মনে হচ্ছিল আমরা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিচ্ছি: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

মনে হচ্ছিল আমরা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিচ্ছি: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

রোমাঞ্চকর ও স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তবে শেষ ষোলোর এই অবিশ্বাস্য জয়ের পরও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারছেন না আলবিসেলেস্তেদের অতন্দ্র প্রহরী এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে এ তারকা গোলরক্ষক অকপটে স্বীকার করেছেন, ম্যাচের একপর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের জোরালো শঙ্কা জেঁকে বসেছিল তার মনে।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মার্তিনেজ জানান, দল যখন ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল, তখন তার মনে হচ্ছিল তিনি দলের জন্য কিছুই করতে পারছেন না। এই অসহায়ত্বের অনুভূতি তাকে বেশ পুড়িয়েছে। তাই সামনের ম্যাচগুলোতে দলের প্রয়োজনে আরও বড় ভূমিকা রাখার তাগিদ অনুভব করছেন তিনি। বিগত কয়েকটি ম্যাচে সতীর্থদের অসাধারণ নৈপুণ্য তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে উল্লেখ করে এবার নিজে ত্রাতা হয়ে ওঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ‘দিবু’।
ম্যাচের প্রথমার্ধে অধিনায়ক লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিসের বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন এ গোলরক্ষক। তিনি জানান, বিরতির সময় ড্রেসিংরুমে মেসি তীব্র অপরাধবোধে ভুগছিলেন। তবে মার্তিনেজ সবাইকে মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘ বছর ধরে মেসিই অসংখ্যবার খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন। ফলে এমন কঠিন মুহূর্তে দলের অন্য খেলোয়াড়দেরই বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলার কারণও খোলাসা করেছেন এই গোলরক্ষক। তিনি বলেন, একসময় বিদায়ের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হওয়া এবং নিজের সেরাটা দিতে না পারার আক্ষেপ থেকেই মূলত তার চোখে জল চলে এসেছিল। দেশের মানুষকে তারা কখনোই হতাশ করতে চান না এবং আর্জেন্টিনার জার্সিতে সবসময় সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিতে চান। সবশেষে বিশ্বকাপজয়ী এ গোলরক্ষক উল্লেখ করেন, কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে টানা দুটি কঠিন ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সামনের আরও বড় পরীক্ষাগুলোর জন্য দলকে মানসিকভাবে শক্তিশালী ও প্রস্তুত করবে।

রোমাঞ্চকর ও স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তবে শেষ ষোলোর এই অবিশ্বাস্য জয়ের পরও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারছেন না আলবিসেলেস্তেদের অতন্দ্র প্রহরী এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে এ তারকা গোলরক্ষক অকপটে স্বীকার করেছেন, ম্যাচের একপর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের জোরালো শঙ্কা জেঁকে বসেছিল তার মনে।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মার্তিনেজ জানান, দল যখন ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল, তখন তার মনে হচ্ছিল তিনি দলের জন্য কিছুই করতে পারছেন না। এই অসহায়ত্বের অনুভূতি তাকে বেশ পুড়িয়েছে। তাই সামনের ম্যাচগুলোতে দলের প্রয়োজনে আরও বড় ভূমিকা রাখার তাগিদ অনুভব করছেন তিনি। বিগত কয়েকটি ম্যাচে সতীর্থদের অসাধারণ নৈপুণ্য তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে উল্লেখ করে এবার নিজে ত্রাতা হয়ে ওঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ‘দিবু’।
ম্যাচের প্রথমার্ধে অধিনায়ক লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিসের বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন এ গোলরক্ষক। তিনি জানান, বিরতির সময় ড্রেসিংরুমে মেসি তীব্র অপরাধবোধে ভুগছিলেন। তবে মার্তিনেজ সবাইকে মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘ বছর ধরে মেসিই অসংখ্যবার খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন। ফলে এমন কঠিন মুহূর্তে দলের অন্য খেলোয়াড়দেরই বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলার কারণও খোলাসা করেছেন এই গোলরক্ষক। তিনি বলেন, একসময় বিদায়ের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হওয়া এবং নিজের সেরাটা দিতে না পারার আক্ষেপ থেকেই মূলত তার চোখে জল চলে এসেছিল। দেশের মানুষকে তারা কখনোই হতাশ করতে চান না এবং আর্জেন্টিনার জার্সিতে সবসময় সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিতে চান। সবশেষে বিশ্বকাপজয়ী এ গোলরক্ষক উল্লেখ করেন, কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে টানা দুটি কঠিন ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সামনের আরও বড় পরীক্ষাগুলোর জন্য দলকে মানসিকভাবে শক্তিশালী ও প্রস্তুত করবে।

মনে হচ্ছিল আমরা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিচ্ছি: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

রোমাঞ্চকর ও স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তবে শেষ ষোলোর এই অবিশ্বাস্য জয়ের পরও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারছেন না আলবিসেলেস্তেদের অতন্দ্র প্রহরী এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে এ তারকা গোলরক্ষক অকপটে স্বীকার করেছেন, ম্যাচের একপর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের জোরালো শঙ্কা জেঁকে বসেছিল তার মনে।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মার্তিনেজ জানান, দল যখন ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল, তখন তার মনে হচ্ছিল তিনি দলের জন্য কিছুই করতে পারছেন না। এই অসহায়ত্বের অনুভূতি তাকে বেশ পুড়িয়েছে। তাই সামনের ম্যাচগুলোতে দলের প্রয়োজনে আরও বড় ভূমিকা রাখার তাগিদ অনুভব করছেন তিনি। বিগত কয়েকটি ম্যাচে সতীর্থদের অসাধারণ নৈপুণ্য তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে উল্লেখ করে এবার নিজে ত্রাতা হয়ে ওঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ‘দিবু’।
ম্যাচের প্রথমার্ধে অধিনায়ক লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিসের বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন এ গোলরক্ষক। তিনি জানান, বিরতির সময় ড্রেসিংরুমে মেসি তীব্র অপরাধবোধে ভুগছিলেন। তবে মার্তিনেজ সবাইকে মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘ বছর ধরে মেসিই অসংখ্যবার খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন। ফলে এমন কঠিন মুহূর্তে দলের অন্য খেলোয়াড়দেরই বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলার কারণও খোলাসা করেছেন এই গোলরক্ষক। তিনি বলেন, একসময় বিদায়ের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হওয়া এবং নিজের সেরাটা দিতে না পারার আক্ষেপ থেকেই মূলত তার চোখে জল চলে এসেছিল। দেশের মানুষকে তারা কখনোই হতাশ করতে চান না এবং আর্জেন্টিনার জার্সিতে সবসময় সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিতে চান। সবশেষে বিশ্বকাপজয়ী এ গোলরক্ষক উল্লেখ করেন, কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে টানা দুটি কঠিন ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সামনের আরও বড় পরীক্ষাগুলোর জন্য দলকে মানসিকভাবে শক্তিশালী ও প্রস্তুত করবে।

ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ জানালেন মেসি

