খেলোয়াড়দের ভোটে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত আয়ারল্যান্ডের

খেলোয়াড়দের ভোটে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত আয়ারল্যান্ডের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

উয়েফা নেশন্স লিগে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলা নিয়ে নিজেদের অবস্থান চূড়ান্ত করেছে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড। ম্যাচটি খেলা হবে কি না-তা নিয়ে দলের মধ্যে ভোটাভুটির পর খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাঙ্গেরির ডেব্রাসেনে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) হওয়ার কথা ম্যাচটি। ম্যাচের আগের দিন আয়ারল্যান্ড তাদের নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে।
গত ফেব্রুয়ারিতে নেশন্স লিগের ড্রয়ে এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তাদের ম্যাচ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সোচ্চার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম আয়ারল্যান্ড। ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার দাবিতে আয়ারল্যান্ডে বহুবার বিক্ষোভ হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে একজন খেলোয়াড় আসন্ন ম্যাচ খেলার বিষয়ে প্রধান কোচের কাছে অস্বস্তি প্রকাশ করেন। এরপরই ভোট গ্রহণের আয়োজন করা হয়।
ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ডের (এফএআই) প্রধান নির্বাহী ডেভিড কোরেল বলেন, ‘৯০ মিনিটের মধ্যে আমরা দলের সদস্যদের ভোট গ্রহণ করি, যাতে ম্যাচটি খেলার বিষয়ে তাদের মনোভাব বোঝা যায়। এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠ খেলোয়াড় খেলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দেন। এর ভিত্তিতে, আইরিশ ফুটবলের পক্ষ থেকে অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্ত নেয় যে, ম্যাচটি হবে, কারণ আমরা সবসময়ই নির্ধারিত ম্যাচগুলো খেলার পরিকল্পনা করে এসেছি।’
কোরেল জানান, শনিবার খেলোয়াড়দের মধ্যে চার ঘণ্টা ধরে আলোচনা চলে এবং কোনো কোনো পর্যায়ে কোচিং স্টাফ ও নির্বাহী কর্মকর্তারাও অংশ নেন। তবে কতজন খেলোয়াড় ভোট দিয়েছেন, সেটির বিস্তারিত প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানান প্রধান নির্বাহী।
চলতি আন্তর্জাতিক বিরতির বাকি দিনগুলোতে আয়ারল্যান্ডের খেলোয়াড়রা আর কোনো সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন না।
ইসরায়েলের সব হোম ম্যাচ ডেব্রাসেনে হওয়ার কথা। আগামী ৪ অক্টোবর ইসরায়েলের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের হোম ম্যাচটি সার্বিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ম্যাচটি হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।

উয়েফা নেশন্স লিগে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলা নিয়ে নিজেদের অবস্থান চূড়ান্ত করেছে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড। ম্যাচটি খেলা হবে কি না-তা নিয়ে দলের মধ্যে ভোটাভুটির পর খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাঙ্গেরির ডেব্রাসেনে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) হওয়ার কথা ম্যাচটি। ম্যাচের আগের দিন আয়ারল্যান্ড তাদের নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে।
গত ফেব্রুয়ারিতে নেশন্স লিগের ড্রয়ে এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তাদের ম্যাচ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সোচ্চার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম আয়ারল্যান্ড। ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার দাবিতে আয়ারল্যান্ডে বহুবার বিক্ষোভ হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে একজন খেলোয়াড় আসন্ন ম্যাচ খেলার বিষয়ে প্রধান কোচের কাছে অস্বস্তি প্রকাশ করেন। এরপরই ভোট গ্রহণের আয়োজন করা হয়।
ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ডের (এফএআই) প্রধান নির্বাহী ডেভিড কোরেল বলেন, ‘৯০ মিনিটের মধ্যে আমরা দলের সদস্যদের ভোট গ্রহণ করি, যাতে ম্যাচটি খেলার বিষয়ে তাদের মনোভাব বোঝা যায়। এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠ খেলোয়াড় খেলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দেন। এর ভিত্তিতে, আইরিশ ফুটবলের পক্ষ থেকে অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্ত নেয় যে, ম্যাচটি হবে, কারণ আমরা সবসময়ই নির্ধারিত ম্যাচগুলো খেলার পরিকল্পনা করে এসেছি।’
কোরেল জানান, শনিবার খেলোয়াড়দের মধ্যে চার ঘণ্টা ধরে আলোচনা চলে এবং কোনো কোনো পর্যায়ে কোচিং স্টাফ ও নির্বাহী কর্মকর্তারাও অংশ নেন। তবে কতজন খেলোয়াড় ভোট দিয়েছেন, সেটির বিস্তারিত প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানান প্রধান নির্বাহী।
চলতি আন্তর্জাতিক বিরতির বাকি দিনগুলোতে আয়ারল্যান্ডের খেলোয়াড়রা আর কোনো সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন না।
ইসরায়েলের সব হোম ম্যাচ ডেব্রাসেনে হওয়ার কথা। আগামী ৪ অক্টোবর ইসরায়েলের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের হোম ম্যাচটি সার্বিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ম্যাচটি হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।

