মেসির ভক্ত হলে সেটা হতেই পারে। সকালের ঘুম বিসর্জন দিয়ে আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখতে টেলিভিশনের সামনে বসেছেন। কিন্তু জর্ডানের বিপক্ষে লিওনেল মেসিকে শুরুর একাদশেই রাখলেন না আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি।
আশা নিয়ে ম্যাচ দেখে গেছেন মেসি-ভক্তরা, একটা না একটা সময়ে মেসিকে নামাবেনই কোচ। অবশেষে সেই শুভক্ষণ এসেছে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে, লাওতারো মার্তিনেজের জায়গায় মেসিকে মাঠে নামান স্কালোনি। আসলে মেসি-ভক্তরা তো আর তার রূপ দেখতে টেলিভিশনের সামনে বসেননি। তারা ঘুমে ঢুলু-ঢুলু চোখ নিয়ে টিভির সামনে বসেছিলেন প্রিয় তারকার একটি গোল দেখতে।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি, যেটি তার বিশ্বকাপ-ক্যারিয়ারে প্রথম। পরের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুবার বল জড়িয়েছেন জালে। শুরুর দিকে একটি পেনাল্টি মিস না করলে তো সেই ম্যাচেও হ্যাটট্রিক হয়ে যায় ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়কের।

তা যাই হোক, অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর থেকেই একটি আলোচনার শুরু– এবার মেসিই হতে পারেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার। আলোচনা কি শুধু আর ওখানেই থেমে থাকে! প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই একটি রেকর্ড গড়েছেন মেসি, সর্বোচ্চ ছয়টি বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার। পরে এই রেকর্ডে তার পাশে নাম লিখিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর ওচোয়া। একই দিনে আরেকটি রেকর্ডে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। ১৬ গোল নিয়ে ওই ম্যাচ পর্যন্ত ক্লোসা একাই ছিলেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা। হ্যাটট্রিক করে ক্লোসার সেই রেকর্ডে ভাগ বসান মেসি। পরের ম্যাচে জোড়া গোল করে ক্লোসাকে ছাড়িয়ে রেকর্ডটিতে একক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সেদিন অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়ে ক্লোসাকে পেছনে ফেলে আরও একটি রেকর্ড শুধুই নিজের করে নেন মেসি– বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় হয়ে গেছেন তিনি।
জর্ডানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক গোল করেছেন। এতে গোল আর জয়ের রেকর্ড, দুটিই আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। মেসিকে নিয়ে একটি আলোচনা এখন আরও গতি পেয়েছে– এবার কি তাহলে ফ্রান্সের কিংবদন্তি জাস্ট ফন্টেইনের একটি রেকর্ডও নিজের করে নেবেন মেসি!
কী সেই রেকর্ড? বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ গোল। সুইডেনে ১৯৫৮ সালে যেবার ব্রাজিল তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জেতে, সেবার ১৩ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন ফন্টেইন। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি এখনো অক্ষত। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, এবার রেকর্ডটি আর অক্ষত থাকবে না।
গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে মেসির গোল ৬টি। শেষ বত্রিশ আর শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ তেমন কঠিন নয়– যথাক্রমে কেপ ভার্দে আর অস্ট্রেলিয়া বা মিসর। সে ক্ষেত্রে এই দুই ধাপ পেরিয়ে আর্জেন্টিনাকে অনেকেই কোয়ার্টার ফাইনালে দেখছেন এবং ওই দুই ম্যাচে মেসির একাধিক গোলও তাদের চোখে ভাসছে। এরপর আরও দুই ধাপ পেরিয়ে আর্জেন্টিনা যদি ফাইনালে যেতে পারে, কে বলবে যে মেসি আরও গোল পাবেন না!

সব মিলিয়ে মেসির তো দরকার আর ৭টি গোল। ফুটবলের রেকর্ডপুত্রের পায়ে যেভাবে রেকর্ড এসে লুটায়, ফন্টেইনের নামটি তিনি রেকর্ড বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিতেই পারেন! এ কারণেই জর্ডানের বিপক্ষে মেসিকে শুরুর একাদশে না নামানোয় স্কালোনির ওপর রাগ করতেই পারেন তার ভক্তরা। জর্ডান ম্যাচে শুরু থেকে খেললে আরও এক–দুটি গোল মেসি পেলেও পেতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে ফন্টেইনের রেকর্ড ভাঙার পথে আরেকটু এগিয়ে যেতে পারতেন ফুটবলের বরপুত্র!

