নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরি, আজিজুলেরও শতক

নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরি, আজিজুলেরও শতক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে শেখ পারভেজ রহমান যখন আউট হলেন, তখন ৮০ রানও হয়নি আজিজুল হাকিমের। সেখান থেকে শেষ ব্যাটসম্যানকে নিয়ে শেষ জুটিতে যোগ করলেন ৬৭ রান, নিজেকে রাঙালেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিতে।
জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ডে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন আরেক বাঁহাতি ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। এবারের জাতীয় লিগের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি উপহার দিলেন রাজশাহীর তরুণ ব্যাটসম্যান নাঈম আহমেদ।
ঝড়ো ফিফটিতে রেকর্ড গড়লেও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি পাননি জাওয়াদ আবরার।
আজিজুলের ১৪২: সিলেটের আউটার মাঠে জমে উঠেছে খুলনা ও চট্টগ্রাম ম্যাচ। শেষ দিন জয়ের জন্য চট্টগ্রামের করতে হবে ১০১ রান। খুলনার নিতে হবে ৫ উইকেট।
দিনের শুরু থেকেই চমৎকার ব্যাটিং করেন আজিজুল। সফর আলিকে নিয়ে দশম উইকেটে আরও ৬৭ রান যোগ করেন আজিজুল। জুটিতে সফরের অবদান ২১ বলে ০ রান!
৭০ ওভারে খুলনা দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার পর শরিফের বলে পরপর দুই ছক্কায় ৮৮ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান আজিজুল। ৯ চার ও ১০ ছক্কায় তার ১৪৭ বলে ১৪২ রানের ইনিংস খেলেন আজিজুল।
৩২৩ রানে থামে খুলনার দ্বিতীয় ইনিংস। পরে ২৭৫ রানের লক্ষ্যে উড়ন্ত সূচনা করে চট্টগ্রাম। উদ্বোধনী জুটিতে ১৩০ রান যোগ করেন জয় ও সাদিকুর রহমান। সামিউন বশিরের কনকাশন বদলি হিসেবে নামা রাকিব হাওলাদের বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন জয়। ৭ চারে করেন তিনি ৬০ রান।
শেষ দিন দলকে জেতানোর অভিযানে নামবেন অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ও শামীম হোসেন।
নাঈম ২০২*, জাওয়াদ ৯১: আগের দিনই ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন নাঈম আহমেদ। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে যান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ২৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৬৭ বলে ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম। ২২৮ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী।
বড় লিডের বোঝা মাথায় নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন জাওয়াদ আবরার। ২২ বলে ফিফটি করে ফেলেন বরিশালের তরুণ ওপেনার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটিই দ্রুততম ফিফটি। রেকর্ড গড়া ইনিংসে সেঞ্চুরির সম্ভাবনাও জাগান জাওয়াদ। তবে শেষ পর্যন্ত ৯ রান বাকি থাকতে ফিরে যান ড্রেসিং রুমে। ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৯৪ বলের ইনিংসটি সাজান তিনি।
দিন শেষে খুলনার লিড ছাপিয়ে ২১ রানে এগিয়ে যায় বরিশাল।
অমিতের ৬ রানের অপেক্ষা: চট্টগ্রামে রংপুরের বোলার-ফিল্ডারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছে সিলেট। পুরো দিন ৮৬ ওভার ব্যাটিং করে মোটে ২০১ রান করেছে তারা। বিপরীতে অবশ্য হারিয়েছে ৮টি উইকেট।
তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের লিড এখন ২০৮ রানের। দিনের শুরুতে জাকির হাসানের বিদায়ের পর আর তেমন বড় কোনো জুটি পায়নি সিলেট। ৬ চারে ৯৪ রানে অপরাজিত অমিত।
ড্রয়ের পথে ময়মনসিং-ঢাকা: কক্সবাজারে তিন দিনেও শেষ হয়নি দুই দলের প্রথম ইনিংস। ময়মনসিংহের ৩৮৭ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৪২ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ করেন ১৩৫ রান। তিন ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয় শতরানের আশা জাগিয়ে কাছে গিয়ে থমকে যান তাইবুর। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ১৪৮ বলে তিনি খেলেন ৯৩ রানের ইনিংস।

নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে শেখ পারভেজ রহমান যখন আউট হলেন, তখন ৮০ রানও হয়নি আজিজুল হাকিমের। সেখান থেকে শেষ ব্যাটসম্যানকে নিয়ে শেষ জুটিতে যোগ করলেন ৬৭ রান, নিজেকে রাঙালেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিতে।
জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ডে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন আরেক বাঁহাতি ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। এবারের জাতীয় লিগের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি উপহার দিলেন রাজশাহীর তরুণ ব্যাটসম্যান নাঈম আহমেদ।
ঝড়ো ফিফটিতে রেকর্ড গড়লেও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি পাননি জাওয়াদ আবরার।
আজিজুলের ১৪২: সিলেটের আউটার মাঠে জমে উঠেছে খুলনা ও চট্টগ্রাম ম্যাচ। শেষ দিন জয়ের জন্য চট্টগ্রামের করতে হবে ১০১ রান। খুলনার নিতে হবে ৫ উইকেট।
দিনের শুরু থেকেই চমৎকার ব্যাটিং করেন আজিজুল। সফর আলিকে নিয়ে দশম উইকেটে আরও ৬৭ রান যোগ করেন আজিজুল। জুটিতে সফরের অবদান ২১ বলে ০ রান!
