লো সেলসো-লাউতারোর গোলে ২-০ তে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

লো সেলসো-লাউতারোর গোলে ২-০ তে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। ব্যাপক রদবদল নিয়েও ছন্দ হারায়নি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
রবিবার (২৮ জুন) ডালাসে জর্ডানের বিপক্ষে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই আধিপত্যের ফল হিসেবে প্রথমার্ধেই দলকে এগিয়ে দেন জিওভানি লো সেলসো।
লিওনেল স্কালোনির দলের পাসিং, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণের ধার শুরু থেকেই ছিল চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই প্রায় ৮২ শতাংশ সময় বল ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। একের পর এক আক্রমণে জর্ডানের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে আলবিসেলেস্তেরা।
সপ্তম মিনিটেই গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন লো সেলসো। তবে অফসাইডের কারণে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এরপরও তিনি থেমে থাকেননি। ১৭তম মিনিটে তাকে থামাতে গিয়ে কঠোর ট্যাকল করেন জর্ডানের তাহা, যার ফলে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখতে হয় ওই ডিফেন্ডারকে।
সেই ফাউল থেকেই আসে ম্যাচের প্রথম গোল। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকটি দুর্দান্তভাবে কাজে লাগান লো সেলসো।
১৯তম মিনিটে তার নেওয়া নিখুঁত বাঁকানো শট জর্ডানের গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়। দৃষ্টিনন্দন সেই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং ম্যাচের শুরুতেই নিজেদের আধিপত্যের যথাযথ প্রতিফলন পায়।
প্রথম গোলের পর আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় স্ক্যালোনির শিষ্যরা। যার ফল মেলে ম্যাচের ঠিক ৩০ মিনিটের মাথায়। জর্ডানের ডি-বক্সের ভেতর আর্জেন্টিনার এক খেলোয়াড় ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
নিয়মিত পেনাল্টি টেকার মেসি মাঠে না থাকায় স্পট কিক নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পান লাউতারো মার্টিনেজ। সুযোগের শতভাগ সদ্ব্যবহার করে বল জালে জড়াতে একদমই ভুল করেননি এই স্ট্রাইকার। মার্তিনেজের এই নিখুঁত গোলেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। ব্যাপক রদবদল নিয়েও ছন্দ হারায়নি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
রবিবার (২৮ জুন) ডালাসে জর্ডানের বিপক্ষে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই আধিপত্যের ফল হিসেবে প্রথমার্ধেই দলকে এগিয়ে দেন জিওভানি লো সেলসো।
লিওনেল স্কালোনির দলের পাসিং, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণের ধার শুরু থেকেই ছিল চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই প্রায় ৮২ শতাংশ সময় বল ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। একের পর এক আক্রমণে জর্ডানের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে আলবিসেলেস্তেরা।
সপ্তম মিনিটেই গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন লো সেলসো। তবে অফসাইডের কারণে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এরপরও তিনি থেমে থাকেননি। ১৭তম মিনিটে তাকে থামাতে গিয়ে কঠোর ট্যাকল করেন জর্ডানের তাহা, যার ফলে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখতে হয় ওই ডিফেন্ডারকে।
সেই ফাউল থেকেই আসে ম্যাচের প্রথম গোল। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকটি দুর্দান্তভাবে কাজে লাগান লো সেলসো।
১৯তম মিনিটে তার নেওয়া নিখুঁত বাঁকানো শট জর্ডানের গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়। দৃষ্টিনন্দন সেই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং ম্যাচের শুরুতেই নিজেদের আধিপত্যের যথাযথ প্রতিফলন পায়।
প্রথম গোলের পর আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় স্ক্যালোনির শিষ্যরা। যার ফল মেলে ম্যাচের ঠিক ৩০ মিনিটের মাথায়। জর্ডানের ডি-বক্সের ভেতর আর্জেন্টিনার এক খেলোয়াড় ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
নিয়মিত পেনাল্টি টেকার মেসি মাঠে না থাকায় স্পট কিক নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পান লাউতারো মার্টিনেজ। সুযোগের শতভাগ সদ্ব্যবহার করে বল জালে জড়াতে একদমই ভুল করেননি এই স্ট্রাইকার। মার্তিনেজের এই নিখুঁত গোলেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

লো সেলসো-লাউতারোর গোলে ২-০ তে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। ব্যাপক রদবদল নিয়েও ছন্দ হারায়নি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
রবিবার (২৮ জুন) ডালাসে জর্ডানের বিপক্ষে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই আধিপত্যের ফল হিসেবে প্রথমার্ধেই দলকে এগিয়ে দেন জিওভানি লো সেলসো।
লিওনেল স্কালোনির দলের পাসিং, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণের ধার শুরু থেকেই ছিল চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই প্রায় ৮২ শতাংশ সময় বল ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। একের পর এক আক্রমণে জর্ডানের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে আলবিসেলেস্তেরা।
সপ্তম মিনিটেই গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন লো সেলসো। তবে অফসাইডের কারণে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এরপরও তিনি থেমে থাকেননি। ১৭তম মিনিটে তাকে থামাতে গিয়ে কঠোর ট্যাকল করেন জর্ডানের তাহা, যার ফলে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখতে হয় ওই ডিফেন্ডারকে।
সেই ফাউল থেকেই আসে ম্যাচের প্রথম গোল। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকটি দুর্দান্তভাবে কাজে লাগান লো সেলসো।
১৯তম মিনিটে তার নেওয়া নিখুঁত বাঁকানো শট জর্ডানের গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়। দৃষ্টিনন্দন সেই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং ম্যাচের শুরুতেই নিজেদের আধিপত্যের যথাযথ প্রতিফলন পায়।
প্রথম গোলের পর আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় স্ক্যালোনির শিষ্যরা। যার ফল মেলে ম্যাচের ঠিক ৩০ মিনিটের মাথায়। জর্ডানের ডি-বক্সের ভেতর আর্জেন্টিনার এক খেলোয়াড় ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
নিয়মিত পেনাল্টি টেকার মেসি মাঠে না থাকায় স্পট কিক নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পান লাউতারো মার্টিনেজ। সুযোগের শতভাগ সদ্ব্যবহার করে বল জালে জড়াতে একদমই ভুল করেননি এই স্ট্রাইকার। মার্তিনেজের এই নিখুঁত গোলেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

উইসার জোড়া গোলে উজবেকিস্তানকে হারিয়ে নকআউটে কঙ্গো

