
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছিলেন এমবাপ্পে। দল এগিয়ে ২-০ ব্যবধানে। এমবাপ্পে নিজেও পেয়েছেন গোল। তাই আর ঝুঁকি নেননি ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম। ৭৭ মিনিটে এমবাপ্পেকে মাঠ থেকে তুলে নেন।
৬৬ মিনিটে বল পেয়ে সামনে এগিয়ে যান উসমান দেম্বেলে। নিচের কোণ লক্ষ্য করে নেওয়া তার শটে বল জালে জড়ায়। চলতি বিশ্বকাপে এটি দেম্বেলের পঞ্চম গোল। দুই গোলে এগিয়ে থেকে ফ্রান্স যেন অনেকটাই ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। তবে চলতি বিশ্বকাপ এর আগেই দেখেছে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও কিভাবে ফিরে আসা যায়। মরক্কো পারবে তো ফিরে আসতে নাকি ফরাসিরা আরও ব্যবধান বাড়াবে।

ম্যাচের ৬০ মিনিটে অবশেষে এমবাপ্পের গোলেই এগিয়ে গেলো ফ্রান্স। বক্সের কাছাকাছি জায়গা থেকে দারুণ এক শটে বল জালে পাঠান ফরাসি তারকা। চলতি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলে মেসিকে ছুঁয়ে ফেললেন এমবাপ্পে। দুইজনেরই গোল হলো ৮টি করে।
প্রথমার্ধে মরক্কো তেমন কিছুই করতে পারেনি, গোলমুখে শট নেয় মাত্র একটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করছে আফ্রিকার দলটি। ৫৫ মিনিটের সময় গোল পেতে পারতো ফ্রান্স। দুয়ের শট রুখে দেন বুনু। পরের মিনিটে মরক্কোর বক্সে বল পেয়ে উড়িয়ে মারেন এমবাপ্পে।
টাইব্রেকারসহ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত প্রতিপক্ষের নেওয়া ৯টি পেনাল্টির মুখোমুখি হয়েছেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। এর মধ্যে মাত্র ২টিতে তিনি পরাস্ত হয়েছেন। বাকি ৭টির মধ্যে ৪টি তিনি ঠেকিয়েছেন, আর ৩টি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।
এদিকে ফ্রান্সের হয়ে টানা ১৫টি পেনাল্টি ও স্পট-কিক সফলভাবে জালে জড়িয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এবারই প্রথম তিনি ব্যর্থ হলেন। এর আগে ফ্রান্সের জার্সিতে এমবাপ্পে সর্বশেষ পেনাল্টি মিস করেছিলেন ২০২০ ইউরোর শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে টাইব্রেকারে।

ফ্রান্স-মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে। প্রথমার্ধে বল দখলে দুই দল প্রায় সমান থাকলেও গোলে শট নিয়েছে ফরাসিরা। প্রথমার্ধে ফ্রান্স মোট ১৩টি শট নিয়েছে গোলের জন্য। যার ৩টি ছিল লক্ষ্যে। মরক্কো নেয় একটি মাত্র শট।
২৬ মিনিটে পাল্টা-আক্রমণে বল নিয়ে মরক্কোর রক্ষণে ঢুকে পড়েন এমবাপ্পে। তাকে থামাতে ফাউল করেন নুসাইর মাজরাউয়ি। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে ভিএআর চেক করা হয়। পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
তবে পেনাল্টি থেকে গোল করলে ব্যর্থ হন এমবাপ্পে। তার শট নিজের বাঁ-দিকে ঝাপিয়ে রুখে দেন মরক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বুনো। চলতি বিশ্বকাপে এ নিয়ে পঞ্চমবার পেনাল্টি থেকে (টাইব্রেকার বাদে) গোল করতে ব্যর্থ হলেন খেলোয়াড়।
পেনাল্টি ঠেকানোর পর দুয়ের একটি দুর্দান্ত শটও রুখে দেন মরক্কোর গোলকিপার বুনু। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফ্রান্সকে হতাশ করে ক্রসবার। বক্সের বাইরে থেকে লূকাস দিনিয়ের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
ম্যাচের প্রথমার্ধ দেখে মনে হতেই পারে খেলা চলছে ফ্রান্স বনাম ইয়াসিন বুনু। দুটি ফ্রি-কিক পেয়ে কিছুই করতে পারেননি মরক্কোর আশরাফ হাকিমি। একটি মারেন উড়িয়ে আরেকটি পাশ দিয়ে।

২৬ মিনিটে পাল্টা-আক্রমণে বল নিয়ে মরক্কোর রক্ষণে ঢুকে পড়েন এমবাপ্পে। তাকে থামাতে ফাউল করেন নুসাইর মাজরাউয়ি। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে ভিএআর চেক করা হয়। পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
তবে পেনাল্টি থেকে গোল করলে ব্যর্থ হন এমবাপ্পে। তার শট নিজের বাঁ-দিকে ঝাপিয়ে রুখে দেন মরক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বুনো। পেনাল্টি মিস করে বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে এমবাপ্পেকে। চলতি বিশ্বকাপে এ নিয়ে পঞ্চমবার পেনাল্টি থেকে (টাইব্রেকার বাদে) গোল করতে ব্যর্থ হলেন খেলোয়াড়।

ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে আক্রমণে এগিয় ছিল ফ্রান্সই। একাধিকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল তারা, তবে এখনো গোল আসেনি। অন্য দিকে মরক্কো পাল্টা আক্রমণের ওপর নির্ভর করে খেলার চেষ্টা করছে। তবে ফ্রান্সকে পরীক্ষায় ফলার মতো তেমন কোনো আক্রমণ তারা গড়তে পারেনি।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে প্রথমে কিলিয়ান এমবাপ্পের শট মরক্কো গগোলকিপার রুখে দেন কর্নারের বিনিময়ে। সেই কর্নার থেকেও গোলের জন্য শট নেয় ফ্রান্স। তবে আবারও তাদের হতাশ করেন মরক্কোর গোলিকপার। প্রথম পাঁচ মিনিটে ফ্রান্স গোলের জন্য দুটি শট নিলেও মরক্কো একটিও নিতে পারেনি।
ফ্রান্স একাদশ: মাইক মাইনিয়ঁ, জুলস কুন্দে, উইলিয়াম সালিবা, দায়োত উপামেকানো, লুকাস দিনিয়ে, আদ্রিয়াঁ রাবিও, দেজিরে দুয়ে, মানু কোনো, মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপ্পে।
মরক্কো একাদশ: ইয়াসিন বুনু, নুসাইর মাজরাউয়ি, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, আইয়ুব বুয়াদ্দি, নিল এল আয়নাউয়ি, ব্রাহিম দিয়াজ, আজ্জেদিন উনাহি শেমসদিন তালবি, বিলাল এল খান্নুস।