৭০ ওভারে খুলনা দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার পর শরিফের বলে পরপর দুই ছক্কায় ৮৮ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান আজিজুল। ৯ চার ও ১০ ছক্কায় তার ১৪৭ বলে ১৪২ রানের ইনিংস খেলেন আজিজুল।
৩২৩ রানে থামে খুলনার দ্বিতীয় ইনিংস। পরে ২৭৫ রানের লক্ষ্যে উড়ন্ত সূচনা করে চট্টগ্রাম। উদ্বোধনী জুটিতে ১৩০ রান যোগ করেন জয় ও সাদিকুর রহমান। সামিউন বশিরের কনকাশন বদলি হিসেবে নামা রাকিব হাওলাদের বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন জয়। ৭ চারে করেন তিনি ৬০ রান।
শেষ দিন দলকে জেতানোর অভিযানে নামবেন অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ও শামীম হোসেন।
নাঈম ২০২*, জাওয়াদ ৯১: আগের দিনই ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন নাঈম আহমেদ। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে যান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ২৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৬৭ বলে ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম। ২২৮ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী।
বড় লিডের বোঝা মাথায় নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন জাওয়াদ আবরার। ২২ বলে ফিফটি করে ফেলেন বরিশালের তরুণ ওপেনার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটিই দ্রুততম ফিফটি। রেকর্ড গড়া ইনিংসে সেঞ্চুরির সম্ভাবনাও জাগান জাওয়াদ। তবে শেষ পর্যন্ত ৯ রান বাকি থাকতে ফিরে যান ড্রেসিং রুমে। ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৯৪ বলের ইনিংসটি সাজান তিনি।
দিন শেষে খুলনার লিড ছাপিয়ে ২১ রানে এগিয়ে যায় বরিশাল।
অমিতের ৬ রানের অপেক্ষা: চট্টগ্রামে রংপুরের বোলার-ফিল্ডারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছে সিলেট। পুরো দিন ৮৬ ওভার ব্যাটিং করে মোটে ২০১ রান করেছে তারা। বিপরীতে অবশ্য হারিয়েছে ৮টি উইকেট।
তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের লিড এখন ২০৮ রানের। দিনের শুরুতে জাকির হাসানের বিদায়ের পর আর তেমন বড় কোনো জুটি পায়নি সিলেট। ৬ চারে ৯৪ রানে অপরাজিত অমিত।
ড্রয়ের পথে ময়মনসিং-ঢাকা: কক্সবাজারে তিন দিনেও শেষ হয়নি দুই দলের প্রথম ইনিংস। ময়মনসিংহের ৩৮৭ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৪২ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ করেন ১৩৫ রান। তিন ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয় শতরানের আশা জাগিয়ে কাছে গিয়ে থমকে যান তাইবুর। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ১৪৮ বলে তিনি খেলেন ৯৩ রানের ইনিংস।

নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরি, আজিজুলেরও শতক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে শেখ পারভেজ রহমান যখন আউট হলেন, তখন ৮০ রানও হয়নি আজিজুল হাকিমের। সেখান থেকে শেষ ব্যাটসম্যানকে নিয়ে শেষ জুটিতে যোগ করলেন ৬৭ রান, নিজেকে রাঙালেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিতে।
জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ডে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন আরেক বাঁহাতি ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। এবারের জাতীয় লিগের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি উপহার দিলেন রাজশাহীর তরুণ ব্যাটসম্যান নাঈম আহমেদ।
ঝড়ো ফিফটিতে রেকর্ড গড়লেও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি পাননি জাওয়াদ আবরার।
আজিজুলের ১৪২: সিলেটের আউটার মাঠে জমে উঠেছে খুলনা ও চট্টগ্রাম ম্যাচ। শেষ দিন জয়ের জন্য চট্টগ্রামের করতে হবে ১০১ রান। খুলনার নিতে হবে ৫ উইকেট।
দিনের শুরু থেকেই চমৎকার ব্যাটিং করেন আজিজুল। সফর আলিকে নিয়ে দশম উইকেটে আরও ৬৭ রান যোগ করেন আজিজুল। জুটিতে সফরের অবদান ২১ বলে ০ রান!
