দাপুটে শুরুর পর ব্যাটিং ধস, প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭

দাপুটে শুরুর পর ব্যাটিং ধস, প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আবুধাবি টেস্টের শুরুটা দারুণ হয়েছিল বাংলাদেশের। উদ্বোধনী জুটিতে তানজিদ হাসান তামিম আর সাদমান ইসলামের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল টাইগাররা। কিন্তু ওপেনারদের বিদায়ের পর সেই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটাররা।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন শেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭ রান। তিন ফিফটির ইনিংসের পরও তিনশ রানের গণ্ডি পার করতে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে দলকে। দিনশেষে উইকেটে অপরাজিত আছেন নাঈম হাসান (১১) ও তাইজুল ইসলাম (৪)। ৮৪ ওভারের খেলা শেষে আফগানদের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার মোহাম্মদ সেলিম, শিকার করেছেন ৩ উইকেট। এছাড়া দুটি করে উইকেট পেয়েছেন ইয়ামিন ও ইসমত এবং একটি উইকেট গেছে কাইস আহমেদের ঝুলিতে।
ম্যাচের শুরুটা দারুণভাবে রাঙিয়েছিলেন তানজিদ তামিম ও সাদমান ইসলাম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১২৪ রান। টেস্ট ম্যাচ হলেও তামিম শুরু থেকেই ছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। মাত্র ৪১ বলেই ফিফটি তুলে নেন তিনি, সাজঘরে ফেরার আগে করেন দুর্দান্ত ৮৩ রান। ইসমত আলমের বলে উইকেটকিপার ইকরাম আলি খিলের গ্লাভসে বন্দী হয়ে যখন তিনি ফিরলেন, তখন দলের বোর্ডে ১২৪ রান।
এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আরেক ওপেনার সাদমানও। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পর ইনিংস বড় করতে পারেনি তিনি। সেলিমের এক দুর্দান্ত বাউন্সারে পরাস্ত হন। পুল শট খেলতে গিয়ে স্কয়ার লেগে জিয়া-উর-রহমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে যখন তিনি ফেরেন, দলের রান তখন ১৮৪। সাদমানের ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রান।
এ জুটির পতনের পরই বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামে। মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চা-বিরতিতে যায় টাইগাররা। থিতু হয়েও মুমিনুল হক ৩৯ রান করে নিজের উইকেট বিলিয়ে আসেন। ইয়ামিনের লেংথ বলটি অফ স্টাম্প বরাবর পেয়ে ড্রাইভ করতে গিয়ে শর্ট কভারে রহমতের দারুণ ক্যাচে দেন তিনি। এরপর ক্রিজে এসে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের পর থেকেই ছন্দে নেই তিনি। আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে রানের খাতা খোলার আগেই সাজ ঘরে ফেরেন। ইয়ামিনের দুর্দান্ত এক ইনসুইং ইয়র্কারে বোকা বনে ৭ বলে শূন্য রানে বোল্ড হন মুশফিক। ঠিক তার পরেই দ্রুত বিদায় নেন নাজমুল হোসেন শান্তও, করেন ২৯ রান। ফলে ২২৫ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে দল চরম বিপদে পড়ে।
এ বিপর্যয় থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের জুটিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ৬২ রানের জুটি ভাঙে মিরাজের বিদায়ে। ইসমতের একটু খাটো লেংথের বলটি কাট করতে গিয়ে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি মিরাজ, ২৪ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। আফগানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণের মুখে এটি ছিল তাদের দারুণ পরিকল্পনার ফল।
এরপর ক্যারিয়ারের ২১তম ফিফটি তুলে নিয়ে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছিলেন লিটন দাস। তবে ফিফটি ছোঁয়ার পরেই ঘটে বিপত্তি। মোহাম্মদ সেলিমের শর্ট বলে হুক করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ইয়ামিনের দুর্দান্ত ডাইভিং ক্যাচে পরিণত হন লিটন। তার বিদায়ের পর স্কোরবোর্ডে ৩০০ পার হলেও দ্রুতই ফিরে যান হাসান মাহমুদ। সেলিমের আরেকটি বিধ্বংসী ইয়র্কার তার স্টাম্প উড়িয়ে দিলে মাত্র ২ রানেই থামেন তিনি। দিনের বাকি সময়ে আর উইকেটে টিকে ছিলেন নাঈম ও তাইজুল। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ।