লিওনেল স্কালোনির ওপর কি একটু রাগ হয়েছে! আপনি লিওনেল মেসির ভক্ত হলে সেটা হতেই পারে। সকালের ঘুম বিসর্জন দিয়ে আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখতে টেলিভিশনের সামনে বসেছেন। কিন্তু জর্ডানের বিপক্ষে লিওনেল মেসিকে শুরুর একাদশেই রাখলেন না আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি।
আশা নিয়ে ম্যাচ দেখে গেছেন মেসি-ভক্তরা, একটা না একটা সময়ে মেসিকে নামাবেনই কোচ। অবশেষে সেই শুভক্ষণ এসেছে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে, লাওতারো মার্তিনেজের জায়গায় মেসিকে মাঠে নামান স্কালোনি। আসলে মেসি-ভক্তরা তো আর তার রূপ দেখতে টেলিভিশনের সামনে বসেননি। তারা ঘুমে ঢুলু-ঢুলু চোখ নিয়ে টিভির সামনে বসেছিলেন প্রিয় তারকার একটি গোল দেখতে।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি, যেটি তার বিশ্বকাপ-ক্যারিয়ারে প্রথম। পরের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুবার বল জড়িয়েছেন জালে। শুরুর দিকে একটি পেনাল্টি মিস না করলে তো সেই ম্যাচেও হ্যাটট্রিক হয়ে যায় ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়কের।

তা যাই হোক, অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর থেকেই একটি আলোচনার শুরু– এবার মেসিই হতে পারেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার। আলোচনা কি শুধু আর ওখানেই থেমে থাকে! প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই একটি রেকর্ড গড়েছেন মেসি, সর্বোচ্চ ছয়টি বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার। পরে এই রেকর্ডে তার পাশে নাম লিখিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর ওচোয়া। একই দিনে আরেকটি রেকর্ডে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। ১৬ গোল নিয়ে ওই ম্যাচ পর্যন্ত ক্লোসা একাই ছিলেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা। হ্যাটট্রিক করে ক্লোসার সেই রেকর্ডে ভাগ বসান মেসি। পরের ম্যাচে জোড়া গোল করে ক্লোসাকে ছাড়িয়ে রেকর্ডটিতে একক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সেদিন অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়ে ক্লোসাকে পেছনে ফেলে আরও একটি রেকর্ড শুধুই নিজের করে নেন মেসি– বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় হয়ে গেছেন তিনি।
জর্ডানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক গোল করেছেন। এতে গোল আর জয়ের রেকর্ড, দুটিই আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। মেসিকে নিয়ে একটি আলোচনা এখন আরও গতি পেয়েছে– এবার কি তাহলে ফ্রান্সের কিংবদন্তি জাস্ট ফন্টেইনের একটি রেকর্ডও নিজের করে নেবেন মেসি!
কী সেই রেকর্ড? বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ গোল। সুইডেনে ১৯৫৮ সালে যেবার ব্রাজিল তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জেতে, সেবার ১৩ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন ফন্টেইন। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি এখনো অক্ষত। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, এবার রেকর্ডটি আর অক্ষত থাকবে না।
গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে মেসির গোল ৬টি। শেষ বত্রিশ আর শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ তেমন কঠিন নয়– যথাক্রমে কেপ ভার্দে আর অস্ট্রেলিয়া বা মিসর। সে ক্ষেত্রে এই দুই ধাপ পেরিয়ে আর্জেন্টিনাকে অনেকেই কোয়ার্টার ফাইনালে দেখছেন এবং ওই দুই ম্যাচে মেসির একাধিক গোলও তাদের চোখে ভাসছে। এরপর আরও দুই ধাপ পেরিয়ে আর্জেন্টিনা যদি ফাইনালে যেতে পারে, কে বলবে যে মেসি আরও গোল পাবেন না!

সব মিলিয়ে মেসির তো দরকার আর ৭টি গোল। ফুটবলের রেকর্ডপুত্রের পায়ে যেভাবে রেকর্ড এসে লুটায়, ফন্টেইনের নামটি তিনি রেকর্ড বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিতেই পারেন! এ কারণেই জর্ডানের বিপক্ষে মেসিকে শুরুর একাদশে না নামানোয় স্কালোনির ওপর রাগ করতেই পারেন তার ভক্তরা। জর্ডান ম্যাচে শুরু থেকে খেললে আরও এক–দুটি গোল মেসি পেলেও পেতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে ফন্টেইনের রেকর্ড ভাঙার পথে আরেকটু এগিয়ে যেতে পারতেন ফুটবলের বরপুত্র!

