দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাঁখারীবাজারে শাঁখা বিক্রির ধুম

দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাঁখারীবাজারে শাঁখা বিক্রির ধুম
মো. ইমরান হোসেন

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক মহাতীর্থ পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার। ঢাকা শহর পত্তনের সময় থেকেই এখানে শঙ্খ আর শাঁখা বিক্রির ধারা অব্যাহত আছে। বংশ পরম্পরায় এ এলাকায় শত শত শাঁখারীর বসবাসের সূত্র ধরেই এর নামকরণ করা হয় শাঁখারীবাজার। ভালো মানের শাঁখার খোঁজে দেশের নানান প্রান্ত থেকে অগণিত ক্রেতা এই বাজারে ছুটে আসেন। দুর্গাপূজার সময় এখানে ভিড় অনেক বেড়ে যায়।
একসময় প্রাচীন পদ্ধতিতে নিপুণ হাতে এখানকার অধিকাংশ দোকানে শাঁখা তৈরি হতো। তবে আগের সেই ঐতিহ্য এখন আর নেই বললেই চলে। এখন মেশিনে তৈরি হয় বাহারি ডিজাইনের শাঁখা। তবে মেশিনের চেয়ে হাতে বানানো শাঁখাকে টেকসই বলেছেন ক্রেতারা। কিন্তু মেশিনে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন খুব সহজেই করা যায়। হাতে সেই সুযোগ কম। তাই মানুষও এখন টেকসই না খুঁজে ডিজাইন খোঁজ করেন।

সরেজমিন শাঁখারীবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সবচেয়ে বেশি ভিড় ‘মা মনসা শঙ্খ শিল্পালয়’ নামে একটি দোকানে। কেউ মায়ের জন্য, আবার কেউ বউয়ের জন্য শাঁখা কিনছেন। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের শাঁখা রয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্রেতাই ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকা দামের শাঁখা কিনছেন।
ফরিদপুরের ভাঙা থেকে আগত দিলীপ কুমার সাহা বলেন, প্রতি বছর এখন থেকে শাঁখারী কিনি। এটা একপ্রকার ঐতিহ্য হয়ে গেছে আমাদের কাছে।
আরেক ক্রেতা বলেন, আমরা গাজীপুর থেকে আসছি। শাঁখা দেখছি। পছন্দ হলে কিনবো। পূজা উপলক্ষে আমরা শাঁখারীবাজার থেকেই শাঁখা কিনে থাকি।
আরেক ক্রেতা মিতা রানি বলেন, শাঁখারীবাজার পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী জায়গা। পূজায় শাঁখা কিনতে ঢাকা আসতে হয়। এক জোড়া শাঁখা কিনলাম দুই হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে।
শাখারী বাজারে ব্যবসায়ী সৌমিত্র নাথ বলেন, দুর্গাপূজা একটি সর্বজনীন উৎসব। এই পূজায় সবাই মাকে নতুন শাঁখা দিবে এবং নিজেরাও শাঁখা পরবে। যতদিন মাকে বিসর্জন দেওয়া না হবে, ততদিন এই বেচাকেনা চলবে।

প্রদীপ সুর নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, এখানে চিকন, মোটাসহ বিভিন্ন আইটেমের শাঁখা আছে। একজোড়া শাঁখা ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। আমাদের এখানকার কালেকশন ভালো। তাই কাস্টমার ভালো আসছে। শাঁখারীবাজারে শাঁখার সাথে পূজার জন্য শাড়িসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক জিনিসও পাওয়া যায়।
এক শাঁখাশিল্পী জানান, একসময় হাতে বানানো শাঁখার অনেক মূল্য ছিল। মজুরিও ছিল অনেক। বিয়ের সময় তাদের বাবুরা মেয়ে দেখতে গেলে যখন শুনতো শাঁখার কাজ করে, তখন সম্মানিত করতো। এখন হাতে তৈরি শাঁখার প্রচলন অনেক কমে গেছে। মেশিনে দ্রুত তৈরি হয়, আবার ব্যয়ও কম। পাশাপাশি মেশিনে তৈরি শাখার ডিজাইনও সুন্দর হয়। এসব কারণে এখন আর কেউ শাঁখা তৈরির কারিগর হতে আগ্রহী হয় না।