আবুধাবি টেস্টের শুরুটা দারুণ হয়েছিল বাংলাদেশের। উদ্বোধনী জুটিতে তানজিদ হাসান তামিম আর সাদমান ইসলামের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল টাইগাররা। কিন্তু ওপেনারদের বিদায়ের পর সেই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটাররা।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন শেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭ রান। তিন ফিফটির ইনিংসের পরও তিনশ রানের গণ্ডি পার করতে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে দলকে। দিনশেষে উইকেটে অপরাজিত আছেন নাঈম হাসান (১১) ও তাইজুল ইসলাম (৪)। ৮৪ ওভারের খেলা শেষে আফগানদের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার মোহাম্মদ সেলিম, শিকার করেছেন ৩ উইকেট। এছাড়া দুটি করে উইকেট পেয়েছেন ইয়ামিন ও ইসমত এবং একটি উইকেট গেছে কাইস আহমেদের ঝুলিতে।
ম্যাচের শুরুটা দারুণভাবে রাঙিয়েছিলেন তানজিদ তামিম ও সাদমান ইসলাম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১২৪ রান। টেস্ট ম্যাচ হলেও তামিম শুরু থেকেই ছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। মাত্র ৪১ বলেই ফিফটি তুলে নেন তিনি, সাজঘরে ফেরার আগে করেন দুর্দান্ত ৮৩ রান। ইসমত আলমের বলে উইকেটকিপার ইকরাম আলি খিলের গ্লাভসে বন্দী হয়ে যখন তিনি ফিরলেন, তখন দলের বোর্ডে ১২৪ রান।
এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আরেক ওপেনার সাদমানও। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পর ইনিংস বড় করতে পারেনি তিনি। সেলিমের এক দুর্দান্ত বাউন্সারে পরাস্ত হন। পুল শট খেলতে গিয়ে স্কয়ার লেগে জিয়া-উর-রহমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে যখন তিনি ফেরেন, দলের রান তখন ১৮৪। সাদমানের ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রান।
এ জুটির পতনের পরই বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামে। মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চা-বিরতিতে যায় টাইগাররা। থিতু হয়েও মুমিনুল হক ৩৯ রান করে নিজের উইকেট বিলিয়ে আসেন। ইয়ামিনের লেংথ বলটি অফ স্টাম্প বরাবর পেয়ে ড্রাইভ করতে গিয়ে শর্ট কভারে রহমতের দারুণ ক্যাচে দেন তিনি। এরপর ক্রিজে এসে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের পর থেকেই ছন্দে নেই তিনি। আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে রানের খাতা খোলার আগেই সাজ ঘরে ফেরেন। ইয়ামিনের দুর্দান্ত এক ইনসুইং ইয়র্কারে বোকা বনে ৭ বলে শূন্য রানে বোল্ড হন মুশফিক। ঠিক তার পরেই দ্রুত বিদায় নেন নাজমুল হোসেন শান্তও, করেন ২৯ রান। ফলে ২২৫ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে দল চরম বিপদে পড়ে।
এ বিপর্যয় থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের জুটিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ৬২ রানের জুটি ভাঙে মিরাজের বিদায়ে। ইসমতের একটু খাটো লেংথের বলটি কাট করতে গিয়ে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি মিরাজ, ২৪ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। আফগানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণের মুখে এটি ছিল তাদের দারুণ পরিকল্পনার ফল।
এরপর ক্যারিয়ারের ২১তম ফিফটি তুলে নিয়ে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছিলেন লিটন দাস। তবে ফিফটি ছোঁয়ার পরেই ঘটে বিপত্তি। মোহাম্মদ সেলিমের শর্ট বলে হুক করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ইয়ামিনের দুর্দান্ত ডাইভিং ক্যাচে পরিণত হন লিটন। তার বিদায়ের পর স্কোরবোর্ডে ৩০০ পার হলেও দ্রুতই ফিরে যান হাসান মাহমুদ। সেলিমের আরেকটি বিধ্বংসী ইয়র্কার তার স্টাম্প উড়িয়ে দিলে মাত্র ২ রানেই থামেন তিনি। দিনের বাকি সময়ে আর উইকেটে টিকে ছিলেন নাঈম ও তাইজুল। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ।

