মেসির বিষাদময় বিদায়

মেসির বিষাদময় বিদায়
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দশ বছর আগে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যে বিষাদের সূচনা হয়েছিল, ঠিক এক দশক পর সেই একই মাঠে থমকে গেল লিওনেল মেসির আরেকটি স্বপ্ন। হাতছোঁয়া দূরত্বে থাকা দ্বিতীয় বিশ্বকাপটি আর স্পর্শ করা হলো না তার। ফাইনালে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্বের কাছে হেরে ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবল জাদুকরের বিশ্বকাপের শেষটা হলো চরম হতাশায়। পুরো ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে থাকলেও, অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায় নেওয়ার আগে আর্জেন্টিনাকে শিরোপার মঞ্চে তোলার মূল কারিগর ছিলেন মেসিই।
ফাইনালের রাতটি নিজের মতো করে সাজাতে না পারলেও পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ছিলেন অনবদ্য। দলকে ফাইনালে তুলতে নিজে করেছেন ৮টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি। প্রতিটি সংকটের মুহূর্তে অধিনায়ক হিসেবে দেখিয়েছেন পথ। ২০১৬ সালের ট্রফিহীন, হতাশ মেসির সঙ্গে আজকের মেসির অনেক তফাত। তখন তিনি ছিলেন জাতীয় দলের হয়ে কিছু না জেতার বোঝা বয়ে বেড়ানো এক ক্লান্ত অধিনায়ক।
আজ তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, দুটি কোপা আমেরিকা ও একটি ফিনালিসিমা জয়ী এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ফলে এবার তিনি ব্যর্থ মানুষ হিসেবে ফিরছেন না। মেসি ফিরছেন একটি বিশ্বকাপ ও তিনটি গোল্ডেন বলের মহিমান্বিত গৌরব নিয়ে- যার সঙ্গে শুধু থেকে যাচ্ছে শেষবার ট্রফিটা আরেকবার না ছুঁতে পারার কিছুটা আফসোস।
রোজারিও থেকে বার্সেলোনা, বুয়েনস এইরেস থেকে দোহা, আর সেখান থেকে নিউ জার্সি- মেসির এ দীর্ঘ পথচলা আসলে ফুটবলের অমরত্ব ছোঁয়ার গল্প। দ্বিতীয়বার বিশ্বজয়ের স্বাদ না পেলেও বিশ্বমঞ্চে তার অবদান ফুটবল ইতিহাস চিরকাল মনে রাখবে।

দশ বছর আগে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যে বিষাদের সূচনা হয়েছিল, ঠিক এক দশক পর সেই একই মাঠে থমকে গেল লিওনেল মেসির আরেকটি স্বপ্ন। হাতছোঁয়া দূরত্বে থাকা দ্বিতীয় বিশ্বকাপটি আর স্পর্শ করা হলো না তার। ফাইনালে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্বের কাছে হেরে ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবল জাদুকরের বিশ্বকাপের শেষটা হলো চরম হতাশায়। পুরো ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে থাকলেও, অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায় নেওয়ার আগে আর্জেন্টিনাকে শিরোপার মঞ্চে তোলার মূল কারিগর ছিলেন মেসিই।
ফাইনালের রাতটি নিজের মতো করে সাজাতে না পারলেও পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ছিলেন অনবদ্য। দলকে ফাইনালে তুলতে নিজে করেছেন ৮টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি। প্রতিটি সংকটের মুহূর্তে অধিনায়ক হিসেবে দেখিয়েছেন পথ। ২০১৬ সালের ট্রফিহীন, হতাশ মেসির সঙ্গে আজকের মেসির অনেক তফাত। তখন তিনি ছিলেন জাতীয় দলের হয়ে কিছু না জেতার বোঝা বয়ে বেড়ানো এক ক্লান্ত অধিনায়ক।
আজ তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, দুটি কোপা আমেরিকা ও একটি ফিনালিসিমা জয়ী এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ফলে এবার তিনি ব্যর্থ মানুষ হিসেবে ফিরছেন না। মেসি ফিরছেন একটি বিশ্বকাপ ও তিনটি গোল্ডেন বলের মহিমান্বিত গৌরব নিয়ে- যার সঙ্গে শুধু থেকে যাচ্ছে শেষবার ট্রফিটা আরেকবার না ছুঁতে পারার কিছুটা আফসোস।
রোজারিও থেকে বার্সেলোনা, বুয়েনস এইরেস থেকে দোহা, আর সেখান থেকে নিউ জার্সি- মেসির এ দীর্ঘ পথচলা আসলে ফুটবলের অমরত্ব ছোঁয়ার গল্প। দ্বিতীয়বার বিশ্বজয়ের স্বাদ না পেলেও বিশ্বমঞ্চে তার অবদান ফুটবল ইতিহাস চিরকাল মনে রাখবে।

মেসির বিষাদময় বিদায়
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দশ বছর আগে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যে বিষাদের সূচনা হয়েছিল, ঠিক এক দশক পর সেই একই মাঠে থমকে গেল লিওনেল মেসির আরেকটি স্বপ্ন। হাতছোঁয়া দূরত্বে থাকা দ্বিতীয় বিশ্বকাপটি আর স্পর্শ করা হলো না তার। ফাইনালে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্বের কাছে হেরে ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবল জাদুকরের বিশ্বকাপের শেষটা হলো চরম হতাশায়। পুরো ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে থাকলেও, অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায় নেওয়ার আগে আর্জেন্টিনাকে শিরোপার মঞ্চে তোলার মূল কারিগর ছিলেন মেসিই।
ফাইনালের রাতটি নিজের মতো করে সাজাতে না পারলেও পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ছিলেন অনবদ্য। দলকে ফাইনালে তুলতে নিজে করেছেন ৮টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি। প্রতিটি সংকটের মুহূর্তে অধিনায়ক হিসেবে দেখিয়েছেন পথ। ২০১৬ সালের ট্রফিহীন, হতাশ মেসির সঙ্গে আজকের মেসির অনেক তফাত। তখন তিনি ছিলেন জাতীয় দলের হয়ে কিছু না জেতার বোঝা বয়ে বেড়ানো এক ক্লান্ত অধিনায়ক।
আজ তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, দুটি কোপা আমেরিকা ও একটি ফিনালিসিমা জয়ী এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ফলে এবার তিনি ব্যর্থ মানুষ হিসেবে ফিরছেন না। মেসি ফিরছেন একটি বিশ্বকাপ ও তিনটি গোল্ডেন বলের মহিমান্বিত গৌরব নিয়ে- যার সঙ্গে শুধু থেকে যাচ্ছে শেষবার ট্রফিটা আরেকবার না ছুঁতে পারার কিছুটা আফসোস।
রোজারিও থেকে বার্সেলোনা, বুয়েনস এইরেস থেকে দোহা, আর সেখান থেকে নিউ জার্সি- মেসির এ দীর্ঘ পথচলা আসলে ফুটবলের অমরত্ব ছোঁয়ার গল্প। দ্বিতীয়বার বিশ্বজয়ের স্বাদ না পেলেও বিশ্বমঞ্চে তার অবদান ফুটবল ইতিহাস চিরকাল মনে রাখবে।

বিশ্বজয়ের উৎসবে ইয়ামালের সঙ্গে আলো ছড়ালো ভাই কেইন