মেসির এবার ফন্টেইনের রেকর্ড ভাঙার পালা
রুবেল আবিদ

লিওনেল স্কালোনির ওপর কি একটু রাগ হয়েছে! আপনি লিওনেল মেসির ভক্ত হলে সেটা হতেই পারে। সকালের ঘুম বিসর্জন দিয়ে আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখতে টেলিভিশনের সামনে বসেছেন। কিন্তু জর্ডানের বিপক্ষে লিওনেল মেসিকে শুরুর একাদশেই রাখলেন না আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি।
আশা নিয়ে ম্যাচ দেখে গেছেন মেসি-ভক্তরা, একটা না একটা সময়ে মেসিকে নামাবেনই কোচ। অবশেষে সেই শুভক্ষণ এসেছে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে, লাওতারো মার্তিনেজের জায়গায় মেসিকে মাঠে নামান স্কালোনি। আসলে মেসি-ভক্তরা তো আর তার রূপ দেখতে টেলিভিশনের সামনে বসেননি। তারা ঘুমে ঢুলু-ঢুলু চোখ নিয়ে টিভির সামনে বসেছিলেন প্রিয় তারকার একটি গোল দেখতে।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি, যেটি তার বিশ্বকাপ-ক্যারিয়ারে প্রথম। পরের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুবার বল জড়িয়েছেন জালে। শুরুর দিকে একটি পেনাল্টি মিস না করলে তো সেই ম্যাচেও হ্যাটট্রিক হয়ে যায় ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়কের।

তা যাই হোক, অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর থেকেই একটি আলোচনার শুরু– এবার মেসিই হতে পারেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার। আলোচনা কি শুধু আর ওখানেই থেমে থাকে! প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই একটি রেকর্ড গড়েছেন মেসি, সর্বোচ্চ ছয়টি বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার। পরে এই রেকর্ডে তার পাশে নাম লিখিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর ওচোয়া। একই দিনে আরেকটি রেকর্ডে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। ১৬ গোল নিয়ে ওই ম্যাচ পর্যন্ত ক্লোসা একাই ছিলেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা। হ্যাটট্রিক করে ক্লোসার সেই রেকর্ডে ভাগ বসান মেসি। পরের ম্যাচে জোড়া গোল করে ক্লোসাকে ছাড়িয়ে রেকর্ডটিতে একক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সেদিন অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়ে ক্লোসাকে পেছনে ফেলে আরও একটি রেকর্ড শুধুই নিজের করে নেন মেসি– বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় হয়ে গেছেন তিনি।
জর্ডানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক গোল করেছেন। এতে গোল আর জয়ের রেকর্ড, দুটিই আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। মেসিকে নিয়ে একটি আলোচনা এখন আরও গতি পেয়েছে– এবার কি তাহলে ফ্রান্সের কিংবদন্তি জাস্ট ফন্টেইনের একটি রেকর্ডও নিজের করে নেবেন মেসি!
কী সেই রেকর্ড? বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ গোল। সুইডেনে ১৯৫৮ সালে যেবার ব্রাজিল তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জেতে, সেবার ১৩ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন ফন্টেইন। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি এখনো অক্ষত। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, এবার রেকর্ডটি আর অক্ষত থাকবে না।
গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে মেসির গোল ৬টি। শেষ বত্রিশ আর শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ তেমন কঠিন নয়– যথাক্রমে কেপ ভার্দে আর অস্ট্রেলিয়া বা মিসর। সে ক্ষেত্রে এই দুই ধাপ পেরিয়ে আর্জেন্টিনাকে অনেকেই কোয়ার্টার ফাইনালে দেখছেন এবং ওই দুই ম্যাচে মেসির একাধিক গোলও তাদের চোখে ভাসছে। এরপর আরও দুই ধাপ পেরিয়ে আর্জেন্টিনা যদি ফাইনালে যেতে পারে, কে বলবে যে মেসি আরও গোল পাবেন না!

সব মিলিয়ে মেসির তো দরকার আর ৭টি গোল। ফুটবলের রেকর্ডপুত্রের পায়ে যেভাবে রেকর্ড এসে লুটায়, ফন্টেইনের নামটি তিনি রেকর্ড বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিতেই পারেন! এ কারণেই জর্ডানের বিপক্ষে মেসিকে শুরুর একাদশে না নামানোয় স্কালোনির ওপর রাগ করতেই পারেন তার ভক্তরা। জর্ডান ম্যাচে শুরু থেকে খেললে আরও এক–দুটি গোল মেসি পেলেও পেতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে ফন্টেইনের রেকর্ড ভাঙার পথে আরেকটু এগিয়ে যেতে পারতেন ফুটবলের বরপুত্র!