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক মহাতীর্থ পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার। ঢাকা শহর পত্তনের সময় থেকেই এখানে শঙ্খ আর শাঁখা বিক্রির ধারা অব্যাহত আছে। বংশ পরম্পরায় এ এলাকায় শত শত শাঁখারীর বসবাসের সূত্র ধরেই এর নামকরণ করা হয় শাঁখারীবাজার। ভালো মানের শাঁখার খোঁজে দেশের নানান প্রান্ত থেকে অগণিত ক্রেতা এই বাজারে ছুটে আসেন। দুর্গাপূজার সময় এখানে ভিড় অনেক বেড়ে যায়।
একসময় প্রাচীন পদ্ধতিতে নিপুণ হাতে এখানকার অধিকাংশ দোকানে শাঁখা তৈরি হতো। তবে আগের সেই ঐতিহ্য এখন আর নেই বললেই চলে। এখন মেশিনে তৈরি হয় বাহারি ডিজাইনের শাঁখা। তবে মেশিনের চেয়ে হাতে বানানো শাঁখাকে টেকসই বলেছেন ক্রেতারা। কিন্তু মেশিনে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন খুব সহজেই করা যায়। হাতে সেই সুযোগ কম। তাই মানুষও এখন টেকসই না খুঁজে ডিজাইন খোঁজ করেন।

সরেজমিন শাঁখারীবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সবচেয়ে বেশি ভিড় ‘মা মনসা শঙ্খ শিল্পালয়’ নামে একটি দোকানে। কেউ মায়ের জন্য, আবার কেউ বউয়ের জন্য শাঁখা কিনছেন। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের শাঁখা রয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্রেতাই ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকা দামের শাঁখা কিনছেন।
ফরিদপুরের ভাঙা থেকে আগত দিলীপ কুমার সাহা বলেন, প্রতি বছর এখন থেকে শাঁখারী কিনি। এটা একপ্রকার ঐতিহ্য হয়ে গেছে আমাদের কাছে।
আরেক ক্রেতা বলেন, আমরা গাজীপুর থেকে আসছি। শাঁখা দেখছি। পছন্দ হলে কিনবো। পূজা উপলক্ষে আমরা শাঁখারীবাজার থেকেই শাঁখা কিনে থাকি।
আরেক ক্রেতা মিতা রানি বলেন, শাঁখারীবাজার পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী জায়গা। পূজায় শাঁখা কিনতে ঢাকা আসতে হয়। এক জোড়া শাঁখা কিনলাম দুই হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে।
শাখারী বাজারে ব্যবসায়ী সৌমিত্র নাথ বলেন, দুর্গাপূজা একটি সর্বজনীন উৎসব। এই পূজায় সবাই মাকে নতুন শাঁখা দিবে এবং নিজেরাও শাঁখা পরবে। যতদিন মাকে বিসর্জন দেওয়া না হবে, ততদিন এই বেচাকেনা চলবে।

প্রদীপ সুর নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, এখানে চিকন, মোটাসহ বিভিন্ন আইটেমের শাঁখা আছে। একজোড়া শাঁখা ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। আমাদের এখানকার কালেকশন ভালো। তাই কাস্টমার ভালো আসছে। শাঁখারীবাজারে শাঁখার সাথে পূজার জন্য শাড়িসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক জিনিসও পাওয়া যায়।
এক শাঁখাশিল্পী জানান, একসময় হাতে বানানো শাঁখার অনেক মূল্য ছিল। মজুরিও ছিল অনেক। বিয়ের সময় তাদের বাবুরা মেয়ে দেখতে গেলে যখন শুনতো শাঁখার কাজ করে, তখন সম্মানিত করতো। এখন হাতে তৈরি শাঁখার প্রচলন অনেক কমে গেছে। মেশিনে দ্রুত তৈরি হয়, আবার ব্যয়ও কম। পাশাপাশি মেশিনে তৈরি শাখার ডিজাইনও সুন্দর হয়। এসব কারণে এখন আর কেউ শাঁখা তৈরির কারিগর হতে আগ্রহী হয় না।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাঁখারীবাজারে শাঁখা বিক্রির ধুম
মো. ইমরান হোসেন