৭০ ওভারে খুলনা দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার পর শরিফের বলে পরপর দুই ছক্কায় ৮৮ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান আজিজুল। ৯ চার ও ১০ ছক্কায় তার ১৪৭ বলে ১৪২ রানের ইনিংস খেলেন আজিজুল।
৩২৩ রানে থামে খুলনার দ্বিতীয় ইনিংস। পরে ২৭৫ রানের লক্ষ্যে উড়ন্ত সূচনা করে চট্টগ্রাম। উদ্বোধনী জুটিতে ১৩০ রান যোগ করেন জয় ও সাদিকুর রহমান। সামিউন বশিরের কনকাশন বদলি হিসেবে নামা রাকিব হাওলাদের বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন জয়। ৭ চারে করেন তিনি ৬০ রান।
শেষ দিন দলকে জেতানোর অভিযানে নামবেন অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ও শামীম হোসেন।
নাঈম ২০২*, জাওয়াদ ৯১: আগের দিনই ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন নাঈম আহমেদ। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে যান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ২৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৬৭ বলে ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম। ২২৮ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী।
বড় লিডের বোঝা মাথায় নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন জাওয়াদ আবরার। ২২ বলে ফিফটি করে ফেলেন বরিশালের তরুণ ওপেনার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটিই দ্রুততম ফিফটি। রেকর্ড গড়া ইনিংসে সেঞ্চুরির সম্ভাবনাও জাগান জাওয়াদ। তবে শেষ পর্যন্ত ৯ রান বাকি থাকতে ফিরে যান ড্রেসিং রুমে। ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৯৪ বলের ইনিংসটি সাজান তিনি।
দিন শেষে খুলনার লিড ছাপিয়ে ২১ রানে এগিয়ে যায় বরিশাল।
অমিতের ৬ রানের অপেক্ষা: চট্টগ্রামে রংপুরের বোলার-ফিল্ডারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছে সিলেট। পুরো দিন ৮৬ ওভার ব্যাটিং করে মোটে ২০১ রান করেছে তারা। বিপরীতে অবশ্য হারিয়েছে ৮টি উইকেট।
তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের লিড এখন ২০৮ রানের। দিনের শুরুতে জাকির হাসানের বিদায়ের পর আর তেমন বড় কোনো জুটি পায়নি সিলেট। ৬ চারে ৯৪ রানে অপরাজিত অমিত।
ড্রয়ের পথে ময়মনসিং-ঢাকা: কক্সবাজারে তিন দিনেও শেষ হয়নি দুই দলের প্রথম ইনিংস। ময়মনসিংহের ৩৮৭ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৪২ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ করেন ১৩৫ রান। তিন ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয় শতরানের আশা জাগিয়ে কাছে গিয়ে থমকে যান তাইবুর। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ১৪৮ বলে তিনি খেলেন ৯৩ রানের ইনিংস।

প্যারিসের জাদুঘর থেকে মেসির আর্মব্যান্ড ও জার্সি চুরি
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ঋতুপর্ণাদের উন্নতি