খেলোয়াড়দের ভোটে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত আয়ারল্যান্ডের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

উয়েফা নেশন্স লিগে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলা নিয়ে নিজেদের অবস্থান চূড়ান্ত করেছে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড। ম্যাচটি খেলা হবে কি না-তা নিয়ে দলের মধ্যে ভোটাভুটির পর খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাঙ্গেরির ডেব্রাসেনে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) হওয়ার কথা ম্যাচটি। ম্যাচের আগের দিন আয়ারল্যান্ড তাদের নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে।
গত ফেব্রুয়ারিতে নেশন্স লিগের ড্রয়ে এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তাদের ম্যাচ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সোচ্চার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম আয়ারল্যান্ড। ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার দাবিতে আয়ারল্যান্ডে বহুবার বিক্ষোভ হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে একজন খেলোয়াড় আসন্ন ম্যাচ খেলার বিষয়ে প্রধান কোচের কাছে অস্বস্তি প্রকাশ করেন। এরপরই ভোট গ্রহণের আয়োজন করা হয়।
ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ডের (এফএআই) প্রধান নির্বাহী ডেভিড কোরেল বলেন, ‘৯০ মিনিটের মধ্যে আমরা দলের সদস্যদের ভোট গ্রহণ করি, যাতে ম্যাচটি খেলার বিষয়ে তাদের মনোভাব বোঝা যায়। এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠ খেলোয়াড় খেলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দেন। এর ভিত্তিতে, আইরিশ ফুটবলের পক্ষ থেকে অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্ত নেয় যে, ম্যাচটি হবে, কারণ আমরা সবসময়ই নির্ধারিত ম্যাচগুলো খেলার পরিকল্পনা করে এসেছি।’
কোরেল জানান, শনিবার খেলোয়াড়দের মধ্যে চার ঘণ্টা ধরে আলোচনা চলে এবং কোনো কোনো পর্যায়ে কোচিং স্টাফ ও নির্বাহী কর্মকর্তারাও অংশ নেন। তবে কতজন খেলোয়াড় ভোট দিয়েছেন, সেটির বিস্তারিত প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানান প্রধান নির্বাহী।
চলতি আন্তর্জাতিক বিরতির বাকি দিনগুলোতে আয়ারল্যান্ডের খেলোয়াড়রা আর কোনো সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন না।
ইসরায়েলের সব হোম ম্যাচ ডেব্রাসেনে হওয়ার কথা। আগামী ৪ অক্টোবর ইসরায়েলের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের হোম ম্যাচটি সার্বিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ম্যাচটি হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।

দেশের হয়ে খেলার জন্য ১০ লাখ ডলারের প্রস্তাব ফেরালেন স্যান্টনার