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক মহাতীর্থ পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার। ঢাকা শহর পত্তনের সময় থেকেই এখানে শঙ্খ আর শাঁখা বিক্রির ধারা অব্যাহত আছে। বংশ পরম্পরায় এ এলাকায় শত শত শাঁখারীর বসবাসের সূত্র ধরেই এর নামকরণ করা হয় শাঁখারীবাজার। ভালো মানের শাঁখার খোঁজে দেশের নানান প্রান্ত থেকে অগণিত ক্রেতা এই বাজারে ছুটে আসেন। দুর্গাপূজার সময় এখানে ভিড় অনেক বেড়ে যায়।
একসময় প্রাচীন পদ্ধতিতে নিপুণ হাতে এখানকার অধিকাংশ দোকানে শাঁখা তৈরি হতো। তবে আগের সেই ঐতিহ্য এখন আর নেই বললেই চলে। এখন মেশিনে তৈরি হয় বাহারি ডিজাইনের শাঁখা। তবে মেশিনের চেয়ে হাতে বানানো শাঁখাকে টেকসই বলেছেন ক্রেতারা। কিন্তু মেশিনে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন খুব সহজেই করা যায়। হাতে সেই সুযোগ কম। তাই মানুষও এখন টেকসই না খুঁজে ডিজাইন খোঁজ করেন।

সরেজমিন শাঁখারীবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সবচেয়ে বেশি ভিড় ‘মা মনসা শঙ্খ শিল্পালয়’ নামে একটি দোকানে। কেউ মায়ের জন্য, আবার কেউ বউয়ের জন্য শাঁখা কিনছেন। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের শাঁখা রয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্রেতাই ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকা দামের শাঁখা কিনছেন।
ফরিদপুরের ভাঙা থেকে আগত দিলীপ কুমার সাহা বলেন, প্রতি বছর এখন থেকে শাঁখারী কিনি। এটা একপ্রকার ঐতিহ্য হয়ে গেছে আমাদের কাছে।
আরেক ক্রেতা বলেন, আমরা গাজীপুর থেকে আসছি। শাঁখা দেখছি। পছন্দ হলে কিনবো। পূজা উপলক্ষে আমরা শাঁখারীবাজার থেকেই শাঁখা কিনে থাকি।
আরেক ক্রেতা মিতা রানি বলেন, শাঁখারীবাজার পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী জায়গা। পূজায় শাঁখা কিনতে ঢাকা আসতে হয়। এক জোড়া শাঁখা কিনলাম দুই হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে।
শাখারী বাজারে ব্যবসায়ী সৌমিত্র নাথ বলেন, দুর্গাপূজা একটি সর্বজনীন উৎসব। এই পূজায় সবাই মাকে নতুন শাঁখা দিবে এবং নিজেরাও শাঁখা পরবে। যতদিন মাকে বিসর্জন দেওয়া না হবে, ততদিন এই বেচাকেনা চলবে।

প্রদীপ সুর নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, এখানে চিকন, মোটাসহ বিভিন্ন আইটেমের শাঁখা আছে। একজোড়া শাঁখা ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। আমাদের এখানকার কালেকশন ভালো। তাই কাস্টমার ভালো আসছে। শাঁখারীবাজারে শাঁখার সাথে পূজার জন্য শাড়িসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক জিনিসও পাওয়া যায়।
এক শাঁখাশিল্পী জানান, একসময় হাতে বানানো শাঁখার অনেক মূল্য ছিল। মজুরিও ছিল অনেক। বিয়ের সময় তাদের বাবুরা মেয়ে দেখতে গেলে যখন শুনতো শাঁখার কাজ করে, তখন সম্মানিত করতো। এখন হাতে তৈরি শাঁখার প্রচলন অনেক কমে গেছে। মেশিনে দ্রুত তৈরি হয়, আবার ব্যয়ও কম। পাশাপাশি মেশিনে তৈরি শাখার ডিজাইনও সুন্দর হয়। এসব কারণে এখন আর কেউ শাঁখা তৈরির কারিগর হতে আগ্রহী হয় না।

এবছর ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দূর্গাপূজা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী




-CznNewsLab-37ecd8-480x270.webp)