দাপুটে শুরুর পর ব্যাটিং ধস, প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আবুধাবি টেস্টের শুরুটা দারুণ হয়েছিল বাংলাদেশের। উদ্বোধনী জুটিতে তানজিদ হাসান তামিম আর সাদমান ইসলামের ব্যাটে ভর করে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল টাইগাররা। কিন্তু ওপেনারদের বিদায়ের পর সেই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটাররা।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন শেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭ রান। তিন ফিফটির ইনিংসের পরও তিনশ রানের গণ্ডি পার করতে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে দলকে। দিনশেষে উইকেটে অপরাজিত আছেন নাঈম হাসান (১১) ও তাইজুল ইসলাম (৪)। ৮৪ ওভারের খেলা শেষে আফগানদের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার মোহাম্মদ সেলিম, শিকার করেছেন ৩ উইকেট। এছাড়া দুটি করে উইকেট পেয়েছেন ইয়ামিন ও ইসমত এবং একটি উইকেট গেছে কাইস আহমেদের ঝুলিতে।
ম্যাচের শুরুটা দারুণভাবে রাঙিয়েছিলেন তানজিদ তামিম ও সাদমান ইসলাম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ১২৪ রান। টেস্ট ম্যাচ হলেও তামিম শুরু থেকেই ছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। মাত্র ৪১ বলেই ফিফটি তুলে নেন তিনি, সাজঘরে ফেরার আগে করেন দুর্দান্ত ৮৩ রান। ইসমত আলমের বলে উইকেটকিপার ইকরাম আলি খিলের গ্লাভসে বন্দী হয়ে যখন তিনি ফিরলেন, তখন দলের বোর্ডে ১২৪ রান।
এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আরেক ওপেনার সাদমানও। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পর ইনিংস বড় করতে পারেনি তিনি। সেলিমের এক দুর্দান্ত বাউন্সারে পরাস্ত হন। পুল শট খেলতে গিয়ে স্কয়ার লেগে জিয়া-উর-রহমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে যখন তিনি ফেরেন, দলের রান তখন ১৮৪। সাদমানের ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রান।
এ জুটির পতনের পরই বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামে। মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চা-বিরতিতে যায় টাইগাররা। থিতু হয়েও মুমিনুল হক ৩৯ রান করে নিজের উইকেট বিলিয়ে আসেন। ইয়ামিনের লেংথ বলটি অফ স্টাম্প বরাবর পেয়ে ড্রাইভ করতে গিয়ে শর্ট কভারে রহমতের দারুণ ক্যাচে দেন তিনি। এরপর ক্রিজে এসে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের পর থেকেই ছন্দে নেই তিনি। আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে রানের খাতা খোলার আগেই সাজ ঘরে ফেরেন। ইয়ামিনের দুর্দান্ত এক ইনসুইং ইয়র্কারে বোকা বনে ৭ বলে শূন্য রানে বোল্ড হন মুশফিক। ঠিক তার পরেই দ্রুত বিদায় নেন নাজমুল হোসেন শান্তও, করেন ২৯ রান। ফলে ২২৫ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে দল চরম বিপদে পড়ে।
এ বিপর্যয় থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের জুটিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ৬২ রানের জুটি ভাঙে মিরাজের বিদায়ে। ইসমতের একটু খাটো লেংথের বলটি কাট করতে গিয়ে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি মিরাজ, ২৪ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। আফগানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণের মুখে এটি ছিল তাদের দারুণ পরিকল্পনার ফল।
এরপর ক্যারিয়ারের ২১তম ফিফটি তুলে নিয়ে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছিলেন লিটন দাস। তবে ফিফটি ছোঁয়ার পরেই ঘটে বিপত্তি। মোহাম্মদ সেলিমের শর্ট বলে হুক করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ইয়ামিনের দুর্দান্ত ডাইভিং ক্যাচে পরিণত হন লিটন। তার বিদায়ের পর স্কোরবোর্ডে ৩০০ পার হলেও দ্রুতই ফিরে যান হাসান মাহমুদ। সেলিমের আরেকটি বিধ্বংসী ইয়র্কার তার স্টাম্প উড়িয়ে দিলে মাত্র ২ রানেই থামেন তিনি। দিনের বাকি সময়ে আর উইকেটে টিকে ছিলেন নাঈম ও তাইজুল। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ।

লিটনের ফিফটি, বাংলাদেশের ৩০০ পার







