সুপার ওভারে জিতলো যুবারা

সুপার ওভারে জিতলো যুবারা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। রুবাই ইসলাম রিজন যখন স্ট্রাইকিং এন্ডে গেলেন, ৪ বলে করতে হবে ১৪ রান। বাউন্ডারি মেরে তিনি বাঁচিয়ে রাখলেন আশা। পরের বলে এলো ২ রান। আমির হামজার পঞ্চম বলে ছক্কা! সমীকরণ নেমে এলো এক বলে ২ রান। শেষ বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারলেন না। তবু দৌড়ে প্রান্ত বদল করলেন রিজন ও শেখ আতিকুর রহমান।
শেষের নাটকীয়তায় সোমবার (১৯ অক্টোবর) দ্বিতীয় যুব ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ম্যাচ টাই হলো। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান দুই দলই ৩০৪ রান করে করেন। ম্যাচ টাই হওয়ায় চার ম্যাচ সিরিজে এখন ১-০ এগিয়ে বাংলাদেশ।
যুব ওয়ানডেতে এ নিয়ে তৃতীয়বার ‘টাই’ হলো বাংলাদেশের ম্যাচ। ২০০২ সালে কানাডা ও ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘টাই’ করেছিল বাংলাদেশ দল।
এদিন ব্যাট হাতে দলকে পরাজয়ের মুখ থেকে উদ্ধার করেন রিজন। বল হাতেও নেন ৪ উইকেট।
ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয় তৃতীয় পাওয়ার প্লে। শেষ ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে আফগান যুবারা। বিপরীতে ৬ উইকেট হাতে রেখে ৬০ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৬৮ রান। কিন্তু সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। রুবাই ইসলাম রিজন যখন স্ট্রাইকিং এন্ডে গেলেন, ৪ বলে করতে হবে ১৪ রান। বাউন্ডারি মেরে তিনি বাঁচিয়ে রাখলেন আশা। পরের বলে এলো ২ রান। আমির হামজার পঞ্চম বলে ছক্কা! সমীকরণ নেমে এলো এক বলে ২ রান। শেষ বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারলেন না। তবু দৌড়ে প্রান্ত বদল করলেন রিজন ও শেখ আতিকুর রহমান।
শেষের নাটকীয়তায় সোমবার (১৯ অক্টোবর) দ্বিতীয় যুব ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ম্যাচ টাই হলো। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান দুই দলই ৩০৪ রান করে করেন। ম্যাচ টাই হওয়ায় চার ম্যাচ সিরিজে এখন ১-০ এগিয়ে বাংলাদেশ।
যুব ওয়ানডেতে এ নিয়ে তৃতীয়বার ‘টাই’ হলো বাংলাদেশের ম্যাচ। ২০০২ সালে কানাডা ও ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘টাই’ করেছিল বাংলাদেশ দল।
এদিন ব্যাট হাতে দলকে পরাজয়ের মুখ থেকে উদ্ধার করেন রিজন। বল হাতেও নেন ৪ উইকেট।
ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয় তৃতীয় পাওয়ার প্লে। শেষ ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে আফগান যুবারা। বিপরীতে ৬ উইকেট হাতে রেখে ৬০ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৬৮ রান। কিন্তু সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি।

সুপার ওভারে জিতলো যুবারা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। রুবাই ইসলাম রিজন যখন স্ট্রাইকিং এন্ডে গেলেন, ৪ বলে করতে হবে ১৪ রান। বাউন্ডারি মেরে তিনি বাঁচিয়ে রাখলেন আশা। পরের বলে এলো ২ রান। আমির হামজার পঞ্চম বলে ছক্কা! সমীকরণ নেমে এলো এক বলে ২ রান। শেষ বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারলেন না। তবু দৌড়ে প্রান্ত বদল করলেন রিজন ও শেখ আতিকুর রহমান।
শেষের নাটকীয়তায় সোমবার (১৯ অক্টোবর) দ্বিতীয় যুব ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ম্যাচ টাই হলো। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান দুই দলই ৩০৪ রান করে করেন। ম্যাচ টাই হওয়ায় চার ম্যাচ সিরিজে এখন ১-০ এগিয়ে বাংলাদেশ।
যুব ওয়ানডেতে এ নিয়ে তৃতীয়বার ‘টাই’ হলো বাংলাদেশের ম্যাচ। ২০০২ সালে কানাডা ও ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘টাই’ করেছিল বাংলাদেশ দল।
এদিন ব্যাট হাতে দলকে পরাজয়ের মুখ থেকে উদ্ধার করেন রিজন। বল হাতেও নেন ৪ উইকেট।
ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয় তৃতীয় পাওয়ার প্লে। শেষ ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে আফগান যুবারা। বিপরীতে ৬ উইকেট হাতে রেখে ৬০ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৬৮ রান। কিন্তু সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি।

পরের ম্যাচে মিরাজকে পাওয়ার আশা কোচ সিমন্সের






