হোপের সেঞ্চুরিতে ৫০১ রানের টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

হোপের সেঞ্চুরিতে ৫০১ রানের টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতে রাঁচিতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫০১ রানের ম্যাচে ভারতের করা ২৪৯ রান ৯ বল হাতে রেখে টপকে যায় ক্যারিবিয়ানরা। মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে শেই হোপ। ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
৪৫ বলে সেঞ্চুরি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় দ্রুততম। এই সংস্করণে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয়ের নজির এটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে ২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় জিতে এই রেকর্ডের চূড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুটিই নেন মায়াঙ্ক যাদব। তৃতীয় উইকেটে রভমন পাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন ওপেনিংয়ে নামা হোপ। পাওয়েল ১৩ বলে ২৪ রান করে ফেরেন। তাকে বোল্ড করেন মায়াঙ্ক।

তবে পাওয়ার প্লেতে ক্যারিবিয়ানরা তোলে ৭২ রান। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৫৪ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ড। এই জুটিতেই ম্যাচে ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ বলে ফিফটি করেন হোপ। রাদারফোর্ডও ফিফটি পূর্ণ করেন ২৪ বলে।
৩৭ বলে ৭টি করে চার ও ছক্কায় ৮৪ রান করা রাদারফোর্ড আউট হলে জুটি ভাঙে। এরপর হোপের সঙ্গে যোগ দেন রোমারিও শেফার্ড। তিনি ৩টি করে চার ও ছক্কায় ১৩ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
শেষ এমন পরিস্থিতি যে জয়ের জন্য দরকার ৪ রান, সেঞ্চুরির জন্যও হোপের দরকার ৪ রানই। অক্ষর প্যাটেলের বলে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করে দলের জয়ও নিশ্চিত করেন শেই হোপ। তার ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ৯ ছক্কা।
ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ২০টি ছক্কা মারে, চার মারে ২১টি। অর্থাৎ ২০১ রানই তারা করে বাউন্ডারি থেকে। ঘরের মাঠে টানা ১০ টি-টোয়েন্টি জয়ের পর হারলো ভারত।
এর আগে সঞ্জু স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ ও তিনটি চল্লিশ ছোঁয়া ইনিংসে ভারত ২০ ওভারে তোলে ২৪৯ রান।
সিরিজে এখন ১-১ সমতা।

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতে রাঁচিতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫০১ রানের ম্যাচে ভারতের করা ২৪৯ রান ৯ বল হাতে রেখে টপকে যায় ক্যারিবিয়ানরা। মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে শেই হোপ। ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
৪৫ বলে সেঞ্চুরি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় দ্রুততম। এই সংস্করণে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয়ের নজির এটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে ২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় জিতে এই রেকর্ডের চূড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুটিই নেন মায়াঙ্ক যাদব। তৃতীয় উইকেটে রভমন পাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন ওপেনিংয়ে নামা হোপ। পাওয়েল ১৩ বলে ২৪ রান করে ফেরেন। তাকে বোল্ড করেন মায়াঙ্ক।

তবে পাওয়ার প্লেতে ক্যারিবিয়ানরা তোলে ৭২ রান। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৫৪ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ড। এই জুটিতেই ম্যাচে ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ বলে ফিফটি করেন হোপ। রাদারফোর্ডও ফিফটি পূর্ণ করেন ২৪ বলে।
৩৭ বলে ৭টি করে চার ও ছক্কায় ৮৪ রান করা রাদারফোর্ড আউট হলে জুটি ভাঙে। এরপর হোপের সঙ্গে যোগ দেন রোমারিও শেফার্ড। তিনি ৩টি করে চার ও ছক্কায় ১৩ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
শেষ এমন পরিস্থিতি যে জয়ের জন্য দরকার ৪ রান, সেঞ্চুরির জন্যও হোপের দরকার ৪ রানই। অক্ষর প্যাটেলের বলে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করে দলের জয়ও নিশ্চিত করেন শেই হোপ। তার ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ৯ ছক্কা।
ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ২০টি ছক্কা মারে, চার মারে ২১টি। অর্থাৎ ২০১ রানই তারা করে বাউন্ডারি থেকে। ঘরের মাঠে টানা ১০ টি-টোয়েন্টি জয়ের পর হারলো ভারত।
এর আগে সঞ্জু স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ ও তিনটি চল্লিশ ছোঁয়া ইনিংসে ভারত ২০ ওভারে তোলে ২৪৯ রান।
সিরিজে এখন ১-১ সমতা।

হোপের সেঞ্চুরিতে ৫০১ রানের টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতে রাঁচিতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫০১ রানের ম্যাচে ভারতের করা ২৪৯ রান ৯ বল হাতে রেখে টপকে যায় ক্যারিবিয়ানরা। মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে শেই হোপ। ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
৪৫ বলে সেঞ্চুরি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় দ্রুততম। এই সংস্করণে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয়ের নজির এটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে ২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় জিতে এই রেকর্ডের চূড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুটিই নেন মায়াঙ্ক যাদব। তৃতীয় উইকেটে রভমন পাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন ওপেনিংয়ে নামা হোপ। পাওয়েল ১৩ বলে ২৪ রান করে ফেরেন। তাকে বোল্ড করেন মায়াঙ্ক।

তবে পাওয়ার প্লেতে ক্যারিবিয়ানরা তোলে ৭২ রান। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৫৪ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ড। এই জুটিতেই ম্যাচে ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ বলে ফিফটি করেন হোপ। রাদারফোর্ডও ফিফটি পূর্ণ করেন ২৪ বলে।
৩৭ বলে ৭টি করে চার ও ছক্কায় ৮৪ রান করা রাদারফোর্ড আউট হলে জুটি ভাঙে। এরপর হোপের সঙ্গে যোগ দেন রোমারিও শেফার্ড। তিনি ৩টি করে চার ও ছক্কায় ১৩ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
শেষ এমন পরিস্থিতি যে জয়ের জন্য দরকার ৪ রান, সেঞ্চুরির জন্যও হোপের দরকার ৪ রানই। অক্ষর প্যাটেলের বলে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করে দলের জয়ও নিশ্চিত করেন শেই হোপ। তার ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ৯ ছক্কা।
ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ২০টি ছক্কা মারে, চার মারে ২১টি। অর্থাৎ ২০১ রানই তারা করে বাউন্ডারি থেকে। ঘরের মাঠে টানা ১০ টি-টোয়েন্টি জয়ের পর হারলো ভারত।
এর আগে সঞ্জু স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ ও তিনটি চল্লিশ ছোঁয়া ইনিংসে ভারত ২০ ওভারে তোলে ২৪৯ রান।
সিরিজে এখন ১-১ সমতা।

সাহিবজাদা-সাদাকাতের ঝড়ো ফিফটিতে পাকিস্তানের সহজ জয়
ডারবান টেস্ট: প্রথম দিনে ‘বুড়োদের’ অস্ট্রেলিয়া করেছে ১৮৭ রান
দাপুটে শুরুর পর ব্যাটিং ধস, প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭







