ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ জানালেন মেসি

ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ জানালেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

মিসরের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলো বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে নাটকীয় এই জয়ের পর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিতের আনন্দে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন লিওনেল মেসি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিসের তীব্র হতাশা আর ম্যাচ বাঁচানোর প্রবল চাপ থেকে মুক্তি পেয়েই মূলত এই আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয় বলে ম্যাচ শেষে জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য আলবিসেলেস্তেদের চেপে ধরেছিল মিসর। ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় আফ্রিকান দলটি। এর কিছুক্ষণ পরই সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা, যখন বক্সের ভেতর নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে ফাউল করেন হাইসেম হাসান। কিন্তু ২১ মিনিটে নেওয়া মেসির পেনাল্টি শটটি সহজেই রুখে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। বিশ্বকাপে নিজের আটটি পেনাল্টির মধ্যে চারটিতেই ব্যর্থ হওয়া মেসির চোখে-মুখে তখন স্পষ্ট ফুটে উঠছিল ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা। এরপর ৬৭ মিনিটে দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে মুস্তাফা জিকো গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে আর্জেন্টিনাকে খাদের কিনারায় ঠেলে দেয় মিসর।
তবে হারের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেনা মন্ত্রে দীক্ষিত লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা হাল ছাড়েননি। ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর দারুণ এক হেডে ব্যবধান কমানোর পর মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে মাত্র ১৩ মিনিটের এক রোমাঞ্চকর ঝড়ে ম্যাচের ভাগ্য নিজেদের পক্ষে গড়ে নেয় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই ৩-২ ব্যবধানের অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে তারা।
খেলা শেষে মিক্সড জোনে নিজের মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মেসি বলেন, ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ফিরে আসা মোটেও সহজ ছিল না। পেনাল্টি মিসের কারণে তিনি প্রচণ্ড হতাশ ছিলেন এবং ভাবছিলেন তার ওই গোলেই খেলার পুরো চিত্র বদলে যেতে পারত। তবে দলের এই অবিশ্বাস্য লড়াই ও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা তাকে আপ্লুত করেছে। সতীর্থদের সাথে উদযাপনের সময় চোখের পানি ফেলার ব্যাখ্যায় তিনি এটিকে এক ধরণের 'স্বস্তি' হিসেবে উল্লেখ করেন। এই মহানাটকীয় জয়ের সুবাদে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

মিসরের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলো বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে নাটকীয় এই জয়ের পর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিতের আনন্দে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন লিওনেল মেসি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিসের তীব্র হতাশা আর ম্যাচ বাঁচানোর প্রবল চাপ থেকে মুক্তি পেয়েই মূলত এই আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয় বলে ম্যাচ শেষে জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য আলবিসেলেস্তেদের চেপে ধরেছিল মিসর। ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় আফ্রিকান দলটি। এর কিছুক্ষণ পরই সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা, যখন বক্সের ভেতর নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে ফাউল করেন হাইসেম হাসান। কিন্তু ২১ মিনিটে নেওয়া মেসির পেনাল্টি শটটি সহজেই রুখে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। বিশ্বকাপে নিজের আটটি পেনাল্টির মধ্যে চারটিতেই ব্যর্থ হওয়া মেসির চোখে-মুখে তখন স্পষ্ট ফুটে উঠছিল ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা। এরপর ৬৭ মিনিটে দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে মুস্তাফা জিকো গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে আর্জেন্টিনাকে খাদের কিনারায় ঠেলে দেয় মিসর।
তবে হারের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেনা মন্ত্রে দীক্ষিত লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা হাল ছাড়েননি। ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর দারুণ এক হেডে ব্যবধান কমানোর পর মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে মাত্র ১৩ মিনিটের এক রোমাঞ্চকর ঝড়ে ম্যাচের ভাগ্য নিজেদের পক্ষে গড়ে নেয় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই ৩-২ ব্যবধানের অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে তারা।
খেলা শেষে মিক্সড জোনে নিজের মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মেসি বলেন, ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ফিরে আসা মোটেও সহজ ছিল না। পেনাল্টি মিসের কারণে তিনি প্রচণ্ড হতাশ ছিলেন এবং ভাবছিলেন তার ওই গোলেই খেলার পুরো চিত্র বদলে যেতে পারত। তবে দলের এই অবিশ্বাস্য লড়াই ও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা তাকে আপ্লুত করেছে। সতীর্থদের সাথে উদযাপনের সময় চোখের পানি ফেলার ব্যাখ্যায় তিনি এটিকে এক ধরণের 'স্বস্তি' হিসেবে উল্লেখ করেন। এই মহানাটকীয় জয়ের সুবাদে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ জানালেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

মিসরের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলো বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে নাটকীয় এই জয়ের পর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিতের আনন্দে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন লিওনেল মেসি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিসের তীব্র হতাশা আর ম্যাচ বাঁচানোর প্রবল চাপ থেকে মুক্তি পেয়েই মূলত এই আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয় বলে ম্যাচ শেষে জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য আলবিসেলেস্তেদের চেপে ধরেছিল মিসর। ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় আফ্রিকান দলটি। এর কিছুক্ষণ পরই সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা, যখন বক্সের ভেতর নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে ফাউল করেন হাইসেম হাসান। কিন্তু ২১ মিনিটে নেওয়া মেসির পেনাল্টি শটটি সহজেই রুখে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। বিশ্বকাপে নিজের আটটি পেনাল্টির মধ্যে চারটিতেই ব্যর্থ হওয়া মেসির চোখে-মুখে তখন স্পষ্ট ফুটে উঠছিল ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা। এরপর ৬৭ মিনিটে দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে মুস্তাফা জিকো গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে আর্জেন্টিনাকে খাদের কিনারায় ঠেলে দেয় মিসর।
তবে হারের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেনা মন্ত্রে দীক্ষিত লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা হাল ছাড়েননি। ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর দারুণ এক হেডে ব্যবধান কমানোর পর মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে মাত্র ১৩ মিনিটের এক রোমাঞ্চকর ঝড়ে ম্যাচের ভাগ্য নিজেদের পক্ষে গড়ে নেয় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই ৩-২ ব্যবধানের অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে তারা।
খেলা শেষে মিক্সড জোনে নিজের মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মেসি বলেন, ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ফিরে আসা মোটেও সহজ ছিল না। পেনাল্টি মিসের কারণে তিনি প্রচণ্ড হতাশ ছিলেন এবং ভাবছিলেন তার ওই গোলেই খেলার পুরো চিত্র বদলে যেতে পারত। তবে দলের এই অবিশ্বাস্য লড়াই ও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা তাকে আপ্লুত করেছে। সতীর্থদের সাথে উদযাপনের সময় চোখের পানি ফেলার ব্যাখ্যায় তিনি এটিকে এক ধরণের 'স্বস্তি' হিসেবে উল্লেখ করেন। এই মহানাটকীয় জয়ের সুবাদে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপে ৯৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